বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সৈয়দপুরে তৈরী জ্যাকেট যাচ্ছে বিদেশে

নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর ( নীলফামারী) প্রতিনিধি : সৈয়দপুরে ভোর ও রাতে ভরে যাচ্ছে কুয়াশায়। কিন্তু এখনো শীত তেমন একটা নেই। আর তাতেই নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে শীতের তৈরি পোশাক জ্যাকেট ও মোবাইল প্যান্ট রপ্তানি শুরু হয়ে গেছে। এসব যাচ্ছে ভারত সহ অনেক দেশে। সৈয়দপুরে পোশাক প্রস্তুতকারকা জানিয়েছে, চলতি শীত মৌসুমে প্রায় ১০ কোটি টাকার জ্যাকেট […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৪, ১২:২৯

নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর ( নীলফামারী) প্রতিনিধি :

সৈয়দপুরে ভোর ও রাতে ভরে যাচ্ছে কুয়াশায়। কিন্তু এখনো শীত তেমন একটা নেই। আর তাতেই নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে শীতের তৈরি পোশাক জ্যাকেট ও মোবাইল প্যান্ট রপ্তানি শুরু হয়ে গেছে। এসব যাচ্ছে ভারত সহ অনেক দেশে।

সৈয়দপুরে পোশাক প্রস্তুতকারকা জানিয়েছে, চলতি শীত মৌসুমে প্রায় ১০ কোটি টাকার জ্যাকেট ও মোবাইল প্যান্ট প্রস্তুতি করা হয়েছে। এসব জ্যাকেট ও মোবাইল প্যান্টের বড় অংশই যাবে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে। ভারতের পাশাপাশি নেপাল ও ভুটানেও রপ্তানি করা হচ্ছে এসব জ্যাকেট। পাশাপাশি দেশেও বাজারজাত হচ্ছে।

সৈয়দপুর রপ্তানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, শীত আসার অনেক আগে থেকেই সৈয়দপুরে জ্যাকেট ও মোবাইল প্যান্ট তৈরি শুরু হয়েছে। তৈরি কৃত এসব জ্যাকেটও মোবাইল প্যান্ট গুদামজাত করা হচ্ছে এরপর পর্যায় ক্রমে রফতানি করা হচ্ছে দেশ ও বিদেশে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, শহরের পাঁচ শতাধিক ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানায় দিনে-রাতে তৈরি হচ্ছে জ্যাকেট, মোবাইল প্যান্ট ও অন্যান্য শীতের পোশাক। এসব কারখানা গড়ে উঠেছে শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায়। কারখানাগুলোয় রয়েছে ১০টি থেকে দুই শতাধিক স্বয়ংক্রিয় মেশিন। জ্যাকেটসহ শীতের নানা পোশাক তৈরির কাঁচামাল ঝুট কাপড় সংগ্রহ করা হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের বড় বড় গার্মেন্টস থেকে।

সৈয়দপুর শহরের নিমবাগান মহল্লার বাসিন্দা রাজু শতাধিক মেশিন নিয়ে একটি মাঝারি কারখানা গড়ে তুলেছেন নিজ বাড়িতে। গত বৃহস্পতিবার কারখানাটিতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত জ্যাকেট তৈরি হচ্ছে, ওই কারখানায়।একেকজন টেইলার মাষ্টার দিনে ৩ থেকে ১৫ টি জ্যাকেট তৈরি করছেন।

কারখানার মালিক মো.রাজু জানান, এসব জ্যাকেট ভারতের শিলিগুড়িতে পাঠানো হবে। চলতি শীত মৌসুমে সৈয়দপুরের বিভিন্ন কারখানা থেকে প্রায় ১০/১২ কোটি টাকার জ্যাকেট ভারতে রপ্তানি হবে। এ ছাড়া নেপাল ও ভুটানেও যাবে দুই কোটি টাকার জ্যাকেট।

শহরের নয়াটোলা মহল্লার গার্মেন্টসের মালিক বাবু জানান, এ বছর তিনি দুই কোটি টাকার জ্যাকেটও মোবাইল প্যান্টের অর্ডার পেয়েছেন। নভেম্বর মাসের শেষে এসব কলকাতায় পাঠানো হবে। এ জন্য শ্রমিক-কর্মচারীরা দিন–রাত কাজ করে চলেছেন।

সৈয়দপুর শহরের মুন্সিপাড়া, সাহেবপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, কয়ানিজপাড়া, চাঁদনগর, সৈয়দপুর প্লাজা মার্কেটসহ গ্রামীণ জনপদে গড়ে উঠেছে কয়েক শত গার্মেন্টস কারখানা। এসব কারখানায় তৈরি শীতের সামগ্রী বিদেশে রপ্তানির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও সরবরাহ করা হয় এবং হবে। দেশের পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিটি জ্যাকেট ৩০০ থেকে ২ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হয়।

জানতে চাইলে সৈয়দপুরের রপ্তানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আখতার খান জানান, এবার ভালো অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংকগুলো যদি কম সুদে আর্থিক সহায়তা দিতো তাহলে এ ব্যবসা আরও বড় করা যেতো। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তো।

তিনি আরও জানান,সৈয়দপুরের সিংহ ভাগ জমিই হলো বাংলাদেশ রেলওয়ের।বেশির ভাগ গার্মেন্টস কারখানা রেলের জমিতে গড়ে ওঠায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসব কারখানায় সহজে ঋণ দিতে চায় না। যার ফলে ব্যবসা বাড়ানো সম্ভব হয় না। সরকারের উচিত এইসব ব্যবসা বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে ব্যাংন্ক গুলোকে সহজেই বড় ধরনের লোন দেয়া।

 

বিষয়ঃ

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।