মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অবাধে গরু-ছাগল চলে সড়কে, দুর্ঘটনার শঙ্কা

নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ উত্তরের গেটওয়ে বলে পরিচিত নীলফামারীর শহর সৈয়দপুর। রংপুর ও দিনাজপুর জেলার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত শহরটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ।সড়ক, রেল ও বিমানের যোগাযোগ থাকায় শহরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জেলা-শহরের লোকজনের আগমন হয়। সৈয়দপুরের রাস্তাঘাট উল্লেখযোগ্য উন্নত নয়, তবে ব্যবহৃত হয় প্রচুর। মানুষের চলাচলের সময় ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কিন্তু লোকে চরম […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১২:০১

নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

উত্তরের গেটওয়ে বলে পরিচিত নীলফামারীর শহর সৈয়দপুর। রংপুর ও দিনাজপুর জেলার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত শহরটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ।সড়ক, রেল ও বিমানের যোগাযোগ থাকায় শহরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জেলা-শহরের লোকজনের আগমন হয়। সৈয়দপুরের রাস্তাঘাট উল্লেখযোগ্য উন্নত নয়, তবে ব্যবহৃত হয় প্রচুর।

মানুষের চলাচলের সময় ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কিন্তু লোকে চরম বিড়ম্বনায় পড়ে তখন, যখন শহরের রাস্তা ধরে অবাধে চলাচল করে গরু-ছাগলসহ গৃহপালিত নানা পশু।শহরের লোকজন বলছে, শহরে অবাধে গবাদিপশু চলাচল করে। কেউ কেউ রাস্তার ধারে গরু-ছাগল চরান।এতে যাতায়াতকারী মানুষ বিড়ম্বনায় পড়ে।

বিভিন্ন সময় ছোটখাটো কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। বড় আকারের দুর্ঘটনাও সমূহ। ৩৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সৈয়দপুর পৌরসভায় চলাচলের জন্য পাকা ও কাঁচা সড়ক রয়েছে। বর্তমানে পাকা সড়ক মেরামত ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন পৌরসভার প্রশাসক ও সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-ই আলম সিদ্দিকী। শহরের ব্যস্ততম শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়ক মেরামত কাজ শেষ করে রেলওয়ে কারখানার যাতায়াতের সড়কটি মেরামত করা হচ্ছে।

এরপর শহরের সবচেয়ে জরাজীর্ণ এলাকা তামান্না মোড় থেকে ওয়াপদা পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়কটি সংস্কারে হাত দেবেন পৌর প্রশাসক। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত শহরের ব্যস্ত সড়কসহ প্রায় প্রতিটি সড়ক রেললাইনে অবাধে চরানো হয় হচ্ছে গবাদিপশু। ছেড়ে দেওয়া এসব গরু-ছাগল বিভিন্ন সময় বাসের নিচে পড়ে মারা যায়। কিছু কিছু মারা যায় ট্রেনে কাটা পড়ে।

রাস্তার ধারে গড়ে ওঠা হোটেল-রেস্টুরেন্টে খাবারের লোভে ঢুকে পড়ে পশুগুলো। ফলে এসব দোকানে আসা লোকজনও ঠিকমতো খাবার খেতে পারেন না। গবাদিপশুর গলায় দড়ি না থাকায় সেগুলোকে সহজে আটকানো যায় না। মানুষ শারীরিক ক্ষতির কথা চিন্তা করে পশুগুলোকে আটকাতেও পারে না।স্থানীয়রা বলছেন, এমনিতেই শহরের কুকুরের উপদ্রব। গবাদিপশুগুলোও এখন এমনভাবে রাস্তা দখল করে রাখে, পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে।

মানুষের গরু-ছাগল ধরলেও বিপদ। নানা রকম অভিযোগ ওঠে। এসব নিয়ন্ত্রণে কেউ কোনো ভূমিকা পালন করে না। শহরের সাহেবপাড়ার রজব আলী জানান, স্বাধীনতার পর থেকে নিজ নিজ ঘরের গবাদিপশু একক বা দলগতভাবে ছেড়ে দেন মালিকরা। কখনও রাখাল থাকে, কখনো থাকে না।

বহু গবাদিপশু ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছে। অনেক সময় বড় দুর্ঘটনা থেকে ট্রেন রক্ষা পেয়েছে। এখনো পরিস্থিতির কোনো উন্নয়ন ঘটেনি। যারা গবাদিপশু পালন করেন তাদের বুদ্ধির উদয় হয়নি। নিজেরা ক্ষতির শিকার হচ্ছে, মানুষও নানা বেকায়দায় পড়ছে- তারা বোঝে না। বাঙ্গালীপুর নিজপাড়ার বাসিন্দা আজহার আলী বলেন, তিনি রংপুর রোড হয়ে মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার সময় একটা গরু সামনে চলে আসে। দ্রুত ব্রেক ধরায় তিনি রাস্তায় পড়ে মারাত্মক আহত হন।

এ ব্যাপারে ইউএনও নূর-ই আলম সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। মাইকিং করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিন্তা করা হচ্ছে। শহর যেহেতু আমাদের তাই এর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ মানুষের সমস্যা হয় এরকম কাজ থেকে পৌরবাসীকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।