মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাঞ্ছারামপুরে ধাওয়া খেয়ে পালালো ভাইরাল সাধক

মেহেদী হাসান মেহের বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: এতেকাফে বসার ৮ দিন পর এলাকাবাসীর তোপের মুখে পালালেন সেই ভাইরাল সাধক। গত ২৫ ডিসেম্বর ২১ দিনের জন্য এতেকাফে বসার উদ্দেশ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে রওনা হয়ে পার্শ্ববর্তী আড়াইহাজার উপজেলার কদমির চরের নির্জন স্থানে চলে যান। তবে এতেকাফের ২১ দিন পূর্ণ না হতেই বাড়ি ফিরতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। স্থানীয়রা বলছেন কবিরাজী ব্যাবসার […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জানুয়ারী ২০২৫, ২২:২৬

মেহেদী হাসান মেহের বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

এতেকাফে বসার ৮ দিন পর এলাকাবাসীর তোপের মুখে পালালেন সেই ভাইরাল সাধক। গত ২৫ ডিসেম্বর ২১ দিনের জন্য এতেকাফে বসার উদ্দেশ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে রওনা হয়ে পার্শ্ববর্তী আড়াইহাজার উপজেলার কদমির চরের নির্জন স্থানে চলে যান। তবে এতেকাফের ২১ দিন পূর্ণ না হতেই বাড়ি ফিরতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। স্থানীয়রা বলছেন কবিরাজী ব্যাবসার প্রসার বাড়ানো এবং নিজেকে পীর হিসেবে জাহির করতে তিনি এই পন্থা অবলম্বন করেন।

তার এতেকাফে বসার আনুষ্ঠানিকতাও প্রচার করতে দাওয়াত করেন বিভিন্ন ইউটিউবারদের এমন অভিযোগও করেন তারা। তারই কর্মকান্ড ইউটিউব ও ফেসবুকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, কিছু দুস্কৃতকারী তার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করায় তিনি নির্জন স্থান ত্যাগ করে বাড়ি ফিরে আসেন। পুনরায় তারা ডাকলে তিনি আবার ওই গর্তে এতেকাফে বসবেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

১০ ফুট গভীর গর্ত খুড়ে সাধনায় বসা ওই সাধক আবদুল জলিলের মাস্টারের ছেলে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রেজভী।  তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের মায়ারামপুর গ্রামের দোয়ানী পাড়ার বাসিন্দা।

উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের মায়ারামপুর গ্রামের দোয়ানি পাড়ার বাসিন্দা মো: রফিকুল ইসলাম রেজভী। গত বুধবার (১ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় একলাকাবাসীর তোপের মুখে নির্জন চর থেকে গোপনে বাড়ি চলে আসে। বৃহস্পতিবার তার বাড়িতে গিয়ে তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়। তার দাবি এলাকাবাসী ও কদমীরচরের কিছু লোকজন চরে এসে তাকে চলে যেতে বলে।

পরে সে সেখান থেকে চলে এসেছে। জানা যায় এতেকাফে বসা অবস্থায় তিনি বাড়ি থেকে পাঠানো তার স্ত্রী রান্না করা খাবার খেতেন তিনি ও তার ছেলে। তার সাথে তার ছেলে চরে থাকতেন বলে তিনি জানান।

রেজভী ১৯৯৫ সালে এসএসসি পাশ করার পর প্রবাসে চলে যায়। ৮ বছর প্রবাসজীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে বাড়ির মোড়ে টং দোকানে দাওয়াখানা কবিরাজ ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তীতে সে বিদেশেও লোক পাঠানো শুরু করেন। এ নিয়েও রয়েছে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ। অনেকের টাকাও মেরে দিয়েছেন। বছরের পর বছর ঘুরিয়ে বিদেশে না পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় বাসিন্দা হাজী শহীদুল্লাহ নামের একজন বলেন, রফিকুল ইসলাম রেজভী তার ফকিরী ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নির্জনে গিয়ে কয়েকদিন থেকেই চলে এসেছে। যা ইসলামের সাংঘর্ষিক নয়। এলাকায় নানা বিতর্কে জন্ম দিয়েছে সে।

রফিকুল ইসলাম রেজবীর ছেলে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, কিছু লোক গিয়েছিল আমাদেরকে ডিস্টার্ব করার জন্য এবং চাঁদা দাবির জন্য। আমরা চাঁদা দিয়ে থাকতে চাই নাই, তাই চলে আসছি।

বিষয়ে রফিকুল ইসলাম রেজভীর বলেন, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় নির্জনে এতেকাফ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় এবং কদমের চর এলাকার লোকজনের চাপে চলে আসতে হয়েছে। আমার মা আমাকে নির্দেশ দিয়েছে বলেই চলে এসেছি না হলে আসতাম না। এখন কদমির চর এলাকার লোকজন চাচ্ছে আমি আবার ওইখানে এতেকাফে যাই। মা যদি আমাকে অনুমতি দেয় আমি আবার যাবো।

এ বিষয়ে মানিকপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, রেজভি একজন আদম ব্যবসায়ী। তার বাড়িতে অনেক মহিলারা আসে পানি পড়া জার ফোক নিতে। কিন্তু সে পীর এরকম কখনো শুনিনি। সে যেসব কার্যকলাপ শুরু করেছে এগুলো সমাজের বাহিরের কাজ সমাজ এটা গ্রহণ করে না। কিছু সংখ্যক লোক ব্যবসা করার জন্য এটাকে সমর্থন দিচ্ছে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।