বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

মোঃরবিউল আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুবিল ইউপির বুড়িরপাড় গ্রামের আওয়ামী লীগের আবুলকালাম আজাদের সহচর কুখ্যাত সন্ত্রাসী কথিত ডাক্তার মোস্তফা, তানজিল নেয়ামতগংদের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধের জন্য রাজপথে নেমেছেন বুড়িরপার গ্রামের ঈঁদগাহ বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগন। কুমিল্লর দেবিদ্বার উপজেলার বুড়িরপাড় ঈঁদগা সংলগ্ন দেবিদ্বার আঞ্চলিক সড়কে শনিবার সকালে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী […]

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৪, ২০:৩০

মোঃরবিউল আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুবিল ইউপির বুড়িরপাড় গ্রামের আওয়ামী লীগের আবুলকালাম আজাদের সহচর কুখ্যাত সন্ত্রাসী কথিত ডাক্তার মোস্তফা, তানজিল নেয়ামতগংদের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধের জন্য রাজপথে নেমেছেন বুড়িরপার গ্রামের ঈঁদগাহ বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগন।

কুমিল্লর দেবিদ্বার উপজেলার বুড়িরপাড় ঈঁদগা সংলগ্ন দেবিদ্বার আঞ্চলিক সড়কে শনিবার সকালে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও সাধারন জনগন সন্ত্রাসী কথিত ডাক্তার মোস্তফা ও তানজিল গংদের হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে, পরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুখ্যাত আওয়ামী সন্ত্রাসী সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের অন্যতম সহচর দ্বারা স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লুটতরাজ হামলা মামলার শিকার।

বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল ও স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একটি বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। এ সময় বিক্ষোভ মিছিল মুহুর্মুহু শ্লোগানে পুরো এলাকায় প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। মিছিলকারীরা চাঁদাবাজ ও হামলা মিথ্যামামলা, লুটপাটকারীদের হুঁশিয়ার ও গ্রেফতারের দাবিতে শ্লোগান দেন। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপও কামনা করেন

এসময় স্থানীয় সকল শ্রেণী পেশার মানুষ বলেন ফ্যাসীবাদী সরকারের সহচর সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের পালিত সন্ত্রাসীদের অত্যাচার থেকে ৫০ বছর পূর্বের নির্মিত ঈঁদগাহ দখলের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এসময় ভুক্তভোগী রা জানায় সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে রাজি না হওয়া ব্যবসায়ী সততা সেনিটারি মার্ট এর স্বতাধিকার মো মোশাররফ হোসেন সহ অন্যান্য দের উপর অত্যাচার বাড়িয়ে দেয়।

এব্যাপারে মোশাররফ হোসেন বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনের পরবর্তী সময় থেকে এপর্যন্ত আমার কাছে সন্ত্রাসীরা ৫ লক্ষ টাকা চাদা দাবি করে আমি তাদেরকে বলি আমার তো এতো টাকা দেওয়ার মতো সামর্থ নাই, এই কথা বলাতে তারা গত রবিবার সকালে আমার দোকানের সমস্ত মালামাল ভাংচুর করে এবং লুটতরাজ করে। এসময় স্থানীয় এবং আমার স্বজনেরা প্রতিবাদ করতে আসলে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে,

আহতরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে, আমি আমাদের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসীদের বিচার এবং শাস্তি দাবি করছি। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শেষে ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের বলেন তাদের হুমকিতে ব্যবসায়ীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।গ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামতে বাধ্য হয়েছেন। সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ অনেক ব্যবসায়ীরা এরই মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে মার্কেট ছেড়ে চলে গেছে।

বুড়িরপার ঈদগাহ বাজারের সভাপতি মো:আওয়াল সরকার বলেন বাজারের একটা কমিটি রয়েছে সেই কমিটির ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদেরকে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের সন্ত্রাসী বাহিনী লোক রয়েছে। এরা ব্যবসায়িদেরকে নানা ভাবে হয়রানি করে, কিছু দিন আগে এক টায়ার দোকানীকে মারধর করে, আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি, আমরা এদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে পরিত্রাণ চাই। বাজার সেক্রেটারি মো খোরশেদ আলম বলেন গত শনিবার সন্ধ্যায়

জসিমের সাথে ১০ টাকা নিয়ে ঝগড়া লেগে তাকে মারধর করে, পড়ে যাওয়ার সময় শোডাউন দিয়া যায় আর স্লোগান দিয়া কয় একজন একজন কইরা মারবি একটা কইরা মিস্টি খাইবি, এর পরের দিন সততা সেনিটারির মালিক মোশাররফের লগে ঝগড়া লাগলো, তার উপর হামলা করে তার ৫-৭ লাখ টাকার মালমাল ভেঙে ফেলেছে আমরা এসব সন্ত্রাসীদের বিচার চাই। মানববন্ধনে উপস্থিত প্রবাসী মো:এরশাদ তিনি বলেন আমি দীর্ঘ

৩০ বছর যাবৎ প্রবাসে ছিলাম বর্তমানে দেশে আসার পরেও তাদের এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারনে আমরা বাড়িঘরে থাকতে পারিনা, তারা মানুষের দোকানপাট ভাংচুর করে, আমাদের লোক পাইলে মাইরধর করে,আমরা সন্ত্রাসীদের বিচার চাই। মো:সালেহ আহম্মদ বলেন পূর্বেও তারা নির্বাচনী বিষয় নিয়ে নানজ রকম সন্ত্রাসী

কার্যকলাপ হরে আসতো, এখনো স্থানীয় লোকজন তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ, গত রবিবারে পূর্বপাড়ার ব্যবসয়ী মোশাররফ মিয়ার দোকান ভাংচুর করে, লুটতরাজ করে, আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিচার চাই, স্থানীয় দোকানী মো রাসেল বলেন সন্ত্রাসীরা দোকান পাট ভাংচুর কইরা যায় আর জিগাইরা জিগাইরা যায় আর বলতাছে পূর্ব পাড়ার যারে পাবি তারেই পিডাবি। এ বিষয়ে বুধবার কুমিল্লা জজকোর্ট মোস্তফা ও তানজিল নেয়ামত গংদের বিরুদ্ধে

দ্রুত বচার আইনে মামলা হয়েছে। এব্যাপার দেবিদ্বার থানা ইনচার্জ খালেদ সাইফুল্লাহ জানান আমি এখনো কোন কিছু জানিনা,আমার কাছে আদালত থেকে যে নির্দেশ আসবে দেখে আইনগত ব্যাবস্থা নিবো।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার […]

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ১০:১০

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয়

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে পল্লবী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য লামিসাকে খুঁজতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে বাসার দরজার সামনে শিশুটির একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সন্দেহ থেকে পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন, কিন্তু দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। মায়ের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শিশু লামিসার মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।

এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্ভবত বাথরুমে শিশুটির সঙ্গে মূল আসামির অবৈধ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়েছে। শিশুটির সঙ্গে আসামির কোনো যৌন ক্রিয়া হয়েছে কি না তা পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা যাবে।’

মরদেহ টুকরো করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পরবর্তীতে মরদেহ লুকানোর জন্যই সম্ভবত মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত কেটে টুকরো করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু শিশুটির মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তিনি।’

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, ধর্ষণের কারণে শিশুটির রক্তপাত শুরু হলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।’

গ্রেপ্তার সোহেল রানার চরিত্র সম্পর্কে পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন একটা লোক। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্নভাবে টর্চার করেছেন।’

ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের প্তুল্লা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ, সিআইডি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।