“ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করলে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করে আসুন”—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’-এর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে লালমনিরহাট জেলা জামায়াত আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশে তিনি এই বক্তব্য দেন। রেলওয়ে মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিশন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহের এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ শাহ আলম।
ফিরোজ হায়দার লাভলু বলেন, “আমরা ২৪ জুলাই ও আগস্টের আন্দোলনের সময় জেলে ছিলাম। বের হয়ে দেখেছি কীভাবে জনগণ রাস্তায় রক্ত দিয়েছে। সেই চেতনাকে বুকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। যদি কেউ আবার ভোট ডাকাতির চেষ্টা করে, তবে জনগণ তা মেনে নেবে না।”
তিনি আরও বলেন, “ভোট চুরি করতে এলে যেন স্ত্রীর মোহরানা দিয়ে আসে। কারণ এদেশের জনগণ এবার প্রস্তুত।”
জেলা আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহের বলেন, “৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক দিন। এ দিনে জনগণ জেগে উঠেছিল, জালিমের পতনের ঘণ্টা বেজে উঠেছিল। শহীদদের স্মরণে এ দিন আমরা চিরকাল পালন করব।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হারুন অর রশিদ ও নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান। বক্তারা বলেন, রাজনীতির মাঠে কেউ ভুল করলে তা নিজেরাই সংশোধন করুন—চোখ রাঙানিকে বরদাশত করা হবে না।
গণমিছিলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে শত শত নেতা-কর্মী অংশ নেন। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে লালমনিরহাট শহর।