শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাঞ্ছারামপুরে তিতাস নদীপথ বন্ধ করে মাছ শিকার

মেহেদী হাসান মেহের বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় তিতাস নদীপথ বন্ধ করে জালের বেড়া দিয়ে অবৈধভাবে প্রতি বছরই মাছ শিকার করছেন দেড় শতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি। প্রতি বছরই ডিসেম্বর মাস শুরু হলেই প্রকাশ্য এই শিকারের মহোৎসব শুরু হয়। গত এক মাসে তিতাস ও তিতাস মোহনার ঢোলভাঙ্গা নদীর প্রায় দুইশ’ স্থানে এ ঘের বা বেড়া দেওয়া হয়। […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জানুয়ারী ২০২৫, ১২:১২

মেহেদী হাসান মেহের বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় তিতাস নদীপথ বন্ধ করে জালের বেড়া দিয়ে অবৈধভাবে প্রতি বছরই মাছ শিকার করছেন দেড় শতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি। প্রতি বছরই ডিসেম্বর মাস শুরু হলেই প্রকাশ্য এই শিকারের মহোৎসব শুরু হয়। গত এক মাসে তিতাস ও তিতাস মোহনার ঢোলভাঙ্গা নদীর প্রায় দুইশ’ স্থানে এ ঘের বা বেড়া দেওয়া হয়।

 

এর ফলে নদী পথে লঞ্চ-ইঞ্জিন চালিত নৌকা চলাচলের উপর মারাত্বক ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মাঝে মধ্যে সেজন্য ঘটছে দূর্ঘটনা। এ ছাড়া মাছ হয়ে যাচ্ছে ব্যক্তিকেন্দ্রিক। যার ক্ষমতা আছে তিনিই জাল দিয়ে মাছের এই ভরা মৌসুমে ঘের দিয়ে মাছ আটকাচ্ছেন। ফলে, সাধারণ জেলেরা ফিরছেন খালি হাতে।

 

এ ছাড়া বছরের পর বছর ধরে নদীর বিভিন্ন স্থানে জালের বেড়া দিয়ে এক শ্রেণির লোকজন মাছ শিকার করলেও এসব ব্যাপারে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, তিতাস মোহনার বাঞ্ছারামপুর উপজেলাস্থ ঢোলভাঙ্গা নদীটি উপজেলার আসাদনগর, নিলখী, সাহেবনগর, ছলিমাবাদ, দুর্গারামপুর, বাঞ্ছারামপুর, জয়কালীপুর, জয়নগর, আকানগর, হাসন্নগর, মধ্যনগর, কালাইনগর, ঈমামনগর, ফরদাবাদ, পূর্বহাটি, চরলহনিয়া, ভুরভুরিয়া, পাইকারচর, উজানচর, বুধাইরকান্দি, রাধানগর, কালিকাপুরসহ অর্ধশত গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে গিয়ে পতিত হয়েছে। প্রায় ৪০ কিলোমিটার নদীর প্রায় দেড়শতাধিক স্থানে ভৈরবজালের বেড়া দিয়ে পোনাসহ ছোট-বড় সব মাছ শিকার করছেন এলাকার প্রভাবশালীরা। এতে নৌপথের বিঘ্ন ঘটিয়ে অবাধে পোনাসহ বড় মাছ শিকার করছেন তারা।

 

খোজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি বছরের ডিসেম্বর জানুয়ারি পর্যন্ত ২ মাস বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সময় নদীর বিভিন্ন স্থানে জালের বেড়া দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। নদীতে আড়াআড়িভাবে ২৫০-৩০০ ফুটের লম্বা জালের বেড়া দেওয়া হয়। এই জালের এক প্রান্তে ১৫-২০ ফুট দূরে দূরে বাঁশের মাচা গেড়ে লম্বা বাঁশ দিয়ে নদীর একেবারে নীচে জাল গুজে দেয়া হয়। প্রতিটি জালে ২০-২৫ শ্রমিক মাছ ধরার কাজ করেন। সাহেবনগর-আছাদনগর তিতাস নদীর মোড়ে সাহেবনগর গ্রামের পাশে মাতু মিয়ার এবং আছাদনগর গ্রামের পাশে জলিল মিয়ার জাল দুটি আড়াআড়িভাবে রয়েছে। এই মোড় এলাকা দিয়ে নৌকা চালানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। না থামিয়ে নৌকা চলাচল করতে পারে না।

 

প্রকৃত ও সাধারণ জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, মৎস্য আফা কেডায়, হেইডাই আমরা জানি না। তিনি তো আহেন না। নিলখী ও পাঠামারার মাছ টেহাওয়ালারা নেয় গা, হেইডা কি মেডাম দেহেন না?

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদা ইসলামকে দুদিন অফিসে যেয়ে না পেলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, আমাকে নবীনগরসহ বাঞ্ছারামপুর দুই উপজেলার দায়িত্ব পালন করতে হয়। দেখার সময় করে উঠতে পারিনা। তবে, নদীতে জালের বেড়া দিয়ে মাছ শিকার করা অবৈধ। এই বিষয়টি আমি জেনেছি। শ্রীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল মনসুর বলেন, নদীতে জালের বেড়া দিয়ে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না কোনোভাবেই। নদীতে নৌকা চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা অপরাধ। বিষয়টি মৎস্য কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিব।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।