রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিমানবন্দরে লাগেজ চোর সিন্ডিকেট বেপরোয়া

বিতর্ক, দুর্ঘটনা, সমালোচনা পিছু ছাড়ছে না হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের। একের পর বিতর্ক প্রতিষ্ঠানটি গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে, ফেলছে অস্বস্তিতে। সর্বশেষ কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সিলগালা করা স্ট্রংরুমের (ভল্ট) তালা ভাঙার রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটল মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা, যা ঘটিয়েছেন এক দায়িত্বরত আনসার সদস্য। তার পোশাকের ভেতরে লুকানো অবস্থায় পুরোনো মডেলের […]

বিমানবন্দরে লাগেজ চোর সিন্ডিকেট বেপরোয়া

বিমানবন্দরে লাগেজ চোর সিন্ডিকেট বেপরোয়া

নিউজ ডেস্ক

০৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪৪

বিতর্ক, দুর্ঘটনা, সমালোচনা পিছু ছাড়ছে না হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের। একের পর বিতর্ক প্রতিষ্ঠানটি গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে, ফেলছে অস্বস্তিতে। সর্বশেষ কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সিলগালা করা স্ট্রংরুমের (ভল্ট) তালা ভাঙার রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটল মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা, যা ঘটিয়েছেন এক দায়িত্বরত আনসার সদস্য।

তার পোশাকের ভেতরে লুকানো অবস্থায় পুরোনো মডেলের ১৫টি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ঘটনা জেনে সেই আনসার সদস্যকে বাহিনী থেকে বহিষ্কার ও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান বলেছেন, আনসার সদস্যের কাছ থেকে মোবাইল উদ্ধারের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তবে এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা সদস্য রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা নিয়েছে, যা বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

সূত্রমতে, দেশের প্রধান বিমানবন্দরে প্রতি বছর লাগেজসহ হাজার হাজার চুরির ঘটনা ঘটে আসছে, যা কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। অনেকের মতে, বছরের পর বছর ধরে বিমানবন্দরে চোর ও লাগেজ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। যাদের মধ্যে নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যরাও জড়িত রয়েছে। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সরকারি হিসাবমতে, বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন গড়ে তিনটি লাগেজ চুরি বা গায়েব হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই লাগেজ গায়েব চক্র তত্পরতা চালালেও পুরোপুরি প্রতিরোধ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে কারা, কীভাবে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অপতত্পরতা চালাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী ও এভিয়েশন বিশ্লেষকরা।

গত ১৮ অক্টোবর কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরও অগ্নিপ্রতিরোধী স্ট্রংরুমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য আমদানি করা বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। তবে সিলগালা অবস্থায় থাকা স্ট্রংরুমে তালা ভাঙা হয়। ঘটনার ১০ দিন পর ২৭ অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় জিডি হলে গত ৪ নভেম্বর তা প্রকাশ পায়। অনেকের আশঙ্কা, স্ট্রংরুম থেকে কয়েকটি অস্ত্র চুরি গেছে। সেই ঘটনার রেশ শেষ না হতেই কার্গো ভিলেজে ভস্মীভূত দ্রব্যের মাঝে থাকা ১৫টি বাটন ফোন লুকিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্য।

এর আগে বিমানবন্দরে যাত্রীর লাগেজ থেকে ৬ হাজার ৮০০ ইউরো (৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা) চুরির ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাঁচ কর্মীকে গত ৬ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়। গত ২ আগস্ট ভারতের চেন্নাইগামী সেই যাত্রীর চেক করা লাগেজ থেকে ইউরো চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সিসিটিভির ফুটেজ থেকে কর্মীদের শনাক্ত করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলার পর আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনার আগে গত ৭ জানুয়ারি ওমরাহ পালন শেষে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরে লাগেজ খুইয়ে ফেলেন ভুক্তভোগী কাজী মোশতাক আহম্মেদ। ইমিগ্রেশনে দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়েও লাগেজ না পেয়ে অভিযোগ দেন বিমানের ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ বিভাগে। শেষ অবধি লাগেজ ফিরিয়ে দিতে না পেরে বিমান কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৯ হাজার টাকা দেয়। তবে ভুক্তভোগীর ভাষ্য, খোয়া যাওয়া লাগেজে ১১ কেজি ওজনের বিভিন্ন সামগ্রী ছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা। অথচ পাঁচ মাস পরে তাকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১৯ হাজার ৫২০ টাকা।

সেই ঘটনার পর ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন আমেরিকান নাগরিক ও ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সৌদিপ্রবাসী এক যাত্রীর লাগেজ খোয়া যায়। বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহযোগিতায় পরে তারা লাগেজ ফিরে পান। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি আরিফ প্রামাণিক নামে এক সৌদি আরবপ্রবাসী দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পথে দুষ্কৃতকারীরা তার টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজ থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুষ্কৃতকারীদের আটক এবং উদ্ধার করা টাকা ও মালামাল বুঝিয়ে দেয়।

বিমানের ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ বিভাগের সূত্রমতে, প্রতিদিন গড়ে তিনটির মতো লাগেজ চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়। গত ছয় মাসে ৫৪০টি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানতে চাইলে সিভিল এভিয়েশনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাইরে যতই কয়েক স্তরের নিরাপত্তাবলয়। কিন্তু ভেতরে তেমন শক্তিশালী কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থাই নেই। বাইরে কড়াকড়ি, ভেতরে ঢিল। ভেতরের এই প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে সিন্ডিকেট চক্রের ঔদ্ধত্য এতটা বেপরোয়া। শাহজালালে এত এত বাহিনীর স্ট্রং সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও তারা কিছুই টের পেল না! সিভিল এভিয়েশনের সিকিউরিটি চুরি-পাচারসহ অমুক করে তমুক করে বলে অ্যাবসেক বাহিনী আনা হলো। কার্যত কিছুই হচ্ছে না! শো অফ হলো। সিন্ডিকেটবাজি থামছেই না।

অবশ্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বলেন, ‘নিরাপত্তাবলয় ছিল বলেই চোর সফল হতে পারেনি। এটা ব্যক্তির অসাধুতা, যা কোনোভাবেই পুরো আনসার বাহিনীর পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। বাহিনী যথেষ্ট ভালো কাজ করছে। ভালোদের কারণে খারাপদের এসব কর্মকাণ্ড আমরা শনাক্ত করতে পারছি।’

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহেদুল আলম বলেন, পুরো এয়ারপোর্টের মালিকানা অনেকটা সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের। সরকারের পক্ষ থেকে তারা এ দায়িত্বপ্রাপ্ত। এয়ারপোর্টের ভেতরে অন্য কোনো সংস্থার কর্তৃত্ব নেই। এর ভেতরে ভালো কিছু হলে প্রশংসা, মন্দ হলে নিন্দিত হতে হবে তাদেরই। অথচ এর ভেতরে কিছু ঘটলেই দেখা যায়, সবার মধ্যে দায়িত্ব এরিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি, এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ বলেন, এভাবে একের পর অপ্রীতিকর ঘটনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচয়ে কলঙ্কের কালিলেপন করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির নামে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা দায় এড়াচ্ছেন এবং বিষয়টিকে বারবারই উপেক্ষা করে যাচ্ছেন। আর কতটা মূল্য দিলে বিমান এদের কাছ থেকে রেহাই পাবে?

স্রত্র : ইত্তেফাক

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।