মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

গাজা অভিমুখে ১৫০০ মানবাধিকারকর্মী

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরাইলের অবরোধ ভাঙতে সড়কপথে গাজা অভিমুখে রওনা দিয়েছেন দেড় হাজার মানবাধিকারকর্মী। তারা তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিস থেকে রওনা দিয়ে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ খবর জানিয়েছে। সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলটিতে কমপক্ষে দেড় হাজার লোক রয়েছে। তারা আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া, মরক্কো, ও তিউনিসিয়ার। লিবিয়া থেকে আরো লোক যোগ দেবেন বলে আশা […]

গাজা অভিমুখে ১৫০০ মানবাধিকারকর্মী

গাজা অভিমুখে ১৫০০ মানবাধিকারকর্মী

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৫, ১০:১৫

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরাইলের অবরোধ ভাঙতে সড়কপথে গাজা অভিমুখে রওনা দিয়েছেন দেড় হাজার মানবাধিকারকর্মী। তারা তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিস থেকে রওনা দিয়ে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে পৌঁছেছেন।

বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ খবর জানিয়েছে।

সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলটিতে কমপক্ষে দেড় হাজার লোক রয়েছে। তারা আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া, মরক্কো, ও তিউনিসিয়ার। লিবিয়া থেকে আরো লোক যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

‘অবিচলিত’ নামের এ বহরটিতে শতাধিক গাড়ি এবং কয়েক ডজন বাস রয়েছে। বহরটি এখন লিবিয়ার জাউইয়া শহরে পৌঁছেছে। তারা সেখান থেকে মিসরের কায়রোতে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। সেখান থেকে যাবেন গাজা সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিংয়ে।

লিবিয়ার ত্রিপোলিতে বহরটি পৌঁছানোর পর হাজার হাজার মানুষ তাদের অভিবাদন জানান। এছাড়া বহরের গাড়িগুলোকে নিরাপত্তা দেয় সেখানকার পুলিশ।

বহরটিতে থাকা আলজেরিয়ার জামিলা শরিতাহ মঙ্গলবার বলেছেন, তিউনিসিয়া এবং লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ বহরটিতে থাকা লোকজনকে সহযোগিতা করছে। বহরে থাকা আরেকজন জায়েদ আল-হামামি বলেছেন, এই কনভয়ের লক্ষ্য রাফা ক্রসিং পুনরায় চালু করা এবং গাজা উপত্যকায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা।

সিনহুয়া বলেছে, গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত বহরটিতে থাকা লোকজন মিসরে প্রবেশ করতে পেরেছিলেন কি না স্পষ্ট নয়। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজা সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় আরিশ শহর এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং রয়েছে। সেখানে যাওয়ার আগে যেকোনো বিদেশী প্রতিনিধিদলকে অনুমতি নিতে হবে।

গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) পরিচালিত ম্যাডলিন জাহাজে পরিবেশবাদী গ্রেটা থুনবার্গসহ ১২ অধিকারকর্মী ফিলিস্তিনের গাজার ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ নিয়ে ইতালি থেকে রওনা করেছিল। কিন্তু গত সোমবার জাহাজটি আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা থেকে দখলে নিয়ে নেয় ইসরাইলি নৌবাহিনী। পরে ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে চারজনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। বাকিরা এখনো ইসরাইলে রয়েছে।

এদিকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বলেছেন, বহরটিকে গাজায় প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। কারণ এতে তাদের সেনারা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। বহরটির যাত্রা আটকাতে মিসরকে আহ্বান জানিয়েছে ইসরাইল।

অন্যান্য খবর

নাসিরনগরে মহানবী (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে বিক্ষোভ

মো: সোবেল মিয়া,নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ধর্মভিত্তিক সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর নাসিরনগর কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের ইমরান চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়। […]

নাসিরনগরে মহানবী (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে বিক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩:৫০

মো: সোবেল মিয়া,নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ধর্মভিত্তিক সংগঠনের নেতা–কর্মীরা।

আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর নাসিরনগর কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের ইমরান চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়।

সমাবেশের আয়োজন করে নাসিরনগর ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ। এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা হুসাইন আহমদ নুরপুরী এবং সঞ্চালনা করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম। বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা মুফতি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদসহ আরও কয়েকজন বক্তা।

বক্তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী (সা.)–এর শানে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।

অন্যান্য খবর

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি-এর এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা-এর এই শিক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, নাহিদাকে সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে দেখা যায়। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ হয়ে […]

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক

২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৫

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি-এর এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা-এর এই শিক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নাহিদাকে সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে দেখা যায়। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ হয়ে যায় এবং সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তার জীবিত বা মৃত অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে হিশাম সালেহ আবুগারবিয়েহ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সঙ্গে নিখোঁজ ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাটি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে, যখন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমন-এর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি জোরদার করেছে এবং স্থানীয়দের তথ্য দিয়ে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও প্রবাসীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

অন্যান্য খবর

বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির অভিনন্দন

বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে। এদিকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান (ইউএলএ)’র চেয়ারম্যান ও আরাকান আর্মির প্রধান ত্বান ম্রাত নাইং। মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে তার বার্তায় ঢাকা ও নেপিদোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। অন্যদিকে, […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫:১৫

বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে।

এদিকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান (ইউএলএ)’র চেয়ারম্যান ও আরাকান আর্মির প্রধান ত্বান ম্রাত নাইং।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে তার বার্তায় ঢাকা ও নেপিদোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

অন্যদিকে, ইউএলএ চেয়ারম্যান নাইং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এই নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় আমরা আশা করি বাস্তবসম্মত, টেকসই এবং কার্যকর সমাধান খুঁজে পেতে আপনি আমাদের সঙ্গে মিলে কাজ করে যাবেন। বিদ্যমান সদিচ্ছার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যে বন্ধুত্বের এক নতুন পথ তৈরির সুযোগ এখন আমাদের সামনে এসেছে।’

এই বার্তাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি ও ইউএলএ কাজ করতে চায়।

সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানও জানিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশ সরকার এই ইস্যুতে মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি-উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বুধবার সন্ধ্যায় বাসস’কে বলেন, ‘মিয়ানমার এবং আরাকান আর্মি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসা এই বার্তাগুলো এক নজিরবিহীন ঘটনা এবং এটি দীর্ঘ নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের ফল। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশের নতুন সরকারের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে।

এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের একটি দ্রুত, টেকসই এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ বিশ্বের অন্যান্য প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গেও নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

রোহিঙ্গারা সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের পৈতৃক ভিটায় ফিরে যাওয়ার অধিকারের বিষয়ে জোরালো দাবি জানিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত বহু-অংশীজন সংলাপে এবং ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনেও তারা একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব মতামত গ্রহণ এবং নিজেদের ভিটেমাটিতে ফিরে যাওয়ার অধিকারের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে।