সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাজী কেরামত আলী কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের হাজী কেরামত আলী কলেজের অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি হয়। এসময় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণ অধিকার পরিষদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:৪৩

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের হাজী কেরামত আলী কলেজের অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি হয়।

এসময় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণ অধিকার পরিষদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে ক্লোজার বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চরকাজল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমেদ আকন, চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বাকের বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, চরকাজল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক মো. টিপু বিশ্বাস, গণ অধিকার পরিষদের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সদস্য সচিব মো. জুয়েল হাওলাদার,

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মীর মোস্তফা কামাল এবং চরকাজল ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মোঃ আজিজ জোমাদ্দার, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মো. ইমরান নাজির ও সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. আল আমিন,

চরআগস্থি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবির, চরবিশ্বাস জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান দুলালসহ বিভিন্ন স্কুল–কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এসময় বক্তারা অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের অপসারণ এবং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। একইসাথে কলেজে অধ্যক্ষ আলীম উজজামানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন তারা।

মানববন্ধনে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাকের বিশ্বাস বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অবৈধভাবে আলীম উজজামান কলেজে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন এবং বিভিন্ন অর্থ কেলেঙ্কারিতে জড়িত।

এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় প্রতিষ্ঠাতা গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন। আমরা তার অপসারণ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।

চরকাজল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান বলেন, অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে। তার মতো ব্যক্তি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বায়িত্বে থাকতে পারেন না। তিনি সরে না যাওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

গণ অধিকার পরিষদের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সদস্য সচিব জুয়েল হাওলাদার বলেন, গোলাম মোস্তফা একজন মানবপ্রেমী শিল্পপতি, যিনি নিজ অর্থায়নে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। অথচ আজ তার বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে যা অমানবিক।

কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অধ্যক্ষ আলীম উজজামান অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত, তিনি নিজে বাঁচার জন্য সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আমরা তার অপসারণ চাই।

একাদশ শ্রেণির ছাত্রী জামিলা বলেন, সভাপতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে আজ আমরা রাস্তায় নেমেছি। এই মামলা প্রত্যাহার ও অধ্যক্ষের অপসারণ চাই।

কেরামত আলী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোকসেদুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষ আলীম উজজামানকে অপসারণ করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমাদের আন্দোলন চলবে।

ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি নাঈম আহসান বলেন, শিল্পপতি গোলাম মোস্তফা মিয়া নিজ অর্থায়নে দূর্গম চরে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আলীম উজজামান একজন মাদ্রাসা শিক্ষক। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোন মাদ্রাসা শিক্ষক কোন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হতে পারে না। কিন্তু তিনি বিভিন্ন জাল জালিয়াতি করে অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছি। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট।

এই কারণে আজ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দল ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। বর্তমানে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি আমরা কিন্তু শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অধ্যক্ষ আলীম উজজামানকে অপসারণ করতে হবে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ আলীম উজজামান বলেন, আদালতে একটি মামলা চলমান ও আদেশ রয়েছে। যে মামলার আদেশ বাস্তবায়নে আমি হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি সভাপতির বিরুদ্ধে কোন মামলা করি নাই। গোলাম মোস্তফা মিয়া একজন ভালো মানুষ কিন্তু তাকে কেউ ব্যবহার করতেছে।

আমি চলমান মামলায় হাইকোর্টের যে নির্দেশনা আসে তাই মেনে নিবো এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টির সমাধান করতে চাই। তিনি আরও বলেন, আমাকে কলেজে যেতে নিষেধ করেছে তাই আমি যাই না।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানববন্ধন, অরাজকতা সৃষ্টি এমন পরিবেশ কাম্য নয়। আমরা চাই সুষ্ঠু স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসুক। কমিটির সভাপতি ও অধ্যক্ষের মধ্যে চলমান সমস্যা সমাধানে আমরা আলোচনা করবো।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।