শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

কোন দিকে মোড় নিচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য

গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকে ধীরে ধীরে দুই দেশের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। প্রথমে ভারত বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার দোহাই দিয়ে ভিসা সীমিত করে দেয়। এরপর ভিসা নীতিতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে তা পুরোপুরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:১৮

গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকে ধীরে ধীরে দুই দেশের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।

প্রথমে ভারত বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার দোহাই দিয়ে ভিসা সীমিত করে দেয়। এরপর ভিসা নীতিতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে তা পুরোপুরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে, তাহলে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য কোন দিকে যাচ্ছে।

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক গত ৫৩ বছরের। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এবার নতুন করে আলোচনায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক। দুই দেশই নিচ্ছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। ফলে এসব পদক্ষেপ নিয়ে আবার দুই দেশই বিবৃতি-পাল্টা বিবৃতি দিচ্ছে।

সবশেষ নভেম্বরে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তার, ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়।

এরপর বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয় কড়া পদক্ষেপ। কলকাতা ডেপুটি হাইকমিশনে ভারতীয়দের জন্য বাংলাদেশের ভিসা সীমিত করে বাংলাদেশ। গত ৫৩ বছরের ইতিহাসে দুই দেশের সম্পর্কের এমন টানাপোড়েন দেখছে বিশ্ব।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশ সবচেয়ে বড় সীমান্ত প্রতিবেশী দেশ। দুই দেশই আমদানি-রপ্তানি করে থাকে। এখানে সহজে ও স্বল্প সময়ে বাণিজ্য সম্পাদন হয়। ফলে দুই দেশের অর্থনীতির জন্যই তা ইতিবাচক।

কিন্তু সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যেই যে সম্পর্কের টানাপোড়েন লক্ষ করা যাচ্ছে, এতে দুই দেশই সমান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশ ভারত থেকে বড় পরিমাণে আমদানি করে থাকে। তাই এখানে ভারতেরও স্বার্থ রয়েছে। এ ছাড়া প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা নিতে যান বেশ বড়সংখ্যক মানুষ।

এটা ভারতের ট্যুরিজম খাতেও ইতিবাচক প্রভাব রাখে। এখন যেহেতু্ এই মানুষগুলো যেতে পারছে না, তাহলে তা ভারতের অর্থনীতিতেও চাপ সৃষ্টি করবে।

ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের কী অবস্থা : ভারত থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলো ও সুতো। এসব আমদানিকৃত তুলো ও সুতো ব্যবহৃত হয় তৈরি পোশাক শিল্পে। বাংলাদেশের চাহিদার বেশিরভাগ তুলো ও সুতো আমদানি করা হয় ভারত থেকে। বাংলাদেশ যত তুলো ও সুতো আমদানি করে এর ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই করে ভারত থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) এক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ যত সু্তো আমদানি করেছে তার মধ্যে ভারত থেকেই ৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ। আর চলতি বছরের জুলাইয়ে চাহিদার ৮৭ শতাংশ সুতো ভারত থেকে আমদানি করেছে বাংলাদেশ।

খাদ্যপণ্যের মধ্যে চাল, ডাল, পেঁয়াজ, মরিচ, ফসলের বীজসহ কৃষিপণ্য আমদানি করা হয় ভারত থেকে। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে আমদানি হয়েছে সাড়ে ১১ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আমদানি হয়েছে প্রায় ৭৫ লাখ টন পণ্য। এসব পণ্যের মূল্য ছিল ২৯ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা। এ হিসাবে মাসে গড়ে আসছে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার পণ্য।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি বেড়েছে জুলাইয়ে। বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি হয়েছে ১৬ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের পণ্য, যেখানে আগের বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি করা হয়েছিল ১৫ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। এ হিসাবে চলতি বছরের জুলাইয়ে ভারতে রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

