শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

এই রাষ্ট্রের সমস্যাগুলোর মূল কারণ হচ্ছে অদক্ষ নেতৃত্ব, অনেক কিছু পরিবর্তন করতে হবে: আজহারী

“আমাদের দেশে যত বড় নেতা, দেখা যায় তত বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত, তত বেশি টাকা পাচারের রেকর্ডও তার নামে থাকে। যেখানে নেতাদের আমানতদার হওয়ার কথা, সেখানে এখন সেই গুণটাই বিলীন হয়ে গেছে।”

নিউজ ডেস্ক

৩০ অক্টোবর ২০২৫, ০১:০৪

জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন,

“আমাদের দেশে যত বড় নেতা, দেখা যায় তত বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত, তত বেশি টাকা পাচারের রেকর্ডও তার নামে থাকে। যেখানে নেতাদের আমানতদার হওয়ার কথা, সেখানে এখন সেই গুণটাই বিলীন হয়ে গেছে।”

বুধবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের মিলনায়তনে মিনার কর্তৃক আয়োজিত সীরাত মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে তিনি নেতৃত্বের গুণাবলি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

আজহারী বলেন, “নেতা বলতে বোঝায় অন্যকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা। আমরা যদি কাউকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারি, তাহলে আমরাও নেতা হতে পারি। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে অদক্ষ নেতৃত্ব। যদি যথাযথ নেতৃত্ব তৈরি করা যেত, তবে আজ এই সংকটগুলো থাকত না।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে অনেক কিছু পরিবর্তন করতে হবে। নতুন বাংলাদেশে এখন এক চমৎকার সময় এসেছে, আর অন্তত ৫৪ বছরেও এমন সুযোগ আসবে না। তাই আমাদের উচিত রাসূল (সা.)-এর জীবনী থেকে শিক্ষা নেওয়া। আমাদের নেতাদের হতে হবে আমানতদার, তাদের জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে, যেমনভাবে রাসূল (সা.) নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।”

রাসূল (সা.)-এর জীবনের উদাহরণ টেনে আজহারী বলেন, “নবুয়তের আগে তিনি খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে ব্যবসায় পার্টনারশিপে ছিলেন। খাদিজা (রা.) বিনিয়োগ করতেন, নবীজি (সা.) শ্রম দিতেন। একবার ব্যবসায়িক কাজে সিরিয়ায় গেলে খাদিজা (রা.) তাঁর চরিত্র ও আচরণ পর্যবেক্ষণের জন্য মাইসারা নামে এক বিশ্বস্ত বান্ধবীকে পাঠান। মাইসারা ফিরে এসে নবীজি (সা.)-এর সততা ও আমানতদারিতার এমন প্রশংসা করেন যে, খাদিজা (রা.) পরবর্তীতে তাঁকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। আমাদের নেতাদের এমনই হতে হবে—সৎ, আমানতদার এবং নৈতিকতায় দৃঢ়।”

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সীরাত মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম আবদুল কাদের। প্রধান অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. এনায়েত উল্লাহ পাটোয়ারী, আরবি বিভাগের সভাপতি গিয়াস উদ্দীন তালুকদার, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুমতাজ উদ্দীন কাদেরী, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এনামুল হক, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, মিনারের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং সহসভাপতি মোহাম্মদ পারভেজ।

অন্যান্য

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং […]

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ২০:৫২

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং সংসদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সেগুলো প্যাকেজ আকারে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো দিয়েছি, কিন্তু কোনোটি গৃহীত হতে দেখিনি। সময়ের সদ্ব্যবহার ও রেওয়াজের প্রতি সম্মান রেখে আমরা সব ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করছি।”

এরপর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানান, ট্রেজারি বেঞ্চ বিষয়টি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দাবির পর ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো সরাসরি ভোটে উপস্থাপন করা হবে।

পরে স্পিকার দাবি নম্বর ৩৪ উত্থাপনের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

অন্যান্য

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন। সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ […]

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৬, ১০:৫২

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ভোলা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন গোলাম পরওয়ার। ভোলা সদর আসনের এমপি পার্থকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ভোলার মানুষের কাছে আসেন না, উলটো মানুষকে কষ্ট করে ঢাকায় যেতে হয় তার কাছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সংসদে ভোলার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো দাবি জানান না, অথচ সরকারকে খুশি করতে সুযোগ পেলেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কথা বলেন।

এদিকে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে একটি মিথ্যা কথা বলে গেলেন। এতো বড় মিথ্যা কথা ভোলার মানুষ আর শোনেনি বলে আমার মনে হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই বরিশালের জনসভায় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-বরিশাল সেতুর কথা বলেছেন। তিনি জাতীয় সংসদে ভোলা-বরিশাল সেতু, মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনসহ ভোলার নানা সমস্যার কথা সংসদে তুলে ধরেছেন। যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তো সময়ের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি জানতে চাই, গোলাম পরওয়ার কিভাবে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন অসত্য কথা প্রচার করেছেন। অথচ তার নিজের এলাকাতেই নিজের ঠাঁই নেই। নির্বাচন হয়েছে সবেমাত্র কয়েকমাস হল, অথচ গোলাম পরওয়ার আলাদিনের চেরাগের মতো সব দেখতে চান। বাংলাদেশের মানুষ যদি তাদের সব কথা বিশ্বাস করতো, তাহলে তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকতো। আমি মনে করি, জামায়াতের ভাওতাবাজির কথা এদেশের মানুষ কোনোদিন গ্রহণ করে নাই। ভোলার উন্নয়নের জন্য পার্থর বিকল্প আর কেউ নেই।  এছাড়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান ও জানান তিনি।

সমাবেশে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোত্তাছিন বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মো. নুরনবী। ভোলা সদর উপজেলার বিজেপির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সাধারণ সম্পাদক মো.বুলবুল প্রমুখ বক্তব্য দেন। এছাড়া বিজেপি ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযোগ […]

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ১২:১৮

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে প্রবেশ করলে এক শিক্ষার্থী তাকে সেখানে দেখতে পান। পরে তিনি অভিযুক্তের পরিচয় ও সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চাইলে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ধারণ করা একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়। এছাড়া ফোনে এমন কিছু টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্যও পাওয়া গেছে, যেগুলোর সঙ্গে এ ধরনের ভিডিও আদান-প্রদানের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। মোবাইলে পূর্বে ধারণ করা নারীদের আরও কিছু ভিডিওও পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টোরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর আলী বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা হওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।