মোঃ রবিউল আলম (কুমিল্লা প্রতিনিধি):
কুমিল্লার তিতাসে মাটি কাটতে বাঁধা দেওয়ায় গৃহবধূর শ্লীলতাহানি ও মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে এক প্রতিবেশী।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১ টায় তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বলরামপুর বড় বাড়িতে।
সরেজমিন ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তারু মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া রিপন মিয়ার জায়গা থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছিল। এমতাবস্থায় রিপন মিয়ার স্ত্রী আয়েশা বেগম বাঁধা দেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সুরুজ মিয়ার ছেলে হৃদয়, মেয়ে হোসনেয়ারা বেগম, স্ত্রী জোসনা বেগম ও সুরুজ মিয়া নিজে লোহার রড, দা, লাঠি-সোঁটা নিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে এবং জামা কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি করে। পরে এই অবস্থা দেখে আয়েশার স্বামী রিপন মিয়া ও তাহার খালা হাসিনা তাকে বাঁচাতে আসলে তাদের উপরও চড়াও হয় এবং তাদেরকেও মারধর করে।
মারাত্মক জখমী আয়েশাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও বাঁধা দেয় হৃদয় ও তার পরিবার। এবিষয়ে রিপন মিয়া বলেন, আমার জায়গা থেকে মাটি কাটতে বাঁধা দেওয়ায় হৃদয় সহ তার পরিবার আমার স্ত্রী ও আমার উপর লাঠি-সোঁটা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে। আমার স্ত্রী এখন মারাত্মক আহত হয়ে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। এবিষয়ে অভিযুক্ত হৃদয় বলেন, আমি কয়েক কোদাল মাটি কাঁটছিলাম। হঠাৎ চাচি ও চাচা এসে কেন আমি কাঁটছি বলেই আমার গলা চেঁপে ধরে। আমার মাকে আঘাত করে। এটা দেখে আমার মাথা এলোমেলো হয়ে যায়। তখন আমি তাদেরকে আঘাত করি। এটা আমার ভুল হয়েছে। অন্যায় হয়েছে। এবিষয়ে তিতাস থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।