বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইরানে ‘জার্মান দূতাবাস বন্ধ করে দেয়া উচিত’

ইরানের বিশিষ্ট সাংবাদিক হোসাইন শরিয়তমাদারি প্রতিবাদী এক প্রবন্ধে লিখেছেন: ইরানে জার্মান রাষ্ট্রদূত ও জার্মান দূতাবাসকে উপস্থিত থাকতে দেয়ার অর্থ কি ইসরাইলি কনস্যুলেট খোলার অনুমতি দেয়া নয়? সম্প্রতি ইরান জামশিদ শরমাহদ্ নামের এক সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এই সন্ত্রাসী ছিল তুনদার নামের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর রিং-লিডার। ইরানের বহু নারী ও শিশুসহ নিরপরাধ অনেক ব্যক্তিকে হত্যার দায় […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ নভেম্বর ২০২৪, ২১:২৫

ইরানের বিশিষ্ট সাংবাদিক হোসাইন শরিয়তমাদারি প্রতিবাদী এক প্রবন্ধে লিখেছেন: ইরানে জার্মান রাষ্ট্রদূত ও জার্মান দূতাবাসকে উপস্থিত থাকতে দেয়ার অর্থ কি ইসরাইলি কনস্যুলেট খোলার অনুমতি দেয়া নয়?

সম্প্রতি ইরান জামশিদ শরমাহদ্ নামের এক সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এই সন্ত্রাসী ছিল তুনদার নামের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর রিং-লিডার। ইরানের বহু নারী ও শিশুসহ নিরপরাধ অনেক ব্যক্তিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছিল পশ্চিমা-মদদপুষ্ট এই সন্ত্রাসী। জার্মানির পাসপোর্টধারী এই সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড গত ২৮ অক্টোবর কার্যকর করা হয় আদালতের রায়ের ভিত্তিতে। আপিল ও বিচার-প্রক্রিয়া পুরোপুরি সম্পন্ন করার পর এই শাস্তি তথা উচ্চতর আদালতের রায় কার্যকর করা হয়।

পার্স-টুডে জানিয়েছে, এই সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর জার্মানি অযৌক্তিক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং এর জবাবে ইরানের গণমাধ্যমগুলোও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

পশ্চিমাদের মদদে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী নানা গ্রুপ

ইরানের তাসনিম নামক সংবাদ সংস্থা লিখেছে, পশ্চিমা মদদপুষ্ট একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের লিডারের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় জার্মানির কাছে ভালো লাগেনি। জার্মানি ইরানি-জার্মান এই সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রতিবাদে নিজ রাষ্ট্রদূতকে তেহরান থেকে বার্লিনে ডেকে আনে।

ইরানে জার্মান দূতাবাস ইসরাইলেরই কনস্যুলেট মাত্র এবং তা অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত

এদিকে পাল্টা এক প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিশিষ্ট সাংবাদিক হোসাইন শরিয়তমাদারি প্রতিবাদী একটি প্রবন্ধ লিখেছেন। তাঁর প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল ‘জার্মান দূতাবাস নাকি ইসরাইলি কনস্যুলেট?!” তিনি লিখেছেন, জার্মান সরকারের চরিত্র এখন ইসরাইলের মতই এবং এর প্রমাণগুলো অনস্বীকার্য। তাই এতে ন্যুনতম সন্দেহও আর বাকি নেই যে ইরানে জার্মান দূতাবাস ইসরাইলেরই কনস্যুলেট মাত্র এবং তা কি অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত নয়?! তিনি আরও লিখেছেন, ইরানে জার্মান রাষ্ট্রদূত ও জার্