বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধর্ষণের অভিযোগে আটক শিক্ষককে আদালতে নেয়ার সময় গণপিটুনি

ঠাকুরগাঁওয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোজাম্মেল হক মানিককে আদালতে তোলার সময় উত্তেজিত ছাত্র-জনতার গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। রোববার (৯ মার্চ) সকালে পুলিশের পাহারায় আদালতে হাজির করার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জনরোষ চরম আকার ধারণ করে, শিক্ষার্থীরা ও স্থানীয়রা চিৎকার করে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির […]

ধর্ষণের অভিযোগে আটক শিক্ষককে আদালতে নেয়ার সময় গণপিটুনি

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৯ মার্চ ২০২৫, ১৭:৩৮

ঠাকুরগাঁওয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোজাম্মেল হক মানিককে আদালতে তোলার সময় উত্তেজিত ছাত্র-জনতার গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। রোববার (৯ মার্চ) সকালে পুলিশের পাহারায় আদালতে হাজির করার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জনরোষ চরম আকার ধারণ করে, শিক্ষার্থীরা ও স্থানীয়রা চিৎকার করে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মানিককে পুনরায় কোর্ট হাজতে পাঠায়।

এ ঘটনার পর থেকেই শহরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে শহরের চৌরাস্তা মোড়ে এক বিশাল প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, মানবাধিকারকর্মী এবং সাধারণ জনতা অংশ নেন। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষক নামের কলঙ্ক মোজাম্মেল হকের মতো বিকৃত মানসিকতার লোকদের সমাজে স্থান নেই। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান।

প্রতিবাদ সভা শেষে হাজারো মানুষ একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা জজ কোর্ট চত্বরে গিয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে একাধিক শ্লোগান দেয় এবং প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে চিৎকার করে বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হবে নিরাপদ, ধর্ষকদের জন্য হবে ফাঁসি!”

উল্লেখ্য, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে গতকাল শনিবার সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ কচুবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও সহকারী শিক্ষক মোজাম্মেল হক মানিক তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন। প্রতিদিনের মতোই এক শিক্ষার্থী তার কাছে পড়তে যায়। কিন্তু সুযোগ বুঝে শিক্ষক নামধারী এই ব্যক্তি ভয় দেখিয়ে শিশুটির সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে এবং ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণের পর মানিক শিক্ষার্থীকে চুপ থাকার জন্য ভয় দেখায় এবং হুমকি দেয়। কিন্তু শিশুটি প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবার ঘটনাটি জানতে পারে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি পুরো ঘটনা তার পরিবারের কাছে খুলে বলে। পরে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

বিকেলে পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। তবে জনরোষ এতটাই তীব্র ছিল যে, পুলিশ তাকে আদালতে নেওয়ার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খায়। স্থানীয়রা বলছেন, এ ধরনের অপরাধীরা বারবার ছাড় পেয়ে যায়, তাই এবার তারা চাইছেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করা হোক।

এদিকে, ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের আওতায় আনা হবে।”

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন ঘটনা শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, সারা দেশেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও শিশুদের সুরক্ষার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে, ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তাই অভিভাবক, সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো চাইছে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হোক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্যাতনবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করা হোক।

এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর ঠাকুরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো রাস্তায় নেমে এসেছে এবং এই অপরাধের উপযুক্ত বিচার না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে। প্রশাসন ও সরকারের প্রতি তাদের দাবি একটাই— ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হোক নিরাপদ আশ্রয়, যেখানে কোনো শিক্ষার্থী ভয়ভীতির মধ্যে থাকবে না।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।