রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাজী কেরামত আলী কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের হাজী কেরামত আলী কলেজের অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি হয়। এসময় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণ অধিকার পরিষদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:৪৩

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের হাজী কেরামত আলী কলেজের অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি হয়।

এসময় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণ অধিকার পরিষদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে ক্লোজার বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চরকাজল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমেদ আকন, চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বাকের বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, চরকাজল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক মো. টিপু বিশ্বাস, গণ অধিকার পরিষদের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সদস্য সচিব মো. জুয়েল হাওলাদার,

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মীর মোস্তফা কামাল এবং চরকাজল ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মোঃ আজিজ জোমাদ্দার, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মো. ইমরান নাজির ও সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. আল আমিন,

চরআগস্থি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবির, চরবিশ্বাস জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান দুলালসহ বিভিন্ন স্কুল–কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এসময় বক্তারা অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের অপসারণ এবং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। একইসাথে কলেজে অধ্যক্ষ আলীম উজজামানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন তারা।

মানববন্ধনে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাকের বিশ্বাস বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অবৈধভাবে আলীম উজজামান কলেজে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন এবং বিভিন্ন অর্থ কেলেঙ্কারিতে জড়িত।

এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় প্রতিষ্ঠাতা গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন। আমরা তার অপসারণ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।

চরকাজল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান বলেন, অধ্যক্ষ আলীম উজজামানের নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে। তার মতো ব্যক্তি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বায়িত্বে থাকতে পারেন না। তিনি সরে না যাওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

গণ অধিকার পরিষদের চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সদস্য সচিব জুয়েল হাওলাদার বলেন, গোলাম মোস্তফা একজন মানবপ্রেমী শিল্পপতি, যিনি নিজ অর্থায়নে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। অথচ আজ তার বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে যা অমানবিক।

কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অধ্যক্ষ আলীম উজজামান অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত, তিনি নিজে বাঁচার জন্য সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আমরা তার অপসারণ চাই।

একাদশ শ্রেণির ছাত্রী জামিলা বলেন, সভাপতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে আজ আমরা রাস্তায় নেমেছি। এই মামলা প্রত্যাহার ও অধ্যক্ষের অপসারণ চাই।

কেরামত আলী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোকসেদুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষ আলীম উজজামানকে অপসারণ করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমাদের আন্দোলন চলবে।

ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি নাঈম আহসান বলেন, শিল্পপতি গোলাম মোস্তফা মিয়া নিজ অর্থায়নে দূর্গম চরে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আলীম উজজামান একজন মাদ্রাসা শিক্ষক। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোন মাদ্রাসা শিক্ষক কোন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হতে পারে না। কিন্তু তিনি বিভিন্ন জাল জালিয়াতি করে অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছি। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট।

এই কারণে আজ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দল ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। বর্তমানে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি আমরা কিন্তু শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অধ্যক্ষ আলীম উজজামানকে অপসারণ করতে হবে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ আলীম উজজামান বলেন, আদালতে একটি মামলা চলমান ও আদেশ রয়েছে। যে মামলার আদেশ বাস্তবায়নে আমি হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি সভাপতির বিরুদ্ধে কোন মামলা করি নাই। গোলাম মোস্তফা মিয়া একজন ভালো মানুষ কিন্তু তাকে কেউ ব্যবহার করতেছে।

আমি চলমান মামলায় হাইকোর্টের যে নির্দেশনা আসে তাই মেনে নিবো এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টির সমাধান করতে চাই। তিনি আরও বলেন, আমাকে কলেজে যেতে নিষেধ করেছে তাই আমি যাই না।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানববন্ধন, অরাজকতা সৃষ্টি এমন পরিবেশ কাম্য নয়। আমরা চাই সুষ্ঠু স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসুক। কমিটির সভাপতি ও অধ্যক্ষের মধ্যে চলমান সমস্যা সমাধানে আমরা আলোচনা করবো।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।