হিলি স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট  বলেন, হঠাৎ করে আলু আমদানি বন্ধের কারণে এলসিকৃত আলু আমদানি না হলে ক্ষতির মুখে পড়বেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা। আমরা আলু আমদানির জন্য প্রচুর পরিমাণ এলসি করে রেখেছি। আলু আমদানি না হলে এলসি করা টাকা, বুকিংকৃত টাকা নিয়ে আমরা টেনশনে আছি।

এ সংকট কেটে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প, আমদানি শিল্প এবং ভোক্তা কল্যাণের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য এসবের অনেকগুলোই ভারতের ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং সেটা আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে আমার মনে হয়।

তিনি বলেন, সমস্যা আমাদের দিক থেকে না। আমরা ভারতের বিপক্ষে যাইনি। ভারত আমাদের পরিবর্তনটা গ্রহণ করতে পারছে না বলেই সমস্যটা তৈরি হয়েছে। আশা করি, ভারত আমাদের পরিবর্তনটা মেনে নেবে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের উসকানিমূলক কাজ করা থেকে বিরত থাকবে। তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে।

 

বানিজ্য

বাজারের ব্যাগ ভরতে বাড়তি খরচ, ডিমের হালি ৫৫ টাকা

রাজধানীর বাজারে ডিম, সবজি ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৬৫ টাকা এবং অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪০

রাজধানীর বাজারে একই সঙ্গে বেড়েছে ডিম, সবজি ও সয়াবিন তেলের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা যোগ হয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে হালিপ্রতি ৫৫ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামও লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা দামে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।

আমিষের সাশ্রয়ী উৎস হিসেবে পরিচিত ফার্মের ডিমের দাম এখন প্রতি ডজন ১৬৫ টাকা। চারটি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে ৫৫ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, ডজন হিসেবে কিনলেও এখন আর আগের মতো দাম কম রাখার সুযোগ নেই।

তেল-সবজিতেও বাড়তি চাপ

নতুন দাম নির্ধারণের পরও খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। গত সপ্তাহের তুলনায় লিটারে ৫ টাকা বেড়ে তেল বিক্রি হচ্ছে ২০৪ টাকায়।

সবজির মধ্যে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে রয়েছে। আগাম শিম কিনতে সবচেয়ে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি কেজির দাম উঠেছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।

সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া গেলেও দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা ও গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। বরবটি, ঝিঙে, করলা ও কচুরমুখির কেজি ৮০ টাকা। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম রাখা হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

এক সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১২০ টাকা। এখন একই পরিমাণ মরিচ কিনতে দিতে হচ্ছে ১৬০ টাকা। তবে পেঁপের দাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকা থাকায় এই সবজিতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

বাজার করতে আসা ইব্রাহিম জানান, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম অন্তত ১০ টাকা করে বেড়েছে। ৮০ টাকার নিচে খুব কম সবজি পাওয়া যাচ্ছে। টমেটো ও বেগুনের মতো নিয়মিত কেনা পণ্যের কেজিও ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

শাকের দামে তুলনামূলক স্বস্তি

অন্যান্য সবজির তুলনায় শাকের দাম কম রয়েছে। লাল ও কলমি শাক প্রতি আঁটি ২০ টাকা, কচু শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং ডাঁটা শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি পুঁইশাকের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং লাউ শাকের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

মাংস স্থির, মাছের বাজার চড়া

মুরগি ও গরুর মাংসের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতেও ক্রেতাদের বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। রুই-কাতলা পাওয়া যাচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়। বড় রুইয়ের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা হলেও মাঝারি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

চিংড়ির কেজি আকারভেদে এক হাজার থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ও শোল ৭০০ টাকা এবং ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

চাষের কই প্রায় ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং চাষের শিং আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছসহ কয়েক ধরনের মাছের দাম কেজিপ্রতি এক হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

মাঝারি রুইয়ের কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। দেশি ও বেশি চাহিদাসম্পন্ন মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে নদীর বেলে মাছ কিনতে এক হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে।

বানিজ্য

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট […]

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৮

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম।

আর তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৪টি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলেও দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।