বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মহিপুুর থানা বিএনপি’র উদ্যোগে নির্বাচন পরিচালনা ও ভোট কেন্দ্র কমিটি গঠন বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত

সাইফুল ইসলাম সাগর,কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর জেলার মহিপুর থানা বিএনপি’র উদ্যোগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও ভোট কেন্দ্র কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০.০০ টায় মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার। সভার শুরুতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে […]

মহিপুুর থানা বিএনপি’র উদ্যোগে নির্বাচন পরিচালনা ও ভোট কেন্দ্র কমিটি গঠন বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:১৫

সাইফুল ইসলাম সাগর,কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর জেলার মহিপুর থানা বিএনপি’র উদ্যোগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও ভোট কেন্দ্র কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০.০০ টায় মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার।

সভার শুরুতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 

মহিপুর থানাধীন চারটি ইউনিয়নের বিএনপি ও সকল ওয়ার্ড পর্যায়ের অংঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সুপার ফাইভ ও থানা কমিটির সদস্যদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নেতৃবৃন্দরা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন কে নির্বাচনে জয়ী করার জন্য তৃণমূল নেতৃবৃন্দদের সমন্বয়ে থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও ভোট কেন্দ্র কমিটি গঠন করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। বক্তরা বলেন,

এসকল কমিটিতে ভালো, সৎ, গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি, সিনিয়র – জুনিয়রদের সমন্বয়ে আলোচনার মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হবে। প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ জনগণের কাছে ধানের শীষের প্রার্থীর জন্য ভোট প্রার্থনা করা হবে। সকল পর্যায়ের অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের ওয়ার্ড ভিত্তিক কমিটি গঠন করে আগামী দিন থানা কমিটির দপ্তরে জমা দেওয়া হবে।

মহিপুর থানা মহিলা দলের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা আগামী তিন /চার দিনের মধ্যে গঠন করে ওয়ার্ড ভিত্তিক মহিলা দলের কমিটি করে প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের নিকট ধানের শীষের প্রার্থী জননেতা এবিএম মোশাররফ হোসেনের জন্য ভোট প্রার্থনা করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও ওলামা দলের নেতৃবৃন্দদের প্রতি থানা বিএনপি’র সভাপতি নির্দেশনা প্রদান করেন, যে সকল রাজনৈতিক দল ধর্মের নামে অপব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্তি করবেন ঐ সকল রাজনৈতিক দলের কর্মীদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে অপব্যাখ্যাকারীদের প্রতিহত করতে হবে। 

অন্যান্যদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ, মহিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মো:ফজলু গাজী, সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন মুসুল্লী সুলতান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউসুফ হাওলাদার, মহিপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার প্রমুখ। 

আরো উপস্থিত ছিলেন মহিপুর থানা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব জহিরুল ইসলাম, সহ সভাপতি মাসুদুর রহমান,ডালবুগন্জ ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নাসির উদ্দিন, ধুলাসার ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আঃ মান্নান, মহিপুর থানা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ হাওলাদার বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো:সহিদ হাওলাদার,লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সেলিম হাওলাদার,থানা ওলামা দল সভাপতি ক্বারী আজিজুর রহমান পাটোয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম,

থানা যুবদল সভাপতি সিদ্দিক মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান প্যাদা, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম সোহাগ, আক্কাস হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবকদল আহ্বায়ক ফরিদ খান ও সদস্য সচিব আতিকুর রহমান মিলন, শ্রমিক দল সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পিন্টু ভদ্র ও সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ফরাজি,মহিলা দল নেত্রী হেলেন কিলার বিউটি ও রহিমা আক্তার রুপা, মহিপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সজীব হাওলাদার,

ডালবুগন্জ ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জেল হক হিরো, কৃষক দল ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক হারুন মোল্লা, ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানজিল আলম ও সদস্য সচিব রেজা,মৎস্যজীবি দলের সভাপতি আফজাল মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক হারুন,

তাতী দল সভাপতি জাহাঙ্গীর গাজী ও সাধারণ সম্পাদক আমীর খান, সৈনিক দল সভাপতি ফজলু মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মুন্সী ইউসুফ,মহিপুর সদর ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মনির মুসুল্লী, ধুলাসার ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ বিএনপি’র বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। 

সভাটি সঞ্চালনা করেন মহিপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার […]

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ১০:১০

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয়

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে পল্লবী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য লামিসাকে খুঁজতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে বাসার দরজার সামনে শিশুটির একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সন্দেহ থেকে পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন, কিন্তু দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। মায়ের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শিশু লামিসার মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।

এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্ভবত বাথরুমে শিশুটির সঙ্গে মূল আসামির অবৈধ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়েছে। শিশুটির সঙ্গে আসামির কোনো যৌন ক্রিয়া হয়েছে কি না তা পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা যাবে।’

মরদেহ টুকরো করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পরবর্তীতে মরদেহ লুকানোর জন্যই সম্ভবত মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত কেটে টুকরো করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু শিশুটির মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তিনি।’

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, ধর্ষণের কারণে শিশুটির রক্তপাত শুরু হলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।’

গ্রেপ্তার সোহেল রানার চরিত্র সম্পর্কে পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন একটা লোক। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্নভাবে টর্চার করেছেন।’

ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের প্তুল্লা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ, সিআইডি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।