শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

‘আমরা যে অবস্থান নিয়েছি, সেখানেই আছি, আমাদের জায়গা থেকে এক ইঞ্চিও নড়ব না, ভারতে যাব না : বিসিবি সহসভাপতি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলতে না যাওয়ার অবস্থানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির সহসভাপতি মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, নিরাপত্তা ইস্যুতে বিসিবি তাদের অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে International Cricket Council-এর সঙ্গে বিসিবির একটি […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০:৫২

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলতে না যাওয়ার অবস্থানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির সহসভাপতি মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, নিরাপত্তা ইস্যুতে বিসিবি তাদের অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে International Cricket Council-এর সঙ্গে বিসিবির একটি ভিডিও কনফারেন্স বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিসিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে অংশ নেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহসভাপতি মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এবং প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আমরা যে অবস্থান নিয়েছি, সেখানেই আছি। আমাদের জায়গা থেকে এক ইঞ্চিও নড়ব না—মানে ভারতে আমরা যাব না।” তিনি জানান, আইসিসির সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক হলেও এখনো কোনো নতুন সিদ্ধান্ত আসেনি।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতের বিভিন্ন ভেন্যুতে হওয়ার কথা ছিল। তবে তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাদ দেওয়ার ঘটনার পরই বিসিবি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

বিসিবি মনে করছে, একজন ক্রিকেটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে পুরো দলের নিরাপত্তা আরও বড় ঝুঁকির বিষয়। এ কারণে আইসিসির কাছে দুই দফা চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি, যার একটি উত্তর এখনো আসেনি।

খেলা

“ভাই, ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন”- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ‘দুই’ হস্তক্ষেপে মুখ খুললেন বুলবুল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক উন্নয়নে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এবার জানা গেলো বিসিবির পক্ষ থেকে চিঠিটি পাঠিয়েছেন বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সদ্য সাবেক বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাকে (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে) একটা কথা বলবো, আপনি ভাই ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন।

ওনার দুটি হস্তক্ষেপের কথা বলতে পারি, প্রথম দিনই উনি সরাসরি প্রধান নির্বাহীকে ফোন করলেন সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দিতে। আরেকটা হলো, কয়েক দিন আগে দেখেছেন বিসিবি একটা চিঠি দিয়েছে বিসিসিআইকে। এটা উনি সিইওর সঙ্গে বসে করেছেন, আমি শুধু কপিতে ছিলাম।

এই যে সিস্টেমটাকে নষ্ট করে ফেলছে, এর দায় কে নেবে। আমি তো চলে যাবো, হয়তো আর কোনো দিনও আসবো না। কিন্তু আপনারা তো এখানে থাকবেন, আপনাদের এই ক্রিকেটটাকে তো বাঁচাতে হবে।’

সম্প্রতি ভেঙে দেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে এখনও নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন বুলবুল।

তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

খেলা

তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বুলবুল। তার দাবি, ৫ এপ্রিল প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনটি আইনগতভাবে টেকসই নয় এবং এতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে বৈধ ও স্বচ্ছ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। বুলবুল জানান, ওই নির্বাচনের জন্য ৬ সেপ্টেম্বর একটি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। কমিশনের অন্য সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক।
নির্বাচনকে ঘিরে ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলোও আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানান বুলবুল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিরোধের সমাধান করা হয়।

এনএসসির এই তদন্তকে এখতিয়ারবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে বুলবুল বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত এই তদন্তকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন।

অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেন, এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই এবং তারা এটিকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না।

বিবৃতির শেষাংশে বুলবুল সতর্ক করে বলেন, এমন হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও বৈশ্বিক অংশীদারদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেকেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দাবি করে আইসিসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বুলবুল।

‘২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর নিরপেক্ষ তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকারি সংস্থা পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত আমিই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি।’

খেলা

বাংলাদেশের অনুরোধে ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হলো পাকিস্তান

ক্রিকেটের সামগ্রিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে ভারতের বিপক্ষে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নির্ধারিত ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সোমবার ঢাকায় বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৮

ক্রিকেটের সামগ্রিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে ভারতের বিপক্ষে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নির্ধারিত ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সোমবার ঢাকায় বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে সহযোগিতা ও ইতিবাচক ভূমিকার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিসিবি। বিশেষভাবে পিসিবির চেয়ারম্যান মোহসিন রাজা নাকভি, তার বোর্ড এবং পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

বিসিবি সভাপতি এমডি আমিনুল ইসলাম বলেন, “এই সময়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পাকিস্তান যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক পাকিস্তান সফর ও আলোচনার প্রেক্ষাপটে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটি আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে পুরো ক্রিকেট ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বিসিবির এই উদ্যোগ আঞ্চলিক ক্রিকেট সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ।

: