মোহাম্মদ তারেক , রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় মাদকের রমরমা ব্যবসা, সাধারণ মানুষকে হয়রানি, অর্থ আত্মসাৎ, ভয়ভীতি দেখিয়ে ইয়াবা দিয়ে অন্যকে পাষানোর চেষ্টা, নিজেই ডিলার আবার নিজেই সেবনকারী, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারসহ নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাদশা ফাহাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের কাশারি বাড়ির আক্কাস মিয়ার ছেলে ডাব বিক্রেতা ইয়াছিন মিয়াকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই বাদশা ফাহাদ। তারপর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পদ্মা বাজারে এনে ১ পিছ ইয়াবা দিয়ে জনসম্মুখে মারধোর করে ছেড়ে দেন তিনি।
ভূক্তভোগী ইয়াসিন জানান, এই বিশ হাজার টাকা আমার বোনের ছিল। সে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু জোরপূর্বক টাকাগুলো নিয়ে গিয়ে আমাকেও মাদক বিক্রেতা বানপূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের রশিদ ডাক্তার বাড়ির শফিকুল ইসলামের ছেলে শাওন জানান, এই বাদশা ফাহাদ কক্সবাজার যাওয়ার সময় আবদুল আজিজের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চায়। আজিজ টাকা দিতে অস্বীকার করায় তার উপর ক্ষেপে যায় ফাহাদ। তারপর আজিজকে পাষানোর জন্য মাদক সংশ্লিষ্ট ভিডিও খুঁজতে থাকে তারা।
সেখানেও ব্যর্থ হয়ে আমাকে ৬পিছ ইয়াবা দিয়ে আজিজকে আটকানোর চেষ্টা করেছে এই ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন জানান, ফাহাদ ও মোস্তফা তারা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলে, মাদকসেবিদের ধরে টাকা খেয়ে আবার ছেড়ে দেয়। এলাকায় তারা একটা রাজত্ব সৃষ্টি করতে চায়।
এগুলোর বিষয়ে কথা বললে ফাহাদ ও মোস্তফা আমাকে মারতে আসলে, আমার ভাতিজা মোস্তফার হাত থেকে লাঠি টান দিলে হাতের তালু থেকে কিছুটা রক্ত বের হয়। ফাহাদ সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ নিয়ে আসে এবং রাজনৈতিক ভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চঅভিযুক্ত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাদশা ফাহাদ এই বিষয়ে জানান,বাদশা ফাহাদ জানান, মাদকের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি কাউকে পাষাণোর চেষ্টা করিনি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। যদি এমন কোনো তথ্য প্রমাণ থাকে তবে আমি স্বেচ্ছায় দল থেকে পদত্যাগ করব।