শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শান্তিপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, বাড়িঘরে লুটপাট

মেহেদী হাসান মেহের: ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে দুগ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই গ্রুপের কয়েকশ দাঙ্গাবাজ টেঁটা, রামদা, ঢাল, সুরকি, ইট, পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এই দুই গ্রুপের এক গ্রুপ শিবু সরকার ও […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৩:১১

মেহেদী হাসান মেহের: ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে দুগ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই গ্রুপের কয়েকশ দাঙ্গাবাজ টেঁটা, রামদা, ঢাল, সুরকি, ইট, পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এই দুই গ্রুপের এক গ্রুপ শিবু সরকার ও আরেক গ্রুপ আজগর আলী সরকার গ্রুপ নামে পরিচিত। এই দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় ২৫ জন আহত হয়েছেন ও অনেকের বাড়িতে ভাঙচুরও হয়েছে।

আহতদের মধ্যে ১১ জন টেটাবিদ্ধ হয়েছেন। আহতরা হলেন- মোশারফ হোসেন, মোবারক হোসেন, আলমগীর হোসেন, কামাল মিয়া, নজরুল ইসলাম, সুরুজ মিয়া, রফিক মিয়া, খলিল মিয়া, শহীদ মিয়া, হানিফ মিয়া, আবদু মিয়া, তাজু মিয়া, হালিমা বেগম, শাহিন মিয়া, ময়না বেগম, হালিমা বেগম, নজরুল ইসলাম, বিপ্লব মিয়া, মাসুদ মিয়া, রহমতউল্লাহ, শাহিন মিয়া, ধন মিয়া, আহসানুল্লাহ, জামাল মিয়া ও আসাদ মিয়া। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ও  ঢাকা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এলাকার সাবেক মেম্বার শামিম – ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান। জানা গেছে, মামলা ও ৭ পুলিশের ভয়ে অনেকেই  স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন, তবে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি – হয়নি কেউ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনারামপুর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামের শেবু সরকারের বাড়ির সঙ্গে আজগর আলী সরকার বাড়ির মধ্যে প্রায় ৫০ বছর ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধীতা চলছে। সপ্তাহখানেক আগে শিবু সরকার বাড়ির সাব্বির হোসেনকে মারধর করে আজগর আলী বাড়ির লোকজন। ওই ঘটনায় সাব্বিরের বাবা মঙ্গল মিয়া বাদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় মামলা করেন।

গত রবিবার পুলিশ মামলার আসামি হোসেন ও হাশেমকে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় আজগর আলী সরকার বাড়ির লোকজন শেবু সরকার বাড়ির মন্টু মিয়া ও শাহজান মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করে। এ নিয়ে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। গত সোমবার রাতে আবারও দুই দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় ১১ জন টেটাবিদ্ধসহ ২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ এ ব্যাপারে শেবু সরকার বাড়ির রফিক মিয়া বলেন, গত রবিবার পুলিশ আসামি হাশেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করলে ছোট শেকু, ইসলাম, ছোট্ট মন্টু মিয়া শাহজান মিয়ার বাড়িতে হামলা করে তাদের মারধর করে এবং আমাদের গ্রাম থেকে বের করে দেয়। সোমবার আমরা গ্রামে এলে আবার তারা হামলা করে আমাদের ওপর।

আজগর আলী সরকার বাড়ির ইসমাইল হোসেন বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মিয়া মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন আমাদের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে ও টেটাবিদ্ধ করে আহত করে অনেক কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায়। আমাদের ২০ থেকে ৩০ জন আহত হন; যাদের বেশিরভাগই টেটাবিদ্ধ।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয়েছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।