সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও বিএনপির সিনিয়র নেতা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, “যতই উসকানি দেওয়া হোক না কেন, আমরা ২০০১ সালে যেমন (জামায়াত-বিএনপি) বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি। বন্ধু বন্ধু ভোট করব, আর যে নির্বাচিত হবে, তার রায় সবাই মেনে নেব।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের তাহিরপুর তা’মীরুল উম্মাত ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “প্রফেসর ইউনূস সরকারের অধীনে দেশে একটি ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে। কারণ, এখন দেশে শেখ হাসিনা নেই, আওয়ামী লীগের সেই পাণ্ডারাও নেই, যারা মাদ্রাসা শিক্ষক ও সাধারণ মানুষকে জোর করে দল করতে বাধ্য করেছিল। আজ তারা কেউ নেই, তাই নির্ভয়ে সবাই ভোট দিতে পারবে।”
জয়নুল আবদিন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, “যারা আপনাদের নেতাদের ফাঁসি দিয়েছে, তারাই আমার দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে আয়না ঘরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। আমাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, কিন্তু আমরা শত্রু নই। এই দেশে ইসলাম, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারের পক্ষে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সভাপতি আতাউর রহমান সুজন। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার আবদুল আজিম চৌধুরী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি মনির আহম্মেদ, এবং সাবেক অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।