সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

তারুণ্যের ভাবনায় বিজয় দিবস

বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্য-বীর্য ও বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এক বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম শেষে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন দেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বিজয়ের এই দীর্ঘ ৫৪ বছর পেরিয়ে ৫৫ বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে এবার। দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন তাদের ভাবনা, অনুভূতি আর প্রত্যাশার কথা-

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৪

আবু তাহের, জাককানইবি

বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্য-বীর্য ও বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এক বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম শেষে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন দেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বিজয়ের এই দীর্ঘ ৫৪ বছর পেরিয়ে ৫৫ বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে এবার। দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন তাদের ভাবনা, অনুভূতি আর প্রত্যাশার কথা-

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা জানান, ‘১৬ ডিসেম্বর বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন অর্জনের দিন। নয় মাসের দহন, গণহত্যা আর নির্বাসনের উপর দাঁড়ানো এই বিজয় কেবল সামরিক পরাজয় নয়; এটি জাতিসত্তার অদম্য পুনর্ঘোষণা।

চাষির হাত, ছাত্রের স্লোগান, রণাঙ্গনের বীর, শরণার্থী মায়ের হাহাকার—সব মিলেই গড়ে উঠেছিল স্বাধীনতার রক্তাক্ত মহাকাব্য। প্রতিটি আত্মত্যাগ দেখিয়েছিল, স্বাধীনতা কোনো ঘোষণা নয়,এটি অস্তিত্বের শেষ সীমায় দাঁড়ানো সংকল্প।

বিজয়ের পতাকা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে উন্মোচিত হয়েছিল ক্ষত-বিক্ষত এক ভূখণ্ড, আর তার মধ্যেই লুকিয়ে ছিল এক অক্ষয় দায়িত্ব: রক্তে লেখা স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করা।

তাই ১৬ ডিসেম্বর কেবল উৎসব নয়; এটি কঠোর সতর্কবার্তা,,বিজয় যত কঠিন, রক্ষা তারও কঠিনতর। এটি স্মৃতি নয়, জাগ্রত চেতনা অপরাজেয়, অনমন, অনির্বাণ।’

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জায়েদ আহাম্মদ বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতির আত্মপ্রকাশের দিন; যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে অসংখ্য বীরের ত্যাগে। বিজয় দিবস শুধু অতীত স্মরণ নয়, এটি আমাদের ন্যায়, সমতা ও মানবিকতার পথে চলার প্রেরণা যোগায়। বাঙালি জাতির ভাষা, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চেতনার ভিত এই বিজয়ের মধ্যেই নিহিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, বিজয়ের মূল শিক্ষা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস এবং মানবাধিকার রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকার। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও এই বিজয়-চেতনার ধারাবাহিকতা যার মূল উদ্দেশ্য ছিলো গণমানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় ও গণতন্ত্রের দাবি বাস্তবায়ন ।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো ইতিহাসকে সত্যভাবে জানা, বৈষম্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন থাকা এবং সমাজের দুর্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বিজয় দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা অর্জনের মতোই তা রক্ষা করাও একটি চলমান দায়িত্ব।

মহান বিজয় দিবস তাই শুধু জাতীয় গৌরব নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমতার বাংলাদেশ গড়ার অনন্ত আহ্বান।’

নৃবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী তাসকেরাতুন নূর বর্না জানান, ‘বিজয় দিবস বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে একটি উজ্জ্বল এবং মর্যাদাপূর্ণ দিন। ১৯৭১ সালের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এই দিনেই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মানচিত্রে স্থান পায়।

বিজয় দিবস শুধু একটি দিনের নাম নয়, এটি জাতির মুক্ত আত্মপরিচয়ের জন্মদিন। পাকিস্তানি দমন-পীড়ন, ভাষা-সংগ্রাম, রাজনৈতিক বৈষম্য সব কিছুর বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পূর্ণতা ঘটে এই দিনে।

এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা অর্জনের কঠিনতম বাস্তবতা,এ স্বাধীনতার অর্জনের পথ সহজ ছিল না। লাখো শহীদ,সম্ভ্রম হারা মা-বোন, এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রামই এই বিজয়ের ভিত্তিপ্রস্তর। বিজয় দিবস জাতীয় ঐক্য, গৌরব, আত্মসম্মান ও দায়িত্ববোধের প্রতীক। এই দিনে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র, পেয়েছি একটি মুক্ত আকাশ যেখানে আমরা প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নিতে পারি।’

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মিশাত হাসান বলেন, ‘আজ ১৬ ডিসেম্বর—মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্জন করে স্বাধীনতা। আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাঁদের ত্যাগে আজকের এই বিজয়। বাঙালি তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এই স্বাধীনতা চিনিয়ে এনেছে। বিজয় দিবস আমাদের দেশপ্রেম, ঐক্য ও দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আসুন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার শপথ নেই।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।