বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শুভ্র

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপরাধীর হামলার শিকার মানবাধিকার কর্মী, সংবাদ কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র।  এবিষয়ে শুভ্র বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন ও কতোয়ালী মডেল থানায় সাধারন ডায়রি করা হয়েছে। যার ডকেট নাম্বার ৯৭০৬ (জেলা প্রশাসক) ৪৩২৮/এম, সাধারণ ডারেরি নং- ১৯১০ (২৭/০৪/২৪) মওদুদ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:৫৩

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপরাধীর হামলার শিকার মানবাধিকার কর্মী, সংবাদ কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। 

এবিষয়ে শুভ্র বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন ও কতোয়ালী মডেল থানায় সাধারন ডায়রি করা হয়েছে। যার ডকেট নাম্বার ৯৭০৬ (জেলা প্রশাসক) ৪৩২৮/এম, সাধারণ ডারেরি নং- ১৯১০ (২৭/০৪/২৪)

মওদুদ শুভ্র সঙবাদ মাধ্যমকে জানায় ও সাধারন ডায়রিতে উল্লেখ করে, আমি  মওদুদ আবদুল্লাহ প্রঃ শুভ থানায় হাজির হইয়া অজ্ঞাতনামা নারী-পুরুষ সিন্ডিকেটের কুচক্রী মহল, বিভিন্ন প্রশাসনের নামধারী বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে আমার ক্ষতি করে আসছে, আমার পিতা আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (৭৬), ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা পিটিআই  ও হালিমা বানু (৭৪) দুজনেই স্বনামধন্য সরকারি বিদ্যালয়ের  অবসর প্রাপ্ত শিক্ষিক। আমি পেশায় একজন শিক্ষানবিশ আইজীবি কুমিল্লা জজকোর্ট, এবং আধাঁরের প্রাচীরে আলোর সন্ধ্যানে সত্যের নিরিক্ষে মাসিক মানবাধিকার খবর (জাতীয়) পত্রিকার ব্যুরো চীফ (কুমিল্লা), দৈনিক অনলাইন বাংলা নিউজ পত্রিকার  সম্পাদক ও প্রকাশক। 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট, সেন্ট্রাল জোন কুমিল্লা। প্রতিষ্ঠাতা, আইন পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র সেলিসিটর ফার্ম/আইন উপদেষ্টা ফার্ম) এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের  কুমিল্লা জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে  দায়িত্বে আছি। ইহা ছাড়াও আমি বিগত দিন থেকে বিভিন্ন সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল লোক হিসেবে একান্ত সততা ও দৃঢ়তার সাথে খুবই নীবিড়ভাবে দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছি। আমি আমার নিয়মিত পেশাগত জীবনে যথারীতি সামাজিক সালিশ-বিচার কর্মকান্ডের সাথেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ্যভাবে সম্পৃক্ত আছি।

এরই ধারাবাহিকতায় বিগত কয়েক বছর ধরে আমার পেশাগত কর্মকাণ্ডের উপরে উল্লেখিত অজ্ঞাতনামা বিবাদীগণ পরিকল্পিতভাবে হিংসাত্মক অসৎ উদ্দেশ্যে আমার নিয়মিত কাজে বাঁধা বিঘ্ন ঘটানোসহ আমার জান মালের ক্ষয়-ক্ষতির অপচেষ্টা সর্বদা করিয়া আসিতেছে। উক্ত অপশক্তি, কৌশলী ও কু-চক্রি মহল পরোক্ষ্যভাবে আমাকে আমার শান্তি প্রিয় জীবন যাপনে অশান্তি ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিয়া আমার নাগরিক অধিকার হনন করে আসছে। 

এমতবস্থায়, এরই জের ধরে ১ম ঘটনার তারিখ ও সময়ে ১ম ঘটনাস্থলে অজ্ঞাতনামা ১জন পুরুষ নীল রংয়ের ১টি  প্রোবক্স গাড়ি থেকে নেমে আমার কাছে প্রমাসনের বিশেষ শাখার পরিচয় দিলে আমার সন্দেহ হলে নিকটস্থ থানার কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করি এবং তার পরিচয় জানতে চাইলে সে উত্তর নাদিয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।  

এবং অপর একটি ঘটনার সময় ২টি মোটরসাইকেল যোগে অজ্ঞাতনামা মোট ৩জন এবং পিছনে রিক্সায় কালো বোরকা পরিহিত ১জন মহিলা বিবাদী আমার নিকট নিজেদেরকে ঢাকাস্থ সরকারী বিশেষ গোয়েন্দা প্রশাসনের লোক মর্মে পরিচয় দেয় এবং আমাকে সহায়তার আশ্বাস দেয়।

আমার ধারনা তার সবাই এক সিন্ডিকেটের সদস্য। যারা আমাকে ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতি নিয়ত ফলো করছে এবং আমাকে গুম খুনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।  

এই বিষয়ক কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার জি ডি ‘ র তদন্তের আয়ু এস আই খাজু  বলেন- মওদুদ শুভ্র মানবিক,সামাজিক ও সাংবাদিকতার পেশাগত কাজ নিয়ে জারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তা সত্যিই  নিন্দনীয়। এই বিষয়ক তদন্ত চলছে, আসামি সনাক্তকরণ করে অতি দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।