রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জের কৃষকের মাথায় হাত,বিক্রি হচ্ছে আলু পানির দরে

আক্কাছ আলী (মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি): আলু উৎপাদনে অন্যতম শীর্ষ জেলা মুন্সীগঞ্জ।এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে এই জেলার ৩৪ হাজার ৭৫৮ হেক্টর জমিতে এর চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় সাড় ১০ লাখ মেট্রিক টন।মানুষের যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই দিগন্তজুড়ে শুধু আলুর আবাদ। দেখে মনে হয় সবুজের গালিচা। তবে মুন্সীগঞ্জে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। কৃষি বিপণন […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৯:৩২

আক্কাছ আলী (মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি):

আলু উৎপাদনে অন্যতম শীর্ষ জেলা মুন্সীগঞ্জ।এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে এই জেলার ৩৪ হাজার ৭৫৮ হেক্টর জমিতে এর চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় সাড় ১০ লাখ মেট্রিক টন।মানুষের যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই দিগন্তজুড়ে শুধু আলুর আবাদ। দেখে মনে হয় সবুজের গালিচা।

তবে মুন্সীগঞ্জে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। কৃষি বিপণন আইন অনুযায়ী কৃষিপণ্যে সরকার থেকে মূল্য সহায়তার সুযোগ থাকলেও বাস্তবে এর বাস্তবায়ন নেই। এতে বেকায়দায় পড়ছেন কৃষকরা। ফলে তাদের ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের দাবি, অবিলম্বে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হোক।

জমিতে সেচন দেয়া, কীটনাশক স্প্রে ও আগাছা পরিষ্কার নানা কাজে কৃষকের ভীষণ ব্যস্ততা এখন। একই সঙ্গে জমি থেকে তোলা হচ্ছে আগাম জাতের আলু। এদিকে এই আলু নিয়ে মধ্যসত্ত্বভোগীদের আগ্রাসন ঠেকাতে ১২০ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। হিমাগার ব্যবস্থাপনাও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।কিন্তু টাকার অভাবে সংরক্ষণ না করতে পারছেন না কৃষকরা। ফলে অনেকটা পানির দামে জমি থেকেই বিক্রি করতে হচ্ছে আলু। এবার বীজ ও সারের চড়া দরের কারণে বেড়েছে উৎপাদন খরচ। ভাল দাম না পাওয়ায় মাথায় হাত কৃষকের।

কৃষকরা জানান ৭০০ টাকা কেজি দরে বাক্স আলু রোপণ করে এখন পানির দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। টাকার অভাবে আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করতে পারছে না কৃষক। এই সুযোগ নিচ্ছে এক শ্রেণির মজুদদার।বর্তমানে খুচরা বাজারে ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। আর জমিতে ১২ থেকে ১৩ টাকা। কৃষকের অভিযোগ, এ সুযোগে মধ্যসত্ত্বভোগীরা সস্তায় আলু কিনে হিমাগারে রেখে চড়া দরে বিক্রি করবে।

 গেল মৌসুমে সংরক্ষণ করা আলুর দর ওঠে ৮০-৯০ টাকা পর্যন্ত। কৃষি বিভাগ বলছে, মধ্যসত্ত্বভোগীদের এই আগ্রাসন ঠেকাতে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ১২০ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষক এনআইডি দিয়ে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করতে পারবে।

তবে কোন ব্যবসায়ীকে আলু সংরক্ষণ করতে হলে লাইসেন্স লাগবে। সংরক্ষণ দলিল হাত বদলের ব্যাপারে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। মুন্সীগঞ্জে ৬৪ হিমাগের মধ্যে সচল ৫৮ হিমাগারের ধারণ ক্ষমতা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন।

জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সামির হোসেন সিয়াম বলেন , ‘জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে মার্চের ৩১ তারিখ পর্যন্ত এই তিন মাসের মধ্যে আমাদের টার্গেট হচ্ছে, সব হিমাগারকে একটা ডাটাবেজের আওতায় নিয়ে আসা। ডাটাবেজ বলতে তাদের তথ্যটা যেমন আজকে কতটুকু আলু খালাস করছে, তার সঠিক তথ্যটা যাতে আমরা পাই।’

 তিনি বলেন, ‘এজন্য আমরা হোয়াটসঅ্যাপে একটা গ্রুপ খুলব। যা প্রতিদিনের তথ্যটা আমাদেরকে দিবে। কারণ আপনারা জানেন মুন্সীগঞ্জ কিন্তু একক জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি হিমাগার রয়েছে। প্রায় ৬৪টি। এতগুলো হিমাগারে প্রতিদিন যাওয়া সম্ভব না। তবে তারা যদি প্রতিদিন তথ্যটা দেয় তাহলে সহজ হবে। এটা আমাদের প্রথম উদ্যোগ। হিমাগারের মালিকের যে প্রতিনিধি আসবে তাদেরকে আমরা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করে নেব এবং তাদের লাইসেন্স নিশ্চিত করা হবে।

এই কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় কাজ হচ্ছে কোল্ডস্টোরেজের মালিকদের সহায়তায় কোন কোন ব্যবসায়ী কোল্ডস্টোরেজে ব্যবসা করেন তাদের একটা তালিকা করা। তালিকা করার পর আমাদের কাজ হবে ব্যবসায়ীদেরকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা।’

 তিনি বলেন, ‘মুন্সীগঞ্জে কোনো কোল্ডস্টোরেজের ব্যবসায়ীই কৃষি বিপণন অধিদফতর থেকে কোন লাইসেন্স করেনি। এতে সরকার কোন রাজস্ব পাচ্ছে না। রাজস্ব যাতে সংগ্রহ করা যায় আমরা তাদের লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসব। আমরা নিশ্চিত করব কোল্ডস্টোরে যে লাইসেন্স ছাড়া যাতে কেউ আলু না রাখতে পারে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, ‘আলু উৎপাদনে মুন্সীগঞ্জ শীর্ষ একটি জেলা। এ জেলায় গত বছরের চেয়েও এ বছর ৪০০ হেক্টরে বেশি আলুর রোপণ করা হয়েছে। আর কিছুদিনের মধ্যে আলু উত্তোলনের ভরা মৌসুমে শুরু হবে। এখন পর্যন্ত ফসলের অবস্থা ভালো। পোকামাকড় রোগবালাইয়ের আক্রমণ এখন পর্যন্ত সেভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘আলুর বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য আমরা কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যার মধ্যে বীজ আলু ও খাবার আলু আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে বলেছি। আলুর বাজারমূল্য ঠিক রাখার জন্য যাতে সরকারিভাবে আলু ক্রয় করা যায়, সে বিষয়ে আমরা প্রস্তাবনা দিয়েছি।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।