রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের মতো পরিণতি যেন আর কারোও না হয় : রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ভুল নেতৃত্ব নির্বাচনের মাশুল যেন আর কোনো কর্মীকে দিতে না হয়। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের মর্মান্তিক ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি জনগণকে সঠিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক নেতা বাছাই করার আহ্বান জানান। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার টিঘর গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনি […]

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের মতো পরিণতি যেন আর কারোও না হয় : রুমিন ফারহানা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ভুল নেতৃত্ব নির্বাচনের মাশুল যেন আর কোনো কর্মীকে দিতে না হয়। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের মর্মান্তিক ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি জনগণকে সঠিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক নেতা বাছাই করার আহ্বান জানান।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার টিঘর গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের স্ত্রী নিজের সন্তানকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেছেন। অথচ তাকে একদিনের জন্য প্যারোলে মুক্ত করার মতো কোনো নেতা পাশে দাঁড়াননি। স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার সুযোগও তিনি পেয়েছেন মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য। “যাদের পেছনে সাদ্দামের মতো কর্মীরা ১৫ বছর রাজনীতি করেছে, যাদের নেতা বানিয়েছে—তারাই সাদ্দামের পরিবারের খোঁজ নেয়নি,”—বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “সাদ্দাম ছাত্রলীগ করত, কিন্তু গত ১৫ বছরে ছাত্রদলসহ অন্যান্য দলেও এমন বহু কর্মী ছিল। যে নেতৃত্ব কর্মীর পরিবারের খোঁজ রাখে না, যাদের জন্য কর্মীর শেষ ঠিকানা হয় কারাগার—জনগণ কি সেই ধরনের নেতৃত্ব চায়?”

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৫ বছর বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতার সঙ্গে কর্মীদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু সে সময়ও সাধারণ মানুষ তাকে পাশে পেয়েছে। “তাই নেতা নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে, যাতে আর কোনো কর্মীর কপালে সাদ্দামের মতো পরিণতি না ঘটে,”—যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, তার কোনো পারিবারিক শক্তি নেই—জনগণই তার পরিবার। তিনি সরকারপক্ষ, বিরোধী দল কিংবা স্বতন্ত্র যাই থাকুন না কেন, জীবিত থাকা পর্যন্ত কোনো কর্মীর ক্ষতি হতে দেবেন না।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যেক ভোটারকে নিজ নিজ কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। “খেলোয়াড় যখন গোল দিতে পারে না, তখন ফাউল করে। কেউ যদি ১২ ফেব্রুয়ারি ফাউল করতে চায়, জনগণকেই তার জবাব দিতে হবে,”—বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নির্বাচন ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিদেশি কূটনীতিকদের নজরদারিতে অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশাসন ও বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, কোনো প্রার্থীর দল নাও থাকতে পারে, কিন্তু জনগণ পাশে থাকলে সেই প্রার্থীর সঙ্গে ফাউল করা মানে নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনা।

উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম-এর স্ত্রী কানিজ সুর্বণা স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পাশেই পাওয়া যায় তাদের ৯ মাস বয়সী সন্তান নাজিমের নিথর দেহ।

পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে দূর থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয় সাদ্দামকে। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া সাদ্দাম বর্তমানে একাধিক মামলায় যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬২
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৬

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৬