শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

আমার পাপের শাস্তি আমারে দেন, স্ত্রী নির্দোষ: সোহেল

ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় রায়ের জন্য আজ ধার্য রয়েছে। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন। গত ১৯ মে সকালে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার ঘরে পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যার শিকার হয় ছোট্ট এই শিশুটি। পরদিন ২০ […]

আমার পাপের শাস্তি আমারে দেন, স্ত্রী নির্দোষ: সোহেল

আমার পাপের শাস্তি আমারে দেন, স্ত্রী নির্দোষ: সোহেল

নিউজ ডেস্ক

০৭ জুন ২০২৬, ১০:৫১

ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় রায়ের জন্য আজ ধার্য রয়েছে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।

গত ১৯ মে সকালে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার ঘরে পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যার শিকার হয় ছোট্ট এই শিশুটি। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২ টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।

এরপর মাত্র ১৬ দিনের মধ্যে দেশজুড়ে আলোচিত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার শেষ ধাপ রায় ঘোষণার অপেক্ষা।

গত বুধবার (৩ জুন) এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি হয়। শুনানিতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। ওইদিন সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনে এ শুনানি শুরু হয়। এর আগে আসামি সোহেল ও তার স্ত্রীকে আদালতে তোলা হয়।

এসময় বিচারক সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান। এরপর আসামি সোহেলের কিছু বলার আছে কিনা জানতে চাইলে সোহেল আদালতকে বলেন, আমি নির্দোষ খালাস চাই। আমার একটা ছাওয়াল আছে আমাকে মাফ করে দেন স্যার। আমার সাথে ছিল ডলার। ওকে কেউ দেখে নাই স্যার। ওরে ধরেন স্যার। সেওতো দোষী। আমার পাপের শাস্তি আমারে দেন। আরেকটা কথা স্যার, আমার বউ কিছু করে নাই, সে নির্দোষ। এসময় বিচারক তাকে থামিয়ে বলেন আপনারটা আপনি বলেন। এরপর সোহেল নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এরপর স্বপ্নার বক্তব্য শুনতে চান আদালত। স্বপ্না আদালতকে জানান, আমি কিছু করিনি। এসময় আদালত তাকে উদেশ্য করে বলেন, দরজা কেন খুলেননি এর কোন ব্যাখ্যা দিতে চান কিনা। এসময় তাকে সতর্ক করে আদালত বলেন, আপনার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে শাস্তি তার হবে একই শাস্তি আপনারও হবে।এরপর স্বপ্না আবারও বলেন, স্যার আমি নির্দোষ, আমি কিছু করিনি।

যুক্তিতর্ক শুনানিতে ‘ডলার’ প্রসঙ্গ: ‘বিচারে বিভ্রান্তির অপচেষ্টা’

মামলার এজাহার ও তদন্ত প্রতিবেদনে কোথাও না থাকা নাম ‘ডলার’কে সামনে আনে আসামি সোহেল। গত ১ জুন এ মামলায় অভিযোগ গঠনের দিন ঘটনার সাথে ডলার নামে একজন জড়িত বলে দাবি করে সোহেল। ওইদিন অভিযোগ গঠন শুনানি শেষে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সোহেল উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, আমি ধর্ষণ করি নাই, শুধু লাশ কেটেছি। ধর্ষণ করেছে ডলার নামে একজন। আমি পাপ করেছি, আমাকে সেই পাপের শাস্তি দেন।

এসময় সোহেল আরও বলেন, মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে ডলার তাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেন। এরপর পুলিশ সদস্যরা তাকে থামিয়ে দেন। আসামি সোহেলকে কাঠগড়া থেকে নামিয়ে প্রিজন ভ্যানে নেওয়ার সময়েও এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষ ‘ডলার’ প্রসঙ্গকে বিচার বিভ্রান্তির অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে। গত ৪ জুন যুক্তি উপস্থাপন শুনানিতে বিশেষ প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ১৬৪ ধারার জবানবন্দি কিংবা তদন্তের কোনো পর্যায়েই ‘ডলার’ নামের কোনো ব্যক্তির উল্লেখ ছিল না। এ আসামি জবানবন্দিতে বলেনি ডলারের নাম।

এটা মূলত সে যখন অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে কারাগারে থেকেছেন, সেখান থেকে অন্যান্য আসামিদের কাছ থেকে এই বুদ্ধি-পরামর্শ পান। তবে একই সঙ্গে যেটা বলতে হয়, আল্লাহর পক্ষ থেকে আসামি সোহেল কিন্তু স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করে মাফ চেয়েছেন। বলা যায়, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে। তার মতে, বিচার প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে এসে এমন নাম উল্লেখ করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বিচার বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছেন আসামি সোহেল।

এ মামলায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নার সম্পৃক্তা সম্পর্কে পিপি দুলু আদালতে বলেন, সে (স্বপ্না) কিন্তু রামিসার এই অবস্থা দেখে বাইরে এসে চিৎকার করে জানাতে পারত। কিন্তু তিনি তা করেননি। শুধু সোহেলকে জানালা দিয়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন এমনটি না, পুরো ব্যাপারে স্বপ্না সেখানে অবস্থান করে সহায়তা করেছেন। তিনি যদি নিরপরাধ হতেন, তাহলে কাউকে না কাউকে জানাতেন।

রাজধানী

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। […]

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনের নবম তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে অভিযোগ। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রীকে নিয়ে কিছু পুরোনো ছবি সংযুক্ত করে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন সাইদুল। ওই পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, মানসিক কষ্ট এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তাহলে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় জরুরি সেবার সহায়তা নেওয়া উচিত।

রাজধানী

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:৪৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, শিশুটির নিখোঁজের এক ঘণ্টার মধ্যেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হত্যা করা হয় আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে। ৯৯৯ নম্বরে সংবাদ পেয়ে বেলা ১১টার পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবার নাম আবদুল হান্নান মোল্লা। তিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার উত্তর
পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করছে। শিশুটির লাশ পাওয়া যায় পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে।

রাজধানী

স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ‘পিচ্চি রাজা’

ঢাকার শীর্ষ মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘পিচ্চি রাজাকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দর এলাকায় ওত পেতে থাকা পুলিশ দল তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:২৪

ঢাকার শীর্ষ মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘পিচ্চি রাজাকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দর এলাকায় ওত পেতে থাকা পুলিশ দল তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা। তিনি জানান, কিছু সময় আগে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়া ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোহাম্মদপুর থানায় আনা হচ্ছে।

এডিসি জুয়েল রানা অভিযানের বিবরণ দিয়ে জানান, পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী এবং শ্যালক নেপাল থেকে বিমানে করে দেশে ফিরছেন—এমন একটি সুনির্দিষ্ট ও গোপন খবর আসে পুলিশের কাছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল আগে থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থান নেয়।

বিমান থেকে নামার পরপরই তাকে ও তার সহযোগীদের আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ২৫ থেকে ২৭টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, পিচ্চি রাজা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে বড় ধরনের মাদক সিন্ডিকেট ও কারবারের সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে ছিলেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরও তাকে একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। সে সময় তার আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। জামিনে বেরিয়ে আবারও অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়া এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের ফলে রাজধানীর মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় সাফল্য আসবে বলে মনে করছে পুলিশ।