শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনেই যেন বিএনপি নিতে মরিয়া

মেহেদী হাসান,বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে দুই আসনে জোট প্রার্থী জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬টি আসনে ৫৯ প্রার্থী পেয়েছেন বৈধতা। সুযোগ […]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনেই যেন বিএনপি নিতে মরিয়া

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৩৬

মেহেদী হাসান,বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে দুই আসনে জোট প্রার্থী জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি।

ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬টি আসনে ৫৯ প্রার্থী পেয়েছেন বৈধতা। সুযোগ নিতে চায় ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দুটি আসনে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়তে হবে বিএনপি ও জোট প্রার্থীদের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): এবার আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের এস এম শহীদউল্লাহ, জাতীয় পার্টির মো. শাহ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হুসাইন আহম্মদ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. ইসলাম উদ্দিন,

ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শরীফ মৃধা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এ কে এম কামরুজ্জামান ও ইকবাল চৌধুরী। এই আসনে বিএনপি ও ১২ দলীয় জোট প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ): আসনটিতে বিএনপি প্রার্থী না দিয়ে সমর্থন দিয়েছে জোটসঙ্গী জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে। তবে তাঁকে নির্বাচন করতে হবে খেজুরগাছ প্রতীকে। জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মোবারক হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহ্দী, জাতীয় পার্টির জিয়াউল হক মৃধা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেছার আহম্মেদ, খেলাফত মজলিসের আবুল ফাতাহ মো. মাসুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের তৈমুর রেজা মো. শাহজাদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাইন উদ্দিন, আমজনতা দলের শরিফা আক্তার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এস এ তরুণ দে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর): এই আসনে বিএনপি থেকে প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী থেকে অধ্যাপক জুনায়েদ হাসান, এনসিপি থেকে মো. আতাউল্লাহ, জাতীয় পার্টি থেকে অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া,

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে নিয়াজুল করিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মুহসিনুল হাসান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আবু হানিফ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আয়েশা আক্তার এবং খেলাফত মজলিসের হাফেজ মো. এমদাদুল্লাহ মনোনয়ন পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া): এই আসনে বিএনপি থেকে দুজনকে প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য ড. মুশফিকুর রহমান ও কবির আহাম্মেদ ভূঁইয়া। তবে শেষ পর্যন্ত কে নির্বাচনে থাকবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ২০ জানুয়ারি।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম থেকে মো. আতাউর রহমান সরকার, জাতীয় পার্টির মো. মো. জহিরুল হক খান, গণঅধিকার পরিষদের মো. জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জসিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. হাফেজ আলম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রাফি উদ্দিন এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাহিন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমজাদ হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নজরুল ইসলাম, গণফ্রন্টের নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া,

গণসংহতি আন্দোলনের নাহিদা জাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আশরাফুল হক, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. শাহিন খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন (বিএনপির বিদ্রোহী) কাজী নাজমুল হোসেন তাপস।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর): এই আসনে বিএনপি সমর্থন দিয়েছে জোটসঙ্গী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে। তাঁকে নির্বাচন করতে হবে মাথাল প্রতীকে। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দেওয়ান মো. মহসিন,

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাঈদ উদ্দিন খান জাবেদ, গণঅধিকার পরিষদের শফিকুল ইসলাম শুভ , ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবু নাছের, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের কে এম জাবির, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শফিকুল ইসলাম এবং বিএনপির বিদ্রোহী ড. মো. সায়দুজ্জামান কামাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।