বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গবির বাংলা বিভাগে নিয়মবহির্ভূতভাবে ক্লাস নিচ্ছেন আর্কাইভসের গবেষক

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) বাংলা বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ ছাড়াই ক্লাস নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর্কাইভসের সহকারী গবেষক খাদিজাতুল কুবরা মিম গত ২৯ অক্টোবর থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিভাগটিতে শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ নভেম্বর ২০২৫, ২১:৪১

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) বাংলা বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ ছাড়াই ক্লাস নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর্কাইভসের সহকারী গবেষক খাদিজাতুল কুবরা মিম গত ২৯ অক্টোবর থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিভাগটিতে শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি। তবে বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক মনসুর মুসার তত্ত্বাবধানে ‘আপদকালীন সময়’ দেখিয়ে মিমকে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ইউজিসির নিয়োগ বিধি অমান্য করে বাংলা বিভাগের তিনটি সেমিস্টারে নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন তিনি।

খাদিজাতুল কুবরা মিম বলেন, “কবিতা (কবিসতারা খাতুন) ম্যাম অসুস্থ থাকায় বিশেষ প্রয়োজনে আমাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই নিয়োগটাতে মূলত প্রাথমিক ভাবে ক্লাস নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়োগের বিষয়ে আমি আগে থেকে অবগত ছিলাম না প্রশাসন থেকে আমাকে ক্লাস নেয়ার জন্য একটি চিঠি দেয়া হয় এর পর থেকে আমি ক্লাস নিচ্ছি।”

নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, বিভাগটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম দেলোয়ার হুসাইনের অবর্তমানে বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন অধ্যাপক মনসুর মুসা। ঠিক তখনই বিভাগে শিক্ষক সংকট উল্লেখ করে খাদিজাতুল কুবরাকে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি প্রদানের জন্য প্রশাসন বারাবর চিঠি লেখেন তিনি। পরবর্তীতে খাদিজাতুল কুবরাকে নিয়োগ বিধি ছাড়াই ‘আপদকালীন’ সময় দেখিয়েই ক্লাস নেওয়ানো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে অধ্যাপক মনসুর মুসা জানান,”মীম (খাদিজাতুল কুবরা) কোনো অফিসিয়াল দায়িত্বে নেই। সে শুধু ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর্কাইভ’সের দায়িত্বে আছেন। তার ক্লাস নেওয়ার যোগ্যতা আছে। শিক্ষিকার (কবিসতারা খাতুন) অনুপস্থিতিতে মানবিক জায়গা থেকেই তাকে ক্লাস নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

জানা গেছে, মানবিক জায়গার কথা বলা হলেও প্রভাষক কবিসতারা খাতুনের দীর্ঘ অসুস্থতায় অথবা শিক্ষক সংকট দেখিয়ে কোনো নিয়োগের আবেদন আসেনি সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে।

তবে খাদিজাতুল কুবরার নিয়োগের ব্যপার অজানা বলে জানিয়েছেন কলা অনুষদের ডিন নিলুফার সুলতানা। তিনি বলেন, “আমাদের কোনো বিভাগে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। নতুন কোন শিক্ষক যদি ক্লাস নিয়ে থাকে তাহলে আমি এই বিষয়ে অবগত নই।”

নিয়োগ ছাড়াই কোনো মারফত দেখিয়ে যে কেউ-ই ক্লাস নিতে পারবেন কিনা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন বলেন, “খাদিজাতুল কুবরা মিমকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিভাগে শিক্ষক জনিত সংকট জানিয়ে অধ্যাপক মনসুর মুসা তাকে (খাদিজাতুল কুবরা) ক্লাস নেওয়ার অনুমতি প্রসঙ্গে জানিয়েছেন। ‘আপদকালীন সময়ে’ তাকে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এ কাজে তাকে কোনো আলাদা বেতন-ভাতা দেওয়া হবেনা। এবং বিভাগ থেকেও শিক্ষক স্বল্পতার জন্য নতুন নিয়োগের জন্যও আবেদন জানানো হয়নি।”

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যে কোনো বিভাগেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসলে তা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়, যথাযথ নিয়ম মেনেই সে অনুযায়ী নিয়োগ সম্পন্ন হবে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।