মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে সোনালী আশের জোয়ার : জমজমাট পাটের হাটে কৃষকের মুখে হাসি

“৮০ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করেছি। প্রায় ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বিক্রি করেছি ১ লাখ ১০ হাজার টাকার মতো। লাভ দেখে মনটা ভরে গেছে।”

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২৩:৫৮

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার শতবর্ষী দিঘীরপাড় পাটের হাট আবারও জমজমাট হয়ে উঠেছে। সোনালী আঁশে ছেয়ে গেছে হাটের প্রতিটি কোণ, নদীর ঘাট থেকে শুরু করে বাজারের ভেতর পর্যন্ত। ভোরের আলো ফুটতেই কৃষকরা মাথায় করে, আবার কেউবা নৌকায় বোঝাই করে পাট নিয়ে ভিড় জমাচ্ছেন এই প্রাচীন বাজারে। পাইকারদের হাঁকডাক, ক্রেতাদের দরদাম আর কৃষকদের তৃপ্তি—সব মিলিয়ে পুরো এলাকা যেন এক উৎসবে পরিণত হয়েছে।

পদ্মার শাখা নদীর তীরে অবস্থিত দিঘীরপাড় হাটের ইতিহাস দুই শত বছরেরও বেশি পুরোনো। ব্রিটিশ আমল থেকে চলা এই হাট এখনও দেশের অন্যতম বড় পাটের আড়ত হিসেবে পরিচিত। সপ্তাহে দুই দিন—সোম ও শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয় বেচাকেনা। বর্তমানে প্রতিটি হাটে গড়ে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার মণ পাট কেনাবেচা হচ্ছে।

এ হাটে শুধু মুন্সিগঞ্জ নয়, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুরসহ আশপাশের জেলার কৃষকরাও পাট নিয়ে আসেন। নৌ-ট্রলারেই পাটের বোঝা ওঠা-নামা হয়, আর সেখানেই দরদাম ঠিক হয়ে যায়। এই ভিন্নধর্মী বেচাকেনা যেন পাটের সাথে জড়িয়ে থাকা গ্রামীণ অর্থনীতির স্পন্দনকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে।

পাট চাষিদের মতে, কয়েক বছর ধরে পাটের দাম ও চাহিদা কিছুটা কম থাকলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। কৃষকদের উৎপাদন খরচ যেখানে প্রতি মণে প্রায় ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, সেখানে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায়। অর্থাৎ মণপ্রতি কৃষকরা পাচ্ছেন গড়ে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ।

কৃষক জুলহাস দেওয়ান জানালেন,

“৮০ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করেছি। প্রায় ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বিক্রি করেছি ১ লাখ ১০ হাজার টাকার মতো। লাভ দেখে মনটা ভরে গেছে।”

রহিম বেপারী অভিজ্ঞতাও একই রকম। তিনি বলেন,

“এক একর জমিতে পাট করেছি। খরচ হয়েছে ১৫-১৬ হাজার টাকা। বিক্রি করেছি প্রায় ৪০ হাজার টাকার মতো। এখনো কিছু পাট আছে। এভাবে দাম থাকলে আগামীতে আরও জমিতে পাট করব।”

আব্বাস আলী নামে আরেক কৃষক বলেন,

“এমন দাম যদি থাকে, তাহলে কৃষকরা আবারও পাট চাষে ঝুঁকবে। হারিয়ে যাওয়া পাটের ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে।”

পাট ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন,

“দিঘীরপাড় হাটের সুনাম অনেক পুরোনো। প্রতি হাটে কয়েক হাজার মণ পাট কেনাবেচা হয়। এখানে কৃষক যেমন খুশি, ব্যবসায়ীরাও খুশি। এ বছর দামে যেমন স্থিতিশীলতা এসেছে, তাতে সবাই লাভবান হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, ট্রলারেই অধিকাংশ কেনাবেচা সম্পন্ন হয়। পাইকাররা দূর-দূরান্ত থেকে এখানে ভিড় জমান। ফলে এ হাট শুধু স্থানীয় অর্থনীতিই সচল করছে না, বরং বৃহত্তর অঞ্চলের কৃষি-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর মুন্সিগঞ্জে ২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। যদিও গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ কম হয়েছে, তবে উৎপাদন ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে। শুধু দিঘীরপাড় হাটেই এ মৌসুমে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ হাজার মণ পাট কেনাবেচা হতে পারে। এখানকার পাট নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলার কারখানায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খুরশীদ আলম বলেন,

“পাট উৎপাদন এবার ভালো হয়েছে। কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। সরকারও পাটের ব্যবহার বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। চটের ব্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এতে বাজার চাহিদা বাড়বে এবং দামও স্থিতিশীল থাকবে।”

কৃষকরা আশা করছেন, যদি ধারাবাহিকভাবে এমন দাম থাকে, তবে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে পাট আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। হারানো দিনের মতো সোনালী আঁশের দিন ফিরবে। শুধু তাই নয়, স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নতুন করে বাংলাদেশের পাটের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে।

দিঘীরপাড় হাট তাই শুধু পাটের বেচাকেনার জায়গা নয়, বরং কৃষক-ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, ইতিহাস আর অর্থনীতির এক মিলনমেলা।

বিষয়ঃ

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।