সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

দেশভাগের ক্ষত আর মানবতার আর্তনাদ: ‘পঞ্চমীর চাঁদ’

আবু তাহের, জাককানইবি আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়, এটি সময়, সমাজ ও ইতিহাসকে নতুন করে দেখার একটি জানালা। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি ১২ থেকে ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে ভারত থেকে আগত কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্যসংস্থার পরিবেশিত ‘পঞ্চমীর চাঁদ’ নাটকটি দর্শকদের সামনে সেই জানালাই উন্মুক্ত করেছে। সাদাত হাসান মান্টোর কালজয়ী ছোটগল্প ‘খোল […]

দেশভাগের ক্ষত আর মানবতার আর্তনাদ: ‘পঞ্চমীর চাঁদ’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৪৪

আবু তাহের, জাককানইবি

আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়, এটি সময়, সমাজ ও ইতিহাসকে নতুন করে দেখার একটি জানালা। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি ১২ থেকে ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে ভারত থেকে আগত কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্যসংস্থার পরিবেশিত

‘পঞ্চমীর চাঁদ’ নাটকটি দর্শকদের সামনে সেই জানালাই উন্মুক্ত করেছে। সাদাত হাসান মান্টোর কালজয়ী ছোটগল্প ‘খোল দো’ অবলম্বনে রচিত ও নির্দেশিত এ নাটকটি দেশভাগের নির্মম ইতিহাসকে নতুন ভাষায় মঞ্চে উপস্থাপন করেছে। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন তুষার রায় ও দীপক নায়েক।

সাদাত হাসান মান্টো তাঁর লেখনীতে দেশভাগের অমানবিকতা, উদ্বাস্তু মানুষের অসহায়ত্ব, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং নারীর ওপর নৃশংস নির্যাতনের চিত্র বারবার তুলে ধরেছেন। ‘পঞ্চমীর চাঁদ’ সেই ইতিহাসেরই এক মর্মস্পর্শী পুনর্পাঠ। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র সিরাজউদ্দিন ও তার মেয়ে সাকিনা, যাদের ব্যক্তিগত বেদনা আসলে দেশভাগে ক্ষতবিক্ষত লক্ষ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে।

নাটকের শুরুতেই দর্শক দেখতে পান একটি ছোট্ট সংসার। অভাব থাকলেও সেখানে ছিল ভালোবাসার প্রাচুর্য। সিরাজউদ্দিনের স্ত্রী আসমা বিবি নিহত হয়েছেন দুর্বৃত্তদের হাতে। তার স্মৃতি, মেয়ের হাসি, বাড়ির নিমগাছ আর ছোট্ট ভিটেমাটিই ছিল সিরাজউদ্দিনের বেঁচে থাকার অবলম্বন। কিন্তু দেশভাগের বিভীষিকা সেই আশ্রয়ও কেড়ে নেয়। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আগুনে পুড়ে যায় মানুষের পরিচয়, সম্পর্ক এবং বিশ্বাস।

ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির প্রাক্কালে ধর্মের ভিত্তিতে দেশ বেছে নেওয়ার যে নিষ্ঠুর বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল, তারই প্রেক্ষাপটে সিরাজউদ্দিন ও সাকিনা ট্রেনে চড়ে পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রা করে। কিন্তু বিশৃঙ্খলার মধ্যেই হারিয়ে যায় সাকিনা। বাবার কাছে থেকে যায় শুধু একটি ওড়না, একটি স্মৃতি, একটি প্রতীক।

এরপর শুরু হয় দুই সমান্তরাল যাত্রা। একদিকে বাবা সিরাজউদ্দিন ক্যাম্পে ক্যাম্পে ঘুরে মেয়েকে খুঁজে ফেরেন; অন্যদিকে সাকিনা খুঁজতে থাকে তার ‘আব্বু’কে। কিন্তু সে যে পৃথিবীতে এসে পড়ে, সেখানে মানুষের মুখে আর ভরসা নেই। নির্যাতন, প্রতারণা ও অবিশ্বাস তাকে গ্রাস করে। অবশেষে সে হয়ে ওঠে যুদ্ধ ও দেশভাগের সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতার শিকার, নারীর প্রতি সহিংসতার এক নীরব সাক্ষ্য।

নাটকের সবচেয়ে শক্তিশালী মুহূর্তটি আসে শেষ দৃশ্যে। হাসপাতালে জীবিত অবস্থায় সাকিনাকে খুঁজে পান সিরাজউদ্দিন। কিন্তু শারীরিকভাবে বেঁচে থাকলেও মানসিকভাবে সে যেন বহু আগেই হারিয়ে গেছে। ‘খোল দো’এই দুটি শব্দ তার কাছে আর কোনো সাধারণ নির্দেশ নয়; এটি হয়ে উঠেছে ভয়, নির্যাতন ও হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাসের প্রতিধ্বনি। যখন সে নিজের বাবাকেও চিনতে পারে না, তখন সিরাজউদ্দিনের আর্তনাদ- “আমি শুধু পুরুষ না রে, আমি তোর বাপ” দর্শকদের হৃদয় বিদীর্ণ করে।

‘পঞ্চমীর চাঁদ’ কেবল একটি নাটক নয়; এটি ইতিহাসের মুখোমুখি দাঁড়ানোর সাহস। এটি মনে করিয়ে দেয়, দেশভাগ শুধু ভূখণ্ডের বিভাজন ছিল না, এটি ছিল মানুষের স্বপ্ন, সম্পর্ক ও মানবিকতারও বিভাজন। সাত দশক পরও সেই ক্ষত রয়ে গেছে আমাদের সম্মিলিত স্মৃতিতে।

বর্তমান বিশ্বে যখন ধর্ম, জাতি ও পরিচয়ের প্রশ্নে নতুন নতুন সংঘাত তৈরি হচ্ছে, তখন ‘পঞ্চমীর চাঁদ’ আমাদের একটি জরুরি প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়; মানুষ কি সত্যিই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়? নাটকটির সবচেয়ে বড় সাফল্য এখানেই যে, এটি দর্শককে শুধু কাঁদায় না, ভাবতেও বাধ্য করে।

দেশভাগের বেদনা, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং মানবতার চিরন্তন আবেদন, সবকিছুর সম্মিলনে ‘পঞ্চমীর চাঁদ’ হয়ে উঠেছে এক অনন্য মঞ্চনির্মাণ। আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের মঞ্চে এর উপস্থাপনা প্রমাণ করেছে, ভালো নাটক কখনও সীমান্ত মানে না; বরং মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে যায়, ইতিহাসের গভীরতম ক্ষতকে স্পর্শ করে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।