মোঃ হাসনাইন আহমেদ, ভোলা
জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন ও মজুত নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
এই সময়ে অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ।
ভোলার ইলিশা থেকে চরপিয়াল (মেঘনা) এবং ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তম (তেঁতুলিয়া) পর্যন্ত এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
এ অভিযান সফল করতে জেলা মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জেলেদের নিয়ে সভা, লিফলেট বিতরণ, মাইকিংসহ সচেতনতামূলক প্রচার করা হয়েছে। এদিকে টানা দুই মাস নদীতে নিষেধাজ্ঞার খবরে জেলেদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
দুই মাস কর্মহীন থেকে কিভাবে সংসার চালাবেন আর কিভাবে এনজিওর ঋণ পরিশোধ করবেন তা নিয়ে চিন্তিত ভোলার সাত উপজেলার নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত তিন লক্ষাধিক জেলে।
জেলেদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই সরকারি সহায়তার ৪০ কেজি চালের পরিমাণ বাড়িয়ে চালের সঙ্গে ডাল-তেল ও আর্থিক সহায়তা দেওয়াসহ ঋণের কিস্তি বন্ধ রাখতে হবে।
জেলা মৎস্য কমকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হিসেবে ইলিশের নিষেধাজ্ঞা সময়ে নিবন্ধিত সকল জেলেদের মাঝে মাসে ৪০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া এনজিও কিস্তি বন্ধের বিষয়টি ও বিবেচনায় আছে৷