শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার জুয়ার আসর থেকে বিএনপি নেতাসহ আটক ৯

পাবনার আতাইকুলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির পাভেলের শোরুমে জুয়ার আসর থেকে বিএনপি সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীসহ ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের শ্রীকোল বাজারের আরএফএলের শোরুম থেকে তাদের আটক করা হয়। ‎আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সাদুল্লাপুর […]

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার জুয়ার আসর থেকে বিএনপি নেতাসহ আটক ৯

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার জুয়ার আসর থেকে বিএনপি নেতাসহ আটক ৯

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪১

পাবনার আতাইকুলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির পাভেলের শোরুমে জুয়ার আসর থেকে বিএনপি সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীসহ ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।


এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের শ্রীকোল বাজারের আরএফএলের শোরুম থেকে তাদের আটক করা হয়।

‎আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের চোমরপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ও ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রউফ (৪৫), শ্রীকোল গ্রামের দিলবার হোসেনের ছেলে খাজা হোসেন (৪০), লোহাগড়া গ্রামের তালেব মোল্লার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৯), ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল কাফির ছেলে জনি (৪০), চোমরপুর গ্রামের জামাল মাস্টারের ছেলে লালন হোসেন (৩৮), জাবেদ আলীর ছেলে হাশেম আলী (৪০), শ্রীকোল গ্রামের আহমেদ মুন্সির ছেলে জলিল মুন্সী (৪২), শ্রীকোল বেলতলা গ্রামের আজিবর ইসলামের ছেলে আমিরুল ইসলাম (৪০), শ্রীকোল দিয়ারপাড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিন শেখের ছেলে আব্দুল মজিদ (এনজিও) (৪২)।

‎এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রউফ পাবনা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সাবেক বিএনপি নেতা কামরুল হাসান মিন্টুর সঙ্গে বিএনপির রাজনীতি করতেন। এরপর মিন্টু আওয়ামী লীগে যোগ দেন। গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তিনি এলাকায় এসে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর দোয়া চেয়ে বিভিন্ন পোগ্রাম ও বিলবোর্ড টানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের শ্রীকোল বাজারের পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির পাভেলের আরএফএলের শোরুমে বিএনপি সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রউফসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত লোকজন দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আসর বসিয়ে আসছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আতাইকুলা থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদেকে আটক করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়েও যায় অনেকে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি স্পটে সারারাত ধরে জুয়ার আসর বসানো হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে ‎স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা টাকার বিনিময়ে ওই অফিস জুয়ারুদের কাছে ভাড়া দিয়ে থাকেন। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জুয়ার খেলা চলে। এলাকায় গরু চুরি থেকে শুরু করে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে একটি চক্র। কয়েকটি স্পটে সারারাত ধরে কয়েকমাস ধরে জুয়া খেলা হলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে না।

‎তারা আরও বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টে হাসিনা সরকারের পতন হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মামলা মোকদ্দমায় জর্জরিত হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সমন্বয়ক ভাগ্নের আশীর্বাদে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পাভেল। সেই সময় সালিশ দরবার ও চাঁদাবাজি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। এসব নেতা কোনো মামলার শিকার হোন নি। এলাকায় পূর্বের মতোই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছে। জুয়ার ব্যাপক সয়লাব করেছে। পুলিশ এদেরকে গ্রেপ্তার করছে না।

‎আতাইকুলা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম হাবিবুল আওয়াল এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আটক ৯ জনকে শুক্রবার দুপুরে মামলার মাধ্যমে পাবনা কোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছি।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।