কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশী দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। টয়লেট নির্মাণ, বর্জ্য নিষ্কাশন ও গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীনের দাবি, এর আগে একই জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে মারামারির ঘটনায় তাঁর একটি পা ভেঙে যায়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
ভুক্তভোগী মো. জয়নাল আবেদীন (পিতা: মৃত আব্দুর রব আকন) জানান, তাঁর প্রতিবেশী আমির হোসেন (পিতা: মৃত কুদ্দুস হাওলাদার) বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধপূর্ণ স্থানে টয়লেট নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও তর্ক-বিতর্কের ঘটনা ঘটেছে।
জয়নালের আরও অভিযোগ, টয়লেট নির্মাণের সময় তাঁর একটি ফলের গাছ ও বেড়া দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত একটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বাধার মুখে প্রথম স্থানে টয়লেট নির্মাণ করতে না পেরে পরবর্তী সময়ে সেটি তাঁর রান্নাঘর ও শোবার ঘরের পাশে নির্মাণ করা হয়।
এ ছাড়া প্রতিবেশী আমির হোসেনের গোয়ালঘরের বর্জ্য ভুক্তভোগী জয়নালের বাড়ির সীমানায় মাটি খুঁড়ে তৈরি করা গর্তে ফেলা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে এবং পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিকভাবে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার কথা বলেও সমাধান পাননি এবং ভুক্তভোগী জয়নাল ও তার পরিবার কে আমিনর হোসেন ও আনোয়ার গং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন জয়নাল।
সরেজমিনে অভিযুক্ত আমির হোসেনের ছেলে ইমরান হাওলাদার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সালিশি বৈঠক হয়েছে এবং মামলা চলমান রয়েছে। তবে মতবিরোধের কারণে সীমানা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।ফলে বিরোধপূর্ণ জমির সীমানা মিমাংসা না করে আমির হোসেন উক্ত জমিতে গাছ কর্তন করে টয়লেট নির্মাণ করেন যা চলমান আইনী প্রক্রিয়ার বা আদালত অবমাননার শামিল।
এ অবস্থায় জমির সীমানা বিরোধ নিরসন এবং বর্জ্যজনিত সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীন।
স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, বাড়ির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সালিশি বৈঠক হয়েছে। তবে উভয় পক্ষের মতবিরোধের কারণে সীমানা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে সমাধান এবং পরিবেশগত সমস্যার অবসানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জয়নালের পরিবার।