শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মসজিদের মিনারের টাকা দিয়ে জ্যাকব টাওয়ার বানান সাবেক এমপি

ভোলার চরফ্যাসনের আলোচিত ‘জ্যাকব টাওয়ার’ নিয়ে সমালোচনা থামছেই না। মসজিদের মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা পরিবর্তন করে বিশাল টাওয়ার নির্মাণ এবং তা তৎকালীন সংসদ সদস্যের নামে নামকরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ রয়েছে, টাওয়ার থেকে আয়ের ২৫ শতাংশ মসজিদের জন্য দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তাছাড়া, নির্মাণ ব্যয়ের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।২০১৮ সালের […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ জানুয়ারী ২০২৫, ১৫:২৯

ভোলার চরফ্যাসনের আলোচিত ‘জ্যাকব টাওয়ার’ নিয়ে সমালোচনা থামছেই না। মসজিদের মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা পরিবর্তন করে বিশাল টাওয়ার নির্মাণ এবং তা তৎকালীন সংসদ সদস্যের নামে নামকরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী।

অভিযোগ রয়েছে, টাওয়ার থেকে আয়ের ২৫ শতাংশ মসজিদের জন্য দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তাছাড়া, নির্মাণ ব্যয়ের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সুউচ্চ টাওয়ার হিসেবে জ্যাকব টাওয়ার উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এটি ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে ভোলার সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, এমপিসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিকভাবে ২০১৩ সালে চরফ্যাসনের খাসমহল জামে মসজিদের একটি মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। সৌদি আরবের মক্কার শায়েখ আল্লামা আবদুল হাফিজ মক্কী ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
সৌদি সরকারের তহবিল এবং জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড থেকে অর্থায়নের মাধ্যমে ২০১৫ সালের মধ্যে মিনারের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল।


তৎকালীন সংসদ সদস্য ও বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব মসজিদের মিনারের পরিবর্তে সেখানে টাওয়ার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। পৌরসভার তহবিল থেকে অতিরিক্ত ২০ কোটি টাকা খরচ করে ২২৫ ফুট উচ্চতার জ্যাকব টাওয়ার নির্মাণ করা হয়।
পরে মসজিদ কমিটির কাছ থেকে একটি রেজুলেশন করিয়ে প্রভাব খাটিয়ে টাওয়ার নির্মাণের বৈধতা দেয়া হয়।

রেজুলেশন অনুযায়ী, টাওয়ার থেকে আয়ের ২৫ শতাংশ মসজিদের জন্য বরাদ্দ করার কথা থাকলেও সেটি দেয়া হয়নি। মসজিদের মুসল্লিরা অভিযোগ করেন, টাওয়ার নির্মাণের আড়ালে সরকারি অর্থ লুটপাট এবং আত্মসাৎ করা হয়েছে।

টাওয়ারটির পরিবর্তে মসজিদের মিনার হিসেবে ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন মুসল্লি রফিকুল ইসলাম, মো. ছাদেক, ইউনুছ আলীসহ অনেকেই। এছাড়া টাওয়ারটি মসজিদের প্রবেশপথে অবস্থিত হওয়ায় মুসল্লিদের পবিত্রতা ও সুবিধা বিবেচনার কথাও উল্লেখ করেন তারা।

সরকার পরিবর্তনের পর গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় টাওয়ারের উদ্বোধনী ফলক ভেঙে ফেলেন বিক্ষুব্ধ মানুষ। পরে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে এর নাম পরিবর্তন করে ‘চরফ্যাসন টাওয়ার’ রাখা হয়।
তবে টাওয়ারটির আয়-ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে বর্তমান পৌরকর্তৃপক্ষ।
চরফ্যাসন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শামিম হাসান জানান, আগের অনিয়ম দূর করে এখন নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনার চেষ্টা চলছে।

বরিশাল বিভাগের কমিশনার মো. রায়হান কাওছার বলেন, ‘এটি মূলত দুই প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি- মসজিদ ও পৌরসভা। মসজিদকে আয়ের একটি অংশ দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ভবিষ্যতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিসি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
আয়ের নির্দিষ্ট অংশ মসজিদের জন্য আলাদা অ্যাকাউন্টে জমা দেয়া হবে।’

তুমুল সমালোচনার পরও জ্যাকব টাওয়ার শীত মৌসুমে প্রতিদিন সহস্রাধিক দেশি-বিদেশি পর্যটককে আকর্ষণ করে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।