শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালের দৌরাত্ম

মুন্সীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর দালালের দৌরাত্মে সেবা গ্রহিতারা নানা বিড়ম্বনায়। আর আগুনে ভস্মীভূত নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের দুই উপজেলার সেবা দিচ্ছে মুন্সীগঞ্জ অফিস। এতে দালাল চক্রের তৎপরতা বেড়েগেছে। তাই হয়রানির শিকার হচ্ছে অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ। জনবলের অভাবের দোহাই দিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। অসহনীয় পরিবেশে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেবা গ্রহীতাদের। বিশৃঙ্খল পরিবেশেই কাগজপত্র […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৪, ২৩:০০

মুন্সীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর দালালের দৌরাত্মে সেবা গ্রহিতারা নানা বিড়ম্বনায়। আর আগুনে ভস্মীভূত নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের দুই উপজেলার সেবা দিচ্ছে মুন্সীগঞ্জ অফিস। এতে দালাল চক্রের তৎপরতা বেড়েগেছে। তাই হয়রানির শিকার হচ্ছে অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ। জনবলের অভাবের দোহাই দিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।

অসহনীয় পরিবেশে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেবা গ্রহীতাদের। বিশৃঙ্খল পরিবেশেই কাগজপত্র জমা নেয়া হচ্ছে। সেখান থেকে ক্লিয়ারেন্স পেলে আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ ও ছবি তোলার জন্য আরও লম্বা লাইন। জমা দেওয়ার পর আবার কারও কারও কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আবার অনেকে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্তের পর নির্ধারিত তারিখে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে এসেও ফিরে যাচ্ছেন। টুকিটাকি কিছু ভুলের কারণ দেখিয়েও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ সেবা গ্রহীতাদের।

কর্তৃপক্ষ বলছে, ভুল সংশোধন করা পাসপোর্ট ঢাকায় পেন্ডিং আছে ৩ শতাধিক। এগুলো আসতে কিছুটা বিলম্ব হয়। কিন্তু সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগ দালালের মাধ্যমে আবেদন করলে সহজেই পাসপোর্ট মিলে।
পাসপোর্ট করতে আসা এক ভোক্তভোগী বলেন, ‘দালাল ছাড়া যদি আসি। তাহলে আমার পাসপোর্টটাই হবে না। যারা দেশে আছে তাদেরটাও না, আমরা যারা প্রবাসী আছি তাদেরটাও না।

দালাল ছাড়া যদি আমরা এখানে আসি শুধু ঘুরতে হবে। আমাদের পাসপোর্ট জীবনেও হবে না সেটা আমরা ভালো করে জানি। অবশ্যই সিস্টেম চেঞ্জ করা উচিত।

পাসপোর্ট করতে আসা আরেক যুবক বলেন, ‘পাসপোর্ট অফিসের রাস্তা থেকে জিজ্ঞেস করে পাসপোর্ট বানাবেন। টাকা দেন ক্লিয়ার করে দেই। দালালকে দিলে ৫ মিনিটেই হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ নিজেরটা নিজে নিজে আসে। ওইটা ৫ ঘণ্টাতেও হয় না। শত শত লোক এসে দাঁড়িয়ে আছে। বসার কোনো ডিসিপ্লিন নাই।’
মধ্যবয়সী এক সেবাগ্রহীতা বলেন, ‘জেনুইনভাবে পাসপোর্ট করতে আসা লোক এখানে অপমান অপদস্ত ছাড়া আর কিছুই হয় না। দালালদের ২০০/৫০০ টাকা দিলে ১০ মিনিটের ভিতরে কাজ হয়ে যায়।

