বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুবিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

রাফি কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী সংগঠন ‘এনথ্রোপলজি সোসাইটি’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম […]

কুবিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৬, ২২:২৫

রাফি কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী সংগঠন ‘এনথ্রোপলজি সোসাইটি’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার,

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম। এছাড়াও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভুতি প্রকাশ করে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থী সাদিয়া জাফরিন বলেন, “নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মধ্য দিয়ে আমাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। লাল মাটির এই ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাসকে আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণের আঙিনা হিসেবে দেখি।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা মানুষকে জানতে, সমাজকে বুঝতে এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিদায়ী শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে বিদায় জানাতে গিয়ে আজ আনন্দের পাশাপাশি এক ধরনের নস্টালজিয়াও কাজ করছে। ২০১৯ সালে অচেনা পরিবেশে শুরু হওয়া এই পথচলা আজ অসংখ্য স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ।

নৃবিজ্ঞানের শিক্ষা আমাদের শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, মানুষ, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যকে সম্মান করতে শিখিয়েছে। প্রিয় শিক্ষক, সহপাঠী ও বিভাগের সবার প্রতি আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ। জুনিয়রদের প্রতি আহ্বান থাকবে—সততা, পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে।

ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও নৃবিজ্ঞান বিভাগ আমাদের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবে।”

এনথ্রোপলজি সোসাইটির সহসভাপতি তানজিনা সারোয়ার সেতু বলেন, “আজকের এই দিন একই সঙ্গে আমাদের জন্য আনন্দের এবং হারানোর। নবীনরা উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে এসেছে।

একই সঙ্গে আজ একটি প্রবীণ ব্যাচ আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেবে। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আপনারা আপনাদের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের সকল সিনিয়র ব্যাচ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনে নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছে। আমরা আশা করি, আপনারাও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “নৃবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নের মূল লক্ষ্য হলো সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে সম্মান করা, মানুষের বহুমাত্রিক পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সমাজকে উপলব্ধি করা।

শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিক ও পলিথিনমুক্ত রাখতে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিন বলেন, “বিদায় সবসময়ই কিছুটা কষ্টের। তবে এটি জীবনের একটি স্বাভাবিক অধ্যায়। বিদায়ী ব্যাচের সঙ্গে আমাদের শিক্ষক ও জুনিয়রদের অসংখ্য সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে আছে, যা সবসময় মনে থাকবে।

আমি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। তারা যেন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

একই সঙ্গে আমি তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই বিভাগ সবসময় তাদের আপন ঠিকানা হয়ে থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা বিভাগের শিক্ষক ও পরিবারের মতো সবার সহযোগিতা পাবে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।