বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

দলের বাইরে থেকে ভিপি ও জিএস প্রার্থী দেওয়ার পথে ছাত্রদল! তৃণমূলে অসন্তোষ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দীর্ঘ ৩৮ বছর পর হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর যা প্রথম। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন ঘিরে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে রাজনৈতিক জোট ও পদবণ্টনের হিসাব-নিকাশ। ছাত্রদলের সম্ভাব্য প্যানেলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। যা ক্যাম্পাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ নভেম্বর ২০২৫, ২২:১৩

রোকুনুজ্জামান, জবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দীর্ঘ ৩৮ বছর পর হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর যা প্রথম। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন ঘিরে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে রাজনৈতিক জোট ও পদবণ্টনের হিসাব-নিকাশ। ছাত্রদলের সম্ভাব্য প্যানেলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। যা ক্যাম্পাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সংগঠনটির অনেক তৃণমূল নেতাকর্মী অভিযোগ করছেন, নিজেদের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মীদের বাদ দিয়ে ছাত্রদলের বাইরের প্রার্থী দিয়ে প্যানেল সাজানো হচ্ছে। এতে তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। ছাত্রদলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করছেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের একক শক্তিকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে একটি মহল জোরালো ভাবে কাজ করছে। এই সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের চাপ রয়েছে বলেও অভিযোগ করছেন তাঁরা।

ছাত্রদলের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদল জকসু নির্বাচনে যে প্যানেল ঘোষণা করতে যাচ্ছে যেখানে শীর্ষ দুইটি পদ ভিপি এবং জিএসসহ সম্পাদকীয় এবং সদস্য পদে আরও ৮ পদসহ মোট ১০টি পদেই ছাত্রদলের বাইরের প্রার্থীদের দিয়ে প্যানেল ঘোষণা হতে পারে। এরমধ্যে ছাত্র অধিকার পরিষদ ও অন্যান্য সংগঠনের কয়েকজন নেতাকে এই প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এর বাইরে দুয়েকজন পরিচিত মুখ সাধারণ শিক্ষার্থীও থাকতে পারেন বলে গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে। এতে করে ছাত্রদলের দীর্ঘদিনের তৃণমূল নেতাকর্মীরা নিজেদের অবমূল্যায়িত মনে করছেন।

তারা বলছেন, বহু বছর ধরে তারা সংগঠনের পতাকা বহন করে আন্দোলন করেছেন নির্যাতন সহ্য করেছেন। অথচ এখন বাইরের মানুষ এসে নেতৃত্বের আসনে বসবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না বলেও অভিযোগ তাদের।

ছাত্রদল ও অন্যান্য সূত্রমতে, ছাত্রদল তাদের প্যানেলে ২১টি পদের মধ্যে প্রায় ১০টি পদ বাইরের সংগঠন বা অরাজনৈতিক প্রার্থীদের দিতে প্রস্তুত। এর মধ্যে ছাত্র অধিকার পরিষদের কাছে যেতে পারে ভিপি পদসহ ৬টি পদ, এখানে ভিপি পদে ছাত্র অধিকার পরিষদ জবি শাখার সভাপতি একেএম রাকিব, জিএস পদে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও খাদিজাতুল কুবরাকে, যিনি আওয়ামী লীগের সময়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাভোগ করেছিলেন। এজিএস পদে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান তানজিলের নাম ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে। ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এমন হলে শীর্ষ তিন পদের মধ্যে এক এজিএস ছাড়া ভিপি ও জিএস শীর্ষ দুই পদেই ছাত্রদলের বাইরের প্রার্থী হবেন।

এদিকে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করছেন, ছাত্রদলের প্যানেল গঠনের সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিক সিন্ডিকেট প্রভাব ফেলছে। অনেকে বলছেন, ছাত্রদলের জবি শাখার ওপর একটি বিশেষ মহল চাপ প্রয়োগ করছে যাতে যৌথ প্যানেলে ছাত্রদলের বাইরের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এতে স্থানীয় নেতারা রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান হারানোর আশঙ্কা করছেন। নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করছেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের একক শক্তিকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে একটি মহল জোরালো ভাবে কাজ করছে। এই সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের চাপ রয়েছে বলেও অভিযোগ করছেন তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শাখা ছাত্রদলের এক যুগ্ম আহবায়ক বলেন, ছাত্রদল সবসময় জবিতে শক্ত অবস্থানে ছিল। এখন যদি বাইরের প্রার্থীদের দিয়ে প্যানেল গঠন হয়, তাহলে আমাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের মূল্য শূন্যে নেমে আসবে। আমরা চাই, জবি ছাত্রদলের নিজস্ব প্রার্থীরাই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের একাধিক যুগ্ম আহ্বায়ক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ছাত্র সংগঠন। এর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান—সব জায়গায় জবি ছাত্রদল ছিল সামনের কাতারে। এখন যখন জকসু নির্বাচন সামনে, তখনই বহিরাগতদের প্রাধান্য দিয়ে আমাদের উপেক্ষা করা হচ্ছে। এটি একটি মহলের ষড়যন্ত্র, যারা জবি ছাত্রদলের ঐক্য ও নেতৃত্বকে ধ্বংস করতে চায়।

তারা আরও বলেন, আমরা চাই আমাদের সংগঠনের যোগ্য, মেধাবী ও ত্যাগী নেতারাই প্রার্থী হোক। বাইরের সংগঠনের নেতাদের এনে প্যানেল সাজানো মানে হচ্ছে ছাত্রদলকে দুর্বল করা। ভাড়াটে প্রার্থী দিয়ে কখনও ছাত্র রাজনীতি টেকে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের যে ঐতিহ্য আছে, তা কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওতুল ইসলাম পরাগ বলেন, আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না যেখানে বিগত সরকারের সময়ে নির্যাতনের শিকার কোনো ত্যাগী কর্মী তার প্রাপ্য জায়গা থেকে বঞ্চিত হবে। আমাদের অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ, তিনি যেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের যোগ্যতাকেই অগ্রাধিকার দেন। আমি সবসময় দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তবে এমন সিদ্ধান্ত যেন না হয় যা আমাদের কর্মীদের হতাশ করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, সবকিছু বিবেচনা করে আমরা একটা ইনক্লুসিভ প্যানেল দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা চেষ্টা করছি, আশা করি ভালো কিছু হবে।

শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অসন্তোষের বিষয়ে তিনি বলেন, আসলে সবাই তো নিজেকে মনে মনে ভিপি ভাবে। এতে আবার অনেক মিডিয়া হাইপও তুলে দেয়। কিন্তু আসলে বাস্তবতা তো ভিন্ন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।