এটাতো বাংলাদেশের জনগণ আশা করে না। এখানে কোনো নিয়মনীতি নাই। অনেকেই দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে অসুস্থ হয়ে গেছে।’
পাসপোর্ট করতে আসা এক নারী সেবাগ্রহণকারী বলেন, ‘যখন দালালের মাধ্যমে পাসপোর্টের মাধ্যমে আবেদন করি। তখন দালালকে ১২ হাজার টাকা দেই। ১২ হাজার টাকায় ১৪ দিনে পাসপোর্ট খুব সহজেই পেয়ে যাই। এখন পাসপোর্ট পেয়ে খুব ভালো লাগছে।’

পাসপোর্ট করতে আসা এক নারী সেবাগ্রহণকারী বলেন, ‘যখন দালালের মাধ্যমে পাসপোর্টের মাধ্যমে আবেদন করি। তখন দালালকে ১২ হাজার টাকা দেই। ১২ হাজার টাকায় ১৪ দিনে পাসপোর্ট খুব সহজেই পেয়ে যাই। এখন পাসপোর্ট পেয়ে খুব ভালো লাগছে।’
আরেক পাসপোর্ট আবেদনকারী বলেন, ‘এটা একটা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। এখানে রুম রয়েছে
পর্যাপ্ত। কিন্তু অপারেটরের সংখ্যা সীমিত। এখানে আমরা আরও বেশি অপারেটর চাই। যাতে জনগণকে জিম্মি করা না হয়। অপারেটর বেশি থাকলে জনগণ বেশি সেবা পাবে। এতে আমরা উপকৃত হবো।’

আর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের থেকে আসা সরকারি চাকরিজীবী আনোয়ারা আক্তার অভিযোগ করে জানান, তার ছবির সাথে ঢাকার উত্তরার পশ্চিম আব্দুল্লাপুরের রেহানা আক্তারের চেহারার মিল থাকায় দীর্ঘদিন ঘুরেও পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। এছাড়া একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন- তাদের ফাইল জমা দেয়ার পরও দিন শেষে ফাইল খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে নানাভাবে ধর্ণা দেয়ার পর ফাইল বের হয়।

অফিসটিতে নিয়ম শৃঙ্খলার কোনো বালাই নেই, ফ্রি স্টাইল চলছে উল্লেখ করে সিরাজদিখান থেকে এসা এক মালেশিয়া প্রবাসী প্রশ্ন করে বলেন, এভাবে একটা পাসপোর্ট অফিস চলতে পারে?

মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটির উপপরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন খন্দকার
বলেন, ছাত্র আন্দোলনে পুড়িয়ে দেয়া নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস ৪ মাসেও চালু করা যায়নি। তাই নারয়ণগঞ্জের বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষ পাসপোর্ট করতে আসেন মুন্সীগঞ্জে। বাড়তি চাপ আবার জনবল সঙ্কটে সমস্যায় পরতে হচ্ছে।

এছাড়া প্রতিদিন পাসপোর্ট অফিসে পুলিশ দেয়া হলেও বেশ কিছুদিন দেয়া হচ্ছে না। স্বল্প সংখ্যক আনসার কুলিয়ে উঠতে পারছে না। এছাড়া দালালের দৌরাত্ম্য নিয়ে তিনি বলেন, অফিসের ভেতরে কোনো দালাল নেই। বাইরের বিষয়তো আমাদের কন্ট্রোলে নেই।

তিনি জানান, গেল অক্টোবর মাসে মুন্সীগঞ্জ অফিস থেকে প্রায় ৮ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। এ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন এখন গড়ে ৩শ’ আবেদন জমা পড়ে। নারায়ণগঞ্জের পাসপোর্টটি গত ১৭ জুলাই পুড়িয়ে দেয়া হয়। তাই এখন নারয়ণগঞ্জের ৭ উপজেলাকে ৩টি স্থানে পাসপোর্টের কার্যক্রম স্থান্তর করা হয়েছে।

এরমধ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জ সদরের পাসপোর্টের কার্যক্রম চলছে। নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সোনারগাঁও, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দাদের পাসপোর্টের কার্যক্রম। আর মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে চলছে বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।