বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শেরপুরে রহস্যময় আগন্তুকদের আনাগোনা! আতঙ্ক ও ষড়যন্ত্রের শঙ্কা জনমনে

সেলিম রেজা, (বগুড়া) শেরপুর: সৌহার্দ্য সম্প্রীতি আর শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত বগুড়ার শেরপুর উপজেলা। সম্প্রতি এই উপজেলায় অপরিচিত ও রহস্যময় ব্যক্তিদের আনাগোনা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। বিষয়টি পৌর শহর থেকে গ্রামীণ জনপদে অজানা আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। দিনেরাতে বিভিন্ন বয়সী অচেনা মুখের আনাগোনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ আগস্ট ২০২৫, ১৭:৩২

সেলিম রেজা, (বগুড়া) শেরপুর:

সৌহার্দ্য সম্প্রীতি আর শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত বগুড়ার শেরপুর উপজেলা। সম্প্রতি এই উপজেলায় অপরিচিত ও রহস্যময় ব্যক্তিদের আনাগোনা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। বিষয়টি পৌর শহর থেকে গ্রামীণ জনপদে অজানা আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

দিনেরাতে বিভিন্ন বয়সী অচেনা মুখের আনাগোনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবুও এই পরিস্থিতিকে সম্ভাব্য বিপদের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন অনেকে। এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে এই উদ্বেগের বাস্তব চিত্র পাওয়া গেছে।

পৌর শহরের বৈকাল বাজারের একজন চায়ের দোকানদার (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক), জানান, “গত বেশ কিছুদিন ধরে সন্ধ্যার পর কিছু অপরিচিত যুবককে তার দোকানের আশেপাশে মোটরবাইকে করে ঘুরতে দেখতে পাচ্ছে।

তারা নিজেদের মধ্যে নিচু স্বরে কথা বলে এবং আচমকা এসেই আবার দ্রুত চলে যায়। তাদের এই আচরণ খুবই সন্দেহজনক বলে তিনি জানান।

শাহবন্দেগী ইউনিয়নের সিএনজিচালক আশরাফ আলী জানান, “তিনি ভবানীপুর, রানীর হাট, চান্দাইকোনা রোডে সিএনজি চালান। প্রায়ই অনেক অচেনা যাত্রী ওঠেন, যারা গ্রামের বিভিন্ন নির্জন এলাকায় নেমে যান। যদিও তাদের আচরণে সন্দেহজনক কিছু সরাসরি চোখে পড়েনি।

অটোরিকশা চালক আমজাদ হোসেন বলেন, তিনি প্রায়ই অপরিচিত যাত্রী পায়, তবে তাদের সাথে সাধারণত একজন স্থানীয় লোক থাকে।

কিন্তু গত সপ্তাহে এক গভীর রাতে বাসস্ট্যান্ড থেকে বাক্স ও ব্যাগসহ দুই নারী ও দুই পুরুষকে দুটি রিকশায় করে উপশহরে নামিয়ে দিয়ে আসেন। তাদের আগে কখনো শেরপুরে দেখেনি। পুরো বিষয়টি তার কাছে বেশ সন্দেহজনক মনে হয়েছে।”

অটোরিকশা চালক দুলাল জানান, সে এখানকারই মানুষ। ইদানীং বিকেল হলেই বাসস্ট্যান্ড ও বাজারে এমন অনেক নতুন মুখ দেখে, যা আগে কখনো দেখেনি। তারা রিকশায় উঠে বিভিন্ন আবাসিক এলাকার বাসার সামনে নেমে যায়।”

আরেক অটোরিকশা চালক শাহআলী, যিনি রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত অটো চালান। তিনি জানান, “বেশিরভাগ অচেনা যাত্রীরা বাসস্ট্যান্ড ও ধুনটমোড় থেকে ওঠেন। তাদের আঞ্চলিক ভাষা শুনে সহজেই বুঝতে পারি, তারা শেরপুরের বাইরের লোক।”

এদিকে, এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও। তাদের মধ্যে এমন কথাও প্রচলিত আছে, বিগত বছরগুলোতে যারা অবৈধভাবে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছে, তারাই এই অচেনা ব্যক্তিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

তবে কারণ যাই হোক, শেরপুরের শান্তি-শৃঙ্খলা যেন বিনষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করতে কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানিছেন তারা।

শেরপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মুস্তাফিস নাসিম বলেন, “বহিরাগত লোক যদি থাকে সেইটা প্রশাসনের দেখা উচিৎ, কারন শেরপুরে যদি কোনো অপরিচিত লোকজন থাকে এবং তারা কোনো অপকর্ম করলে সেইটা শেরপুরের লোকজনের ওপর বর্তাবে। অন্য কোথাও অকারেন্স করে এসে শেরপুরে বসবাস করবে এইটা কাম্য নয়।”

শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা জানে আলম খোকা, সম্প্রতি শেরুয়া বটতলা এলাকা থেকে আলাদীন নামে এক ছেলেকে হাত-পা বেঁধে তুলে নেওয়ার ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “শেরপুরের শান্ত পরিবেশকে কেউ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

 তিনি এলাকাবাসীকে আত্মীয়-স্বজন ব্যতীত কোনো অপরিচিত ব্যক্তিকে আশ্রয় না দেওয়া এবং প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবলু বলেন,“বহিরাগত লোক বা অপরিচিত মুখের আনাগোনা আমার চোখে পড়ে নাই। তবে বিষয়টি অবগত হয়েছি।

বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশ প্রশাসনকে তাদের নজরদারী বাড়ানোর জন্য আমি বলবো। সেক্ষেত্রে আমাদের সকল দল-মত নির্বিশেষে সজাগ থাকার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে করে কোন অপশক্তি আমাদের শেরপুরের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে না পারে।”

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি),এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, “বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে দেখছি। পুরো উপজেলায় গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।

যেকোনো ধরনের নাশকতা মোকাবেলায় শেরপুর থানা পুলিশ প্রস্তুত আছে। আমরা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আশ্বস্ত করছি। তবে সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে সাথে সাথে পুলিশকে জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।”

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।