বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মার্কিন বাজারে রপ্তানিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের তৈরি পোশাক

নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মার্কিন বাজারে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি।গত নভেম্বর পর্যন্ত নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে থাকলেও ২০২৪ সালের মোট হিসাবে বছর ব্যবধানে বাজারটিতে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় পৌনে এক শতাংশ। দেশটির বাজারে এ খাতে রপ্তানির শীর্ষে আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামএকক দেশ হিসেবে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা তৈরি […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১২:৩৮

নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মার্কিন বাজারে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি।
গত নভেম্বর পর্যন্ত নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে থাকলেও ২০২৪ সালের মোট হিসাবে বছর ব্যবধানে বাজারটিতে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় পৌনে এক শতাংশ।


দেশটির বাজারে এ খাতে রপ্তানির শীর্ষে আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা তৈরি পোশাকের প্রায় ২০ ভাগই যায় দেশটিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দফতরের অধীন অফিস অব টেক্সটাইলস ও অ্যাপারেল (অটেক্সা) প্রকাশিত সবশেষ হালনাগাদ মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, দেশটিতে গত বছর বাংলাদেশ থেকে গেছে ৭৩৪ কোটি ২৮ লাখ ৪৬ হাজার ১৯৬ ডলারের তৈরি পোশাক।


আগের বছরের তুলনায় যা পৌনে এক শতাংশ বেশি। অথচ ২০২২ সালের পর বাজারটিতে রপ্তানি কমেছিল ২৫ শতাংশের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গত বছর চীনা পোশাকের রপ্তানি আয়ও বেড়েছে।

২০২২ সালে ২ হাজার ১৭৮ কোটি ৯৮ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৩ ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রফতানির পর ২০২৩ সালে প্রায় ২৫ শতাংশ কমে নামে ১ হাজার ৬৩৭ কোটি ৭৪ লাখ ৬০ হাজার ২০৭ ডলারে। গত বছর আবার প্রায় দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৫০ কোটি ৭৪ লাখ ৬ হাজার ৭১৩ মার্কিন ডলারে।

মার্কিন বাজার দখলে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ভিয়েতনাম। ২০২৪ সালে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৭২ ডলারের তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে দেশটি। যা আগের বছরের তুলনায় ৫.৩২ শতাংশ বেশি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিকারক শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে গত বছর ভারতের পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ আর ১.৪০ শতাংশ বেড়েছে ইন্দোনেশিয়ার।

বানিজ্য

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে […]

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ১০:৫৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ০২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৬৪ মিলিয়ন ডলার। এতে মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এ ছাড়া শুধু ৭ থেকে ৯ মে—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ২৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজীকরণ এবং প্রবাসীদের আস্থা বাড়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।

জাতীয়

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা […]

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

১১ জুন ২০২৬, ১০:০২

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।