সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

৭২% মৃত্যুঝুঁকি ,শীতকালে নিপাহ ভাইরাসের হটস্পট উত্তরাঞ্চল

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  নিপাহ ভাইরাস (NiV) হলো এক ধরণের প্যারামিক্সো ভাইরাস যা একটি এনভেলপড ভাইরাস, অর্থাৎ কোভিড-১৯ ভাইরাসের মতোই এর চারপাশে তৈলাক্ত আবরণ থাকে। এটি প্রথম ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় শুকরের মাধ্যমে শনাক্ত হলেও বাংলাদেশে এটি প্রথম ধরা পড়ে ২০০১ সালে মেহেরপুরে। বাংলাদেশে মূলত বাদুড়ের লালা ও প্রস্রাব দ্বারা দূষিত খেজুরের কাঁচা রস পান করার মাধ্যমেই […]

৭২% মৃত্যুঝুঁকি ,শীতকালে নিপাহ ভাইরাসের হটস্পট উত্তরাঞ্চল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:৪৯

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

নিপাহ ভাইরাস (NiV) হলো এক ধরণের প্যারামিক্সো ভাইরাস যা একটি এনভেলপড ভাইরাস, অর্থাৎ কোভিড-১৯ ভাইরাসের মতোই এর চারপাশে তৈলাক্ত আবরণ থাকে। এটি প্রথম ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় শুকরের মাধ্যমে শনাক্ত হলেও বাংলাদেশে এটি প্রথম ধরা পড়ে ২০০১ সালে মেহেরপুরে।

বাংলাদেশে মূলত বাদুড়ের লালা ও প্রস্রাব দ্বারা দূষিত খেজুরের কাঁচা রস পান করার মাধ্যমেই এই ভাইরাস সংক্রমণ ছড়ায় বলে আইইডিসিআর (IEDCR) প্রমাণ করেছে। 

২০০১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশের মোট ৩২টি জেলায় এই ভাইরাসের কেস শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ফরিদপুর (৭১টি), রাজবাড়ী (৩০টি), নওগাঁ (২৫টি) এবং লালমনিরহাট (২৪টি)-তে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মানুষ থেকে মানুষে এই ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

নিপাহ ভাইরাস প্রাকৃতিকভাবে বাদুড়ের দেহে থাকলেও তারা নিজেরা আক্রান্ত হয় না, কিন্তু তাদের লালা ও প্রস্রাব থেকে ভাইরাসটি খেজুরের কাঁচা রসে সংক্রমিত হয়ে মানুষের মধ্যে ছড়ায়। কাঁচা রস ছাড়াও বাদুড় বা অন্য প্রাণী/পাখির আধা খাওয়া ফল খেলেও মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।

বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়ায় বাদুড়ের বাসস্থান ও খাদ্যের উৎস নষ্ট হচ্ছে, ফলে তারা কষ্টে থাকায় তাদের দেহ থেকে নিপাহ ভাইরাসের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এমনকি খেজুর রসের জায়গা জাল দিয়ে ঢাকলে বাদুড়কে বেশি পরিশ্রম করতে হয়, যার কারণেও ভাইরাস নিঃসরণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রধানত মস্তিষ্কের তীব্র প্রদাহ ঘটে। এর সাধারণ উপসর্গগুলো হলো প্রচণ্ড জ্বর, তীব্র মাথা ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, মুখ দিয়ে লালা ঝরা, আবোলতাবোল কথা বলা এবং জ্ঞান হারানো।

বাংলাদেশে নতুনভাবে কিছু ক্ষেত্রে কাশির লক্ষণও পাওয়া গেছে, যা মানুষ থেকে মানুষে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। খেজুরের কাঁচা রস খাওয়ার পর নিপাহ ভাইরাসের সর্বোচ্চ সুপ্তিকাল হলো ২১ দিন, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সংক্রমণের লক্ষণ দেখা যায়।

বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি অত্যন্ত বেশি; শতকরা ৭১ জন বা আক্রান্তদের দুই-তৃতীয়াংশই মারা যান। এই ভাইরাসের জন্য বর্তমানে কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ বা ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি। আক্রান্তদের মস্তিষ্কের তীব্র প্রদাহের জন্য যে চিকিৎসা দেওয়া হয়, এখানেও একই চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

লক্ষণ দেখা দিলেই দেরি না করে রোগীকে দ্রুত আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে এবং সেখানে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

গবেষকরা বলছেন ৭০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় নিপাহ ভাইরাস নষ্ট হয়। খেজুরের গুড় তৈরির সময় অনেক বেশি তাপমাত্রায় রস জ্বাল দিতে হয়, তাতে ভাইরাস থাকার কোন আশঙ্কা থাকে না। খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি পিঠা পায়েসও নিরাপদ।

তবে সঠিক তাপমাত্রায় জ্বাল দিয়ে খেতে হবে।নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধের উপায়গুলো হচ্ছে, নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধে কাঁচা খেজুরের রস পান করা সম্পূর্ণ নিষেধ এবং এর সংস্পর্শে এলে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে হাত ধুতে হবে।

মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ এড়াতে হাঁচি-কাশির ক্ষেত্রে মাস্ক পরা ও দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। বাদুড় বা অন্য প্রাণীর আধা খাওয়া কোনো ফল খাওয়া যাবে না, এবং যেকোনো ফল-সবজি খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

যারা রস সংগ্রহ করেন, তাদের সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে এবং মুখে কাপড় বেঁধে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। সর্বশেষে, কাঁচা রস পান করার ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং ভুল তথ্যে নিরাপদ রস বিক্রির প্রচলন বন্ধ করা আবশ্যক।

নিপাহ ভাইরাসে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। আইইডিসিআরের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। শীতের সময় খেজুরের রস খেয়ে কেউ মারাত্মক অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। প্রয়োজনে আইইডিসিআর ও স্বাস্থ্য বাতায়ন হটলাইনে যোগাযোগ করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ চিকিৎসকগণ দিয়ে থাকেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।