সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

অদৃশ্য যুদ্ধে সহমর্মিতার হাত : বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস

প্রতিদিনই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও একেকটি স্বপ্ন থেমে যাচ্ছে, ভেঙে পড়ছে পরিবার, হারিয়ে যাচ্ছে প্রিয় মানুষ—কারণ আত্মহত্যা। এই নীরব মহামারীর বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস। বাংলাদেশেও কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে এ প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা, সহমর্মিতা ও সময়মতো সহায়তাই পারে অনেক জীবন […]

অদৃশ্য যুদ্ধে সহমর্মিতার হাত : বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২২:০৭

প্রতিদিনই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও একেকটি স্বপ্ন থেমে যাচ্ছে, ভেঙে পড়ছে পরিবার, হারিয়ে যাচ্ছে প্রিয় মানুষ—কারণ আত্মহত্যা। এই নীরব মহামারীর বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস।

বাংলাদেশেও কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে এ প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা, সহমর্মিতা ও সময়মতো সহায়তাই পারে অনেক জীবন বাঁচাতে।

এই দিবস উপলক্ষে মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিয়া আহমেদের মতামত তুলে ধরেছেন শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মী সানজিদা খানম ঊর্মি।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫– বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হলো আত্মহত্যা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা শুরু করা এবং সংকটে থাকা মানুষদের পাশে দাঁড়ানো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় ৮ লাখ মানুষ আত্মহত্যার কারণে মৃত্যুবরণ করেন। গড়ে প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবীর কোথাও একজন মানুষ নিজের জীবন নিজেই শেষ করে দেন। এ সংখ্যা শুধুই পরিসংখ্যান নয়—প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে থাকে একটি ভাঙা পরিবার, অসহায় আত্মীয়স্বজন, বন্ধুরা এবং স্তব্ধ হয়ে যাওয়া স্বপ্ন। আত্মহত্যাকে তাই বিশেষজ্ঞরা “নীরব মহামারী” বলে উল্লেখ করেন।

আত্মহত্যার কারণ নানা ধরনের। মানসিক অবসাদ ও উদ্বেগ সবচেয়ে বড় কারণ হলেও এর সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক রোগ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সম্পর্ক ভাঙন, অর্থনৈতিক চাপ, বেকারত্ব, সামাজিক বৈষম্য, মাদকাসক্তি এবং সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়া অনলাইন নিপীড়নও বড় ভূমিকা রাখছে।

বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ডিজিটাল একাকীত্ব বা সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব আত্মহত্যার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তবুও সমাজে এসব বিষয়ে খোলামেলা আলোচনার অভাব রয়েছে। আত্মহত্যাকে এখনো অনেকে ‘পাপ’ বা ‘লজ্জাজনক’ বলে মনে করেন, অথচ এটি মূলত একটি মানসিক স্বাস্থ্য সংকট।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সঠিক পদক্ষেপ নিলে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। সমস্যার কথা বলার ও শোনার পরিবেশ তৈরি করা, কষ্টে থাকা মানুষকে বিচার না করে সহমর্মিতার সঙ্গে পাশে দাঁড়ানো, কাউন্সেলর বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া এবং আত্মহত্যা বিষয়ে সামাজিক ট্যাবু ভেঙে সচেতনতা গড়ে তোলা খুবই জরুরি।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, আত্মহত্যার প্রবণতা বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে বেশি। শিক্ষাগত ব্যর্থতা, পারিবারিক কলহ, প্রেমঘটিত জটিলতা, সামাজিক চাপ ও লজ্জা অনেককে ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে বড় একটি অংশ নারী, বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলের তরুণী। কিন্তু দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এখনো সীমিত। সরকারি হাসপাতালে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা অপ্রতুল, আর গ্রামীণ এলাকায় এ সেবা প্রায় অনুপস্থিত।

তবে কিছু উদ্যোগ ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে। হেল্পলাইন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, অনলাইন সাপোর্ট গ্রুপ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন শুরু হয়েছে। কিন্তু তা এখনো পর্যাপ্ত নয়।

আমাদের করণীয় হলো—সংকটে থাকা কাউকে একা না রাখা, আত্মহত্যার ইঙ্গিত বা চিন্তাকে অবহেলা না করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা ও নিয়মিত কাউন্সেলিং চালু করা এবং গণমাধ্যমে আত্মহত্যা সম্পর্কিত খবর পরিবেশনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা।

আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়। এটি সাময়িক সমস্যার জন্য একটি স্থায়ী সমাধান খোঁজার ভুল প্রচেষ্টা। সহমর্মিতা, ভালোবাসা এবং সময়মতো সহায়তার মাধ্যমে বহু জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

তাই আজকের এই বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসে আমাদের সবার প্রতিজ্ঞা হোক—মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করব, সংকটে থাকা মানুষকে সাহায্য করব, আর কোনো মানুষকে একাকীত্বের অন্ধকারে ফেলে রাখব না।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।