মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

বাংলাদেশে ইসকনের অস্তিত্ব এবং বিশ্বের যেসব দেশে নিষিদ্ধ ‘ইসকন’

চীনে ইসকনের কার্যক্রমের অনুমতি নেই, কারণ দেশটি বিদেশি ধর্মীয় সংগঠনের প্রকাশ্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। মালয়েশিয়াতেও ইসকন নিষিদ্ধ, সংগঠনটির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ রয়েছে

নিউজ ডেস্ক

০১ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৫৫

ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস বা ইসকন (আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ) প্রতিষ্ঠিত হয় প্রায় ৫৮ বছর আগে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় শতাধিক দেশে সংগঠনটির কার্যক্রম রয়েছে, যদিও কিছু দেশে এটি নিষিদ্ধ।

ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ। ১৯৬৬ সালের ১৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ইসকন মূলত বৈষ্ণব ধর্মের একটি শাখা, যার আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় চর্চার মূল কেন্দ্র ভগবান কৃষ্ণ।

ভক্তিযোগ বা কৃষ্ণভাবনামৃত সংস্কৃতি হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করে এসেছে ভারতবর্ষে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সংস্কৃতি ভারত সীমা পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসকন একটি প্রভাবশালী ধর্মীয় সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

ইসকনের কর্মসূচি ও কার্যক্রম

ইসকনের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মন্দির স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ, শ্রীমদ্ভগবদগীতা প্রচার, ভক্তিমূলক ধর্মচর্চা, আধ্যাত্মিক উপদেশ, এবং দাতব্য কার্যক্রম। সংগঠনটি যোগব্যায়াম, ভক্তি শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক জীবনধারার প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচিও পরিচালনা করে।
এছাড়া, তারা সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অভাবীদের মাঝে বিনামূল্যে নিরামিষ খাদ্য বিতরণ করে থাকে, যা তাদের অন্যতম মানবিক উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত।

যেসব দেশে নিষিদ্ধ ইসকন

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে ইসকন নিষিদ্ধ ছিল। তবে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর সংগঠনটি রাশিয়া ও অন্যান্য প্রাক্তন সোভিয়েত রাষ্ট্রে পুনরায় সক্রিয় হয়।
চীনে ইসকনের কার্যক্রমের অনুমতি নেই, কারণ দেশটি বিদেশি ধর্মীয় সংগঠনের প্রকাশ্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে।
মালয়েশিয়াতেও ইসকন নিষিদ্ধ, সংগঠনটির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া শিয়াশাসিত ইরান, সৌদি আরব ও আফগানিস্তানেও ইসকনের কার্যক্রমের অনুমতি নেই।

যেসব দেশে আংশিক নিষিদ্ধ

ইন্দোনেশিয়ায় ইসকন আংশিকভাবে নিষিদ্ধ। কিছু নির্দিষ্ট শর্ত ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে সংগঠনটি সেখানে কার্যক্রম চালাতে পারে।
তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান ও তুর্কমেনিস্তানেও ইসকনের কার্যক্রম কঠোর নজরদারির আওতায় পরিচালিত হয়।

যেসব দেশে সক্রিয় ইসকন

ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ব্রাজিল, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া, উগান্ডা, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই ও ইসরাইলসহ বিশ্বের বহু দেশে ইসকন অত্যন্ত সক্রিয়।
এছাড়া মেক্সিকো, কানাডা, জাপান, থাইল্যান্ড, মরিশাস, ফিজি, আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়াতেও সংগঠনটির কার্যক্রম বিস্তৃত।

বাংলাদেশে ইসকনের উপস্থিতি

বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রম শুরু হয় সত্তরের দশকের শুরুতে। বর্তমানে দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি মন্দির পরিচালনা করছে সংগঠনটি। রাজধানী ঢাকার স্বামীবাগ মন্দির ইসকনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রগুলোর একটি।
বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ধর্মপ্রচার, রথযাত্রা উৎসব, মন্দির পরিচালনা এবং কৃষ্ণভক্তদের জন্য নিয়মিত পূজা ও আধ্যাত্মিক সাধনা। স্বামীবাগ মন্দিরে ভক্তরা প্রতিদিন কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করেন এবং ভগবানের সেবা করে থাকেন।

অন্যান্য

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন। সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ […]

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৬, ১০:৫২

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ভোলা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন গোলাম পরওয়ার। ভোলা সদর আসনের এমপি পার্থকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ভোলার মানুষের কাছে আসেন না, উলটো মানুষকে কষ্ট করে ঢাকায় যেতে হয় তার কাছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সংসদে ভোলার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো দাবি জানান না, অথচ সরকারকে খুশি করতে সুযোগ পেলেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কথা বলেন।

এদিকে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে একটি মিথ্যা কথা বলে গেলেন। এতো বড় মিথ্যা কথা ভোলার মানুষ আর শোনেনি বলে আমার মনে হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই বরিশালের জনসভায় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-বরিশাল সেতুর কথা বলেছেন। তিনি জাতীয় সংসদে ভোলা-বরিশাল সেতু, মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনসহ ভোলার নানা সমস্যার কথা সংসদে তুলে ধরেছেন। যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তো সময়ের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি জানতে চাই, গোলাম পরওয়ার কিভাবে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন অসত্য কথা প্রচার করেছেন। অথচ তার নিজের এলাকাতেই নিজের ঠাঁই নেই। নির্বাচন হয়েছে সবেমাত্র কয়েকমাস হল, অথচ গোলাম পরওয়ার আলাদিনের চেরাগের মতো সব দেখতে চান। বাংলাদেশের মানুষ যদি তাদের সব কথা বিশ্বাস করতো, তাহলে তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকতো। আমি মনে করি, জামায়াতের ভাওতাবাজির কথা এদেশের মানুষ কোনোদিন গ্রহণ করে নাই। ভোলার উন্নয়নের জন্য পার্থর বিকল্প আর কেউ নেই।  এছাড়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান ও জানান তিনি।

সমাবেশে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোত্তাছিন বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মো. নুরনবী। ভোলা সদর উপজেলার বিজেপির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সাধারণ সম্পাদক মো.বুলবুল প্রমুখ বক্তব্য দেন। এছাড়া বিজেপি ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য

যোগ সমগ্র বিশ্বের ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক: নরেন্দ্র মোদি

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, যোগ কেবল ব্যক্তিগত সুস্থতার মাধ্যম নয়, বরং এটি সমগ্র বিশ্বের ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। রোববার (২১ জুন) সকালে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগচর্চায় অংশ নেন। সমবেত জনতার উদ্দেশে মোদি […]

যোগ সমগ্র বিশ্বের ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক: নরেন্দ্র মোদি

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

২১ জুন ২০২৬, ১১:২৯

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, যোগ কেবল ব্যক্তিগত সুস্থতার মাধ্যম নয়, বরং এটি সমগ্র বিশ্বের ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক।

রোববার (২১ জুন) সকালে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগচর্চায় অংশ নেন।

সমবেত জনতার উদ্দেশে মোদি বলেন, “যোগ শুধু একজন ব্যক্তির সুস্থ জীবন নিশ্চিত করে না, এটি মানবজাতির জন্য একটি ইতিবাচক ও শান্তিময় ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনাও প্রদান করে।”

২১ জুনকে বছরের দীর্ঘতম দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যোগ আজ সারা বিশ্বকে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বাংলার মহান মনীষীদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন।

এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের কর্মক্ষমতা ও সম্ভাবনা যাতে কমে না যায়, সে লক্ষ্য অর্জনে যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, “আমাদের এমন জীবনধারা গড়ে তোলা উচিত, যাতে ৫০ বছর বয়সেও ৩০ বছরের মানুষের মতো কর্মক্ষম থাকা সম্ভব হয়।”

নিয়মিত যোগচর্চার বিভিন্ন উপকারিতার কথা তুলে ধরে মোদি বলেন, এটি শরীরকে নমনীয় রাখে, ক্লান্তি দূর করে, মানসিক চাপ কমায় এবং জীবনযাপনজনিত নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। একই সঙ্গে এটি মানুষের মধ্যে ইতিবাচক শক্তি ও মানসিক স্থিতি গড়ে তোলে।

তিনি আরও বলেন, সুস্থ বার্ধক্যের ধারণা কেবল প্রবীণদের জন্য নয়; সব বয়সী মানুষের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিমিত জীবনযাপন এবং নিয়মিত ঘুম ও জাগরণের অভ্যাসের সঙ্গে যোগচর্চা যুক্ত হলে তা একটি স্বাস্থ্যকর জীবন নিশ্চিত করতে পারে।

মোদি বলেন, “যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম নয়; এটি আত্মনিয়ন্ত্রণ, মানসিক স্থিরতা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথ দেখায়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

যোগ দিবসকে শুধু একটি বার্ষিক আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি ‘যোগ ৩৬৫’ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন। এ উপলক্ষে একটি ১০০ দিনের অনলাইন যোগ কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যেখানে বিশ্বের ১৩০টি দেশের অংশগ্রহণকারী যুক্ত হয়েছেন বলে তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী সুস্বাস্থ্য, সম্প্রীতি ও শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

অন্যান্য

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ […]

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৮ জুন ২০২৬, ১৯:৩৭

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন। অন্যদিকে আশরাফুল ইসলামকে মরাপুড়ি ডোবা এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, বজ্রপাতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বাঘমারা এলাকার জুড়ি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন জেলে প্রাণ হারান। নিহতরা হলেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কামালপুর গ্রামের ছাবির মিয়া (৪০), হামিদ (৪৫) ও কাবিল (৩৫)। হামিদ ও কাবিল আপন দুই ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে বৃষ্টির মধ্যে হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরার সময় তারা বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই ছাবির মিয়া ও হামিদের মৃত্যু হয়। বজ্রপাতের পর কাবিল নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে তাকে মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয় এবং উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।