সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আ.লীগের ভোটেই নির্ধারিত হতে পারে পটুয়াখালী-৩ আসনের জয়–পরাজয়

পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়–পরাজয়ের চূড়ান্ত নিয়ামক হয়ে উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ভোট। দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকলেও তাদের ভোটার ও সমর্থকদের অবস্থানই নির্ধারণ করবে কে হচ্ছেন পরবর্তী সংসদ সদস্য—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই বাস্তবতায় আওয়ামী ভোটারদের কাছে টানতে মাঠে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও […]

আ.লীগের ভোটেই নির্ধারিত হতে পারে পটুয়াখালী-৩ আসনের জয়–পরাজয়

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:২১

পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়–পরাজয়ের চূড়ান্ত নিয়ামক হয়ে উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ভোট। দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকলেও তাদের ভোটার ও সমর্থকদের অবস্থানই নির্ধারণ করবে কে হচ্ছেন পরবর্তী সংসদ সদস্য—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এই বাস্তবতায় আওয়ামী ভোটারদের কাছে টানতে মাঠে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর এবং বিএনপি থেকে পদত্যাগ করা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান মামুন। দুই প্রার্থীই প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নিরাপত্তা ও পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছেন।

এদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থক ভোটাররাও নুরুল হক নূর ও হাসান মামুন—এই দুই প্রার্থীর পক্ষে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন মিছিল, পথসভা ও সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। ফলে নির্বাচনী মাঠে বাড়ছে উত্তাপ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত প্রায় সব সুষ্ঠু নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরাই জয়লাভ করেছেন। এ কারণেই এই আসনটি দীর্ঘদিন ধরে ‘আওয়ামী লীগের দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত।

সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের গোলাম মাওলা রনি ১ লাখ ২০ হাজার ১০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহজাহান খান পেয়েছিলেন ৬১ হাজার ৪২৩ ভোট। এছাড়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন এবং ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে এস এম শাহজাদা বিজয়ী হন।

অভিজ্ঞ মহলের ধারণা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী না থাকায় দলটির ভোটার ও সমর্থকরা যে প্রার্থীকে ভোট দেবেন, তার জয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

আওয়ামী ভোটারদের মন জয় করতে দুই প্রধান প্রার্থীই ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চায়ের দোকান, পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজারসহ পুরো দশমিনা ও গলাচিপা এলাকায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই প্রথম সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করছেন নুরুল হক নূর ও হাসান মামুন।

নৌকা ও ধানের শীষবিহীন এই নির্বাচনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে নুরুল হক নূর এবং ঘোড়া প্রতীক নিয়ে হাসান মামুনের প্রচার-প্রচারণায় পুরো আসনে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। ভোটারদের ভাষ্য, বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে পটুয়াখালী-৩ আসনে।

নুরুল হক নূর ও হাসান মামুন দুজনেই বিভিন্ন পথসভায় দাবি করছেন, পটুয়াখালী-৩ আসনের দিকে তাকিয়ে আছে পুরো দেশ। জয়ের ব্যাপারে দুজনই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এ ছাড়া এই আসনে নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক জেলা আমীর ও বরিশাল বিভাগীয় অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক মু. শাহ আলম (দাঁড়িপাল্লা) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলনের প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক (হাতপাখা)। তাঁরাও জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এবং আওমীলীগের ভোট তাঁদের পক্ষে যাবে বলে মনে করছেন।

সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনে এবার হাড্ডাহাড্ডি ও বহুমুখী লড়াই হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এই আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যজন হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক (জাহাজ)।

পটুয়াখালী-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৯ হাজার ২০ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১২৪টি, যার মধ্যে ৮০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। গলাচিপায় ৬১টি এবং দশমিনায় ১৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।

দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সব ভোটকেন্দ্র কঠোর নিরাপত্তার আওতায় থাকবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ও চরাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।