সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশ পাল্টাবে, চাঁদাবাজ ও সিন্ডিকেট মুক্ত দেশ হবে: জামায়াত আমির

যুব সমাজের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতেই চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। যুবকদের কারণেই আজ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছি।

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:২৬

জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে জয়ী হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশে পরিবর্তনের সূচনা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে আমরা নির্দয় ও নিষ্ঠুর হব।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুর, কারওয়ানবাজার ও বনানীতে পৃথক নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। কারওয়ানবাজারের সমাবেশে ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালিয়ে তিনি বলেন,

যুব সমাজের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতেই চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। যুবকদের কারণেই আজ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছি।

যুব সমাজকে চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও অস্ত্রবাজ বানানোর চেষ্টা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ার করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তরুণদের বেকার ভাতা নয়, সম্মানজনক কাজ দিতে হবে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।

চাঁদাবাজ রাজনীতিবিদদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে তিনি বলেন,

‘রাজনীতিও করবেন! চাঁদাবাজিও করবেন! কিন্তু চাঁদাবাজ বলা যাবে না! এটা কোন ধরণের কথা? চাঁদাবাজি ছেড়ে দেন, আপনাকে কেউ চাঁদাবাজ বলবে না। চাঁদাবাজি বন্ধ করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাঠাবো না, আমরাও মাঠে নামবো।’

বৈষম্য নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন,

‘২৮ ডিসেম্বর চাঁদাবাজদের হাতেনাতে শিক্ষা দিয়েছিলেন কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা।’ তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণকেও এভাবেই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

কারওয়ানবাজারে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে কৃষক, ভোক্তা ও ব্যবসায়ী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পণ্য ঢাকায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে দাম তিন থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।

ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনের উত্থাপিত সমস্যাগুলোর কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় এলে এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে। অতীতেও জামায়াত কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাল্টা অভিযোগের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,

‘অনন্ত তিনটি মন্ত্রণালয় দুর্নীতি থেকে বেঁচে যায়, সে জন্যই পদত্যাগ করেননি জামায়াতের নেতারা।’

৫ আগস্টের পর জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন,

‘৫ আগস্টের পর জামায়াত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কারও ওপর প্রতিশোধ নেবে না, জুলুম করবে না। জামায়াত কথা রেখেছে, মিথ্যা মামলা দেয়নি।’ আওয়ামী লীগ আমলে জামায়াত নেতাকর্মীদের আর্থিকভাবে নিঃস্ব করা হলেও তারা কারও সঙ্গে অন্যায় করেননি বলে দাবি করেন তিনি।

ভোটের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে জামায়াত আমির বলেন,

‘আলামত ভালো নয়। মা বোনদের গায়ে হাত দেওয়া হচ্ছে। জায়গায় জায়গায় হামলা হচ্ছে, বাঁধা দেওয়া হচ্ছে। আপনারা বলেছেন, ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দেবেন। এখনও জনগণ আশ্বস্ত হয়নি। অন্যথায় ব্যর্থতায় দায় নিতে হবে।’

নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ফল মেনে নেওয়ার কথা জানিয়ে বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘গণগন্ত্রের পথে হাঁটুন। আপনার কর্মসূচি আপনি চালিয়ে যান, জনগণের ইচ্ছা হলে গ্রহণ করবে।’

এর আগে মিরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,

‘গত ৫৪ বছর যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেশ চালানো হয়েছে, মাঝে মাঝে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুলুম করা হয়েছে। ফ্যাসিজম চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন,

‘দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ চাই। নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ দেশ চাই।’ মিরপুর ও কাফরুল এলাকার দীর্ঘদিনের সন্ত্রাস পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যাদের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব, আল্লাহ যেন তাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন।

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারের বাস উদ্বোধন করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচিত হলে জনগণের শাসক নয়, সেবক হতে চান। প্রয়োজনে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করবেন, তবুও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে দেবেন না।

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহতের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ার করে বলেন, গায়ের জোরে কিছুই করা যাবে না। সবাইকে সংযত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কারওয়ান বাজারের সমাবেশে ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য দেন। মিরপুরে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনসহ ১১ দলের নেতারা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০