বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপি এমন একটি দল, যেখানে আলেম-ওলামারা নিরাপদ: শামা ওবায়েদ

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনের প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল, যেখানে আলেম-ওলামারা নিরাপদ। বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করে না; মানুষের মন জয় করতে হয় ভালোবাসা ও সম্মানের মাধ্যমে। রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার […]

বিএনপি এমন একটি দল, যেখানে আলেম-ওলামারা নিরাপদ: শামা ওবায়েদ

ইরানে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনের প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল, যেখানে আলেম-ওলামারা নিরাপদ। বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করে না; মানুষের মন জয় করতে হয় ভালোবাসা ও সম্মানের মাধ্যমে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভার উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে সালথার বহু আলেম-ওলামা আহত হন, কেউ কেউ নিহত হন। অনেকের পা ভেঙে যায়, কেউ গুলিবিদ্ধ হন। আজও অনেকে সেই ক্ষত নিয়ে ঘরে বসবাস করছেন। সে সময় অনেক আলেম-ওলামাকে মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করতে হয়েছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, তার বাবা যতদিন এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন, এ এলাকার কোনো মানুষকে অবমূল্যায়ন করা হয়নি, কারও ওপর নির্যাতন চালানো হয়নি কিংবা কাউকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়নি। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ, তারেক রহমানের আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ হলো জনগণের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের সেবা করা।

তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখে নির্বাচন আসবে যাবে, কিন্তু আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক থাকবে অম্লান। এ সম্পর্ক আত্মার সম্পর্ক। গত ১৭ বছরে আমাকে আপনাদের থেকে দূরে রাখার অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, তিনি আমাকে আপনাদের সঙ্গেই রেখেছেন।

আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে রামকান্তপুর ইউনিয়নকে আন্তর্জাতিক মানের একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বিএনপির কারণেই সালথা উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০০১ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সালথার মাঠে বিশাল জনসভায় এসে সালথাকে উপজেলা ঘোষণা করেন। কেএম ওবায়দুর রহমানের নেতৃত্বে তখন সালথা উপজেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ উপজেলায় মানসম্মত কোনো হাসপাতাল নেই। অসুস্থ হলে মানুষকে ফরিদপুর কিংবা ঢাকায় যেতে হয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে সালথায় একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে, যেখানে স্বল্পমূল্যে দরিদ্র মানুষ চিকিৎসাসেবা পাবে।

আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি দেখেছেন তার বাবা মাদ্রাসাগুলোকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতেন। মাদ্রাসা ও মসজিদ সংস্কার করে উন্নত মানে উন্নীত করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। ভোট প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, মানুষ জানে কাকে ভোট দিলে উন্নয়ন হবে, কারা রাস্তাঘাট, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করবে। আমাদের রক্তে নেওয়া নেই, আমরা দিতে শিখেছি। আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই।

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, কেউ যদি টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি বা দখলবাজির সঙ্গে জড়িত থাকে, তাকে তার চরম মূল্য দিতে হবে।

সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার আযাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মনির মোল্যা, নগরকান্দা যুবদল নেতা তৈয়াবুর রহমান মাসুদ, বিএনপি নেতা হাসান মাতুব্বরসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠান শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