রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

‘প্রসিকিউশন বলেছে গ্রেপ্তার, আমরা বলি আত্মসমর্পণ’: ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে নিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন সেনা কর্মকর্তারা— এমন মন্তব্য করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সারোয়ার হোসেন বলেন, “তারা স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়েছেন। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেনি, বরং প্রশাসনিক সুবিধার জন্য […]

‘প্রসিকিউশন বলেছে গ্রেপ্তার, আমরা বলি আত্মসমর্পণ’: ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে নিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ অক্টোবর ২০২৫, ১২:১৩

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন সেনা কর্মকর্তারা— এমন মন্তব্য করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

সারোয়ার হোসেন বলেন, “তারা স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়েছেন। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেনি, বরং প্রশাসনিক সুবিধার জন্য একসঙ্গে গাড়িতে করে আনা হয়েছে।”

তিনি জানান, ৮ অক্টোবর তিনটি মামলায় ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। সেই মামলাগুলোতে সেনা সদর কর্তৃপক্ষ আসামিদের হেফাজতে নেয়। আজ ছিল নির্ধারিত শুনানির দিন। “এই তারিখে তারা আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে হাজির হয়েছেন, এটিই আত্মসমর্পণ,” বলেন তিনি। আদালত তাদের ওকালতনামা গ্রহণ করে তিনটি আবেদন শুনানির জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছে—এর মধ্যে একটি জামিন আবেদনও রয়েছে।

এদিন সকাল ৮টার পর তিনটি মামলার শুনানি শুরু হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “১৫ আসামিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ট্রাইব্যুনালে হাজির করেছে। এদের মধ্যে ১০ জন টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতনের মামলার, তিনজন জেআইসি মামলার, এবং দুইজন জুলাই-আগস্টের রামপুরা হত্যাকাণ্ড মামলার আসামি।”

তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের হাজিরের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে বিজ্ঞাপন ছাপা হবে এবং পরবর্তী শুনানি ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। রামপুরা হত্যাকাণ্ড মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ নভেম্বর।

প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের বক্তব্যের ভিন্নতা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রসিকিউশন বলছে, এটি ‘গ্রেপ্তার’; আর আসামিপক্ষের দাবি, এটি ‘আত্মসমর্পণ’। ব্যারিস্টার সারোয়ার বলেন, “তাদের সেনানিবাসে ঘোষিত সাবজেলে নেওয়া হবে। এটি আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে আত্মসমর্পণের উদাহরণ।”

উল্লেখ্য, ৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল তিনটি মামলায় মোট ৩৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এর মধ্যে ২৫ জনই সেনা কর্মকর্তা। সেনা সদর ১১ অক্টোবর জানায়, তারা ১৫ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়েছে। ভোর থেকে কাকরাইল, মৎস্য ভবন ও পল্টন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান ও বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

আইন-আদালত

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আদালতে করা রিট আবেদনে বলা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা একটি পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত বছর এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, কয়েকজন পরিচালক ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের বিদেশযাত্রায়ও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাদের দেশত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট […]

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩০

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সিআইডির দাবি, ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই। গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত […]

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:২০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই।

গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা আপিল করেননি, তারা পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ পাবেন না।

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসঙ্গতি হবে না বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।