বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টুঙ্গিপাড়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা

শান্ত শেখ, টুঙ্গিপাড়া প্রতিনিধিঃ প্রয়োজনীয় ওষুধ সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবার প্রধান ভরসাস্থল কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা। ওষুধের নিয়মিত বরাদ্দ কমিয়ে দেয়ায় ও চাহিদা অনুয়ায়ী পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকায় মাসের অর্ধেক দিনেই শেষ হচ্ছে বরাদ্দকৃত ওষুধ। ফলে ক্লিনিকে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকের ওপর নির্ভরশীল নিম্ম আয়ের মানুষের। গ্রামের দরিদ্র মানুষদের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ আগস্ট ২০২৫, ১৯:০৪

শান্ত শেখ, টুঙ্গিপাড়া প্রতিনিধিঃ

প্রয়োজনীয় ওষুধ সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবার প্রধান ভরসাস্থল কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা। ওষুধের নিয়মিত বরাদ্দ কমিয়ে দেয়ায় ও চাহিদা অনুয়ায়ী পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকায় মাসের অর্ধেক দিনেই শেষ হচ্ছে বরাদ্দকৃত ওষুধ।

ফলে ক্লিনিকে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকের ওপর নির্ভরশীল নিম্ম আয়ের মানুষের। গ্রামের দরিদ্র মানুষদের বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ দেয়ায় এসব ক্লিনিক সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা হয়ে উঠলেও এখন ওষুধ সংকটে বিপাকে পড়েছে এসব ক্লিনিকের ওপর নির্ভরশীল মানুষ।

এসব ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে রোগীরা জানান, সর্দি, জ্বর, আমাশয়, ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, মাথাব্যথাসহ নানা রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধ নেন তারা। প্রতি মাসের প্রথম দিকে ক্লিনিক থেকে বিভিন্ন রোগের কিছু পরিমাণ ওষুধ পাওয়া গেলেও মাসের শেষের দিকে ফিরতে হয় খালে হাতে। সম্প্রতি এ সমস্যা বেড়ে গেছে কয়েকগুন সঙ্গে অ্যমোক্যাসিলিন, কট্রিম, মেট্রো, পিনিসিলিনসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ একেবারেই পাচ্ছেন না তারা।

আমাশয়, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল গ্রামীন নিম্ম আয়ের মানুষ।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলি ইউনিয়নের চরকুশলি গ্রামের মো. দুলু মিয়া বলেন, ‘আগে প্রাথমিক চিকিৎসার সব ওষুধ পাওয়া গেলেও এখন পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা সাধারণ মানুষ টাকার অভাবে ওষুধ কিনতে না পেরে বিনা চিকিৎসায় ভুগছি। ক্লিনিকে যেয়ে ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।

কুশলি হাঁটের পাসের গ্রামের, রাবেয়া বেগম জানান, সর্দি, জ্বরের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপসহ গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ আগে দেয়া হতো। কিন্তু এখন আগের মতো ওষুধ নেই।

মাসের ১০ দিন না যেতেই ওষুধ সংকটের কথা স্বীকার করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার চরকুশলি গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইড রাজিয়া সুলতা ওরফে ( মিতা ) জনান, প্রত্যকটি ক্লিনিকে প্রতি মাসের জন্য ২৭ প্রকার ওষুধ দুটি বক্স দেয়া হতো।

যা দিয়েই স্থানীয় রোগীদের সামাল দিতে বেগ পেতে হতো। বেশ কিছু দিন থেকে দুটির জায়গায় দেয়া হচ্ছে একটি। যে কারণে মাসের অর্ধেক যেতেই শেষ হয় ওষুধ।

ওষুধ সংকটে রোগীদের হয়রানির কথা স্বীকার করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সিভিল সার্জন ডা. মোঃ জসিম উদ্দিন , জানান, টুঙ্গিপাড়ায় ক্লিনিকের সংখ্যা ১৭ টি সরকারি সিদ্ধান্তে সম্প্রতি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে এন্টিবায়োটিক ওষুধ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

পূর্বের চেয়ে এসব ক্লিনিকের নির্ধারিত এলাকার জনসাধারণ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব জনগণের চাহিদার তুলনায় ওষুধ বরাদ্দ কম হওয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।