মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মার্কিন বাজারে রপ্তানিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের তৈরি পোশাক

নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মার্কিন বাজারে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি।গত নভেম্বর পর্যন্ত নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে থাকলেও ২০২৪ সালের মোট হিসাবে বছর ব্যবধানে বাজারটিতে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় পৌনে এক শতাংশ। দেশটির বাজারে এ খাতে রপ্তানির শীর্ষে আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামএকক দেশ হিসেবে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা তৈরি […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১২:৩৮

নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মার্কিন বাজারে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি।
গত নভেম্বর পর্যন্ত নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে থাকলেও ২০২৪ সালের মোট হিসাবে বছর ব্যবধানে বাজারটিতে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় পৌনে এক শতাংশ।


দেশটির বাজারে এ খাতে রপ্তানির শীর্ষে আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা তৈরি পোশাকের প্রায় ২০ ভাগই যায় দেশটিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দফতরের অধীন অফিস অব টেক্সটাইলস ও অ্যাপারেল (অটেক্সা) প্রকাশিত সবশেষ হালনাগাদ মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, দেশটিতে গত বছর বাংলাদেশ থেকে গেছে ৭৩৪ কোটি ২৮ লাখ ৪৬ হাজার ১৯৬ ডলারের তৈরি পোশাক।


আগের বছরের তুলনায় যা পৌনে এক শতাংশ বেশি। অথচ ২০২২ সালের পর বাজারটিতে রপ্তানি কমেছিল ২৫ শতাংশের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গত বছর চীনা পোশাকের রপ্তানি আয়ও বেড়েছে।

২০২২ সালে ২ হাজার ১৭৮ কোটি ৯৮ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৩ ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রফতানির পর ২০২৩ সালে প্রায় ২৫ শতাংশ কমে নামে ১ হাজার ৬৩৭ কোটি ৭৪ লাখ ৬০ হাজার ২০৭ ডলারে। গত বছর আবার প্রায় দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৫০ কোটি ৭৪ লাখ ৬ হাজার ৭১৩ মার্কিন ডলারে।

মার্কিন বাজার দখলে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ভিয়েতনাম। ২০২৪ সালে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৭২ ডলারের তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে দেশটি। যা আগের বছরের তুলনায় ৫.৩২ শতাংশ বেশি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিকারক শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে গত বছর ভারতের পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ আর ১.৪০ শতাংশ বেড়েছে ইন্দোনেশিয়ার।

বানিজ্য

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে […]

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ১০:৫৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ০২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৬৪ মিলিয়ন ডলার। এতে মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এ ছাড়া শুধু ৭ থেকে ৯ মে—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ২৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজীকরণ এবং প্রবাসীদের আস্থা বাড়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।