পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী অন্যতম প্রতিষ্ঠান কবি নজরুল সরকারি কলেজ।যেখানে বছর জুড়ে নানা সাংস্কৃতিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচী পালিত হয়। যার অধিকাংশ কলেজের ছাত্রসংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ২৪ এর জুলাই-আগস্ট আন্দোলনেও এই কলেজের ৪জন শিক্ষার্থী শহীদ হন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখার কাগজে কলমে কমিটি থাকলেও নেই শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচী। যেখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখা ছাত্রশিবির বছর জুড়ে বড় আকারে নানা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে থাকে।
গেল ৯আগস্ট ২০২৫ কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের ষান্মাসিক কমিটি প্রকাশিত হয়।এতে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী হাসিব বিন হাসান সভাপতি, এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১সেশনের শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়।
নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে গেল বছর ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, কলেজের একমাত্র শহীদ শামসুল আলম ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করতে মাত্র একটি সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন করে। এছাড়া চোখে পড়ার মতো বড় কোনো কার্যক্রম হয় নাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের কলেজে ছাত্রশিবিরের কমিটি অত্যন্ত দুর্বল। কলেজের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা এসবের দিকে যেন ভ্রুক্ষেপ নেই। তবে অর্থসংকট প্রধান কারণ হতে পারে।কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের উচিত পুরান ঢাকার এই সুপার ইউনিটকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রশিবির কলেজ শাখার সভাপতি হাসিব বিন হাসান বলেন, আমরা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে রাখি কিন্তু কলেজের রুটিনের সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে যায়।
ফলে নানা পোগ্রামের উদ্যোগ নিলেও সেটা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়ে উঠে না। অর্থনৈতিক সমস্যা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা নির্দিষ্ট সময়ে অর্থ কালেকশন করে থাকি।সবকিছু গুছাই নিতে পারলে সামনে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ আয়োজন করবো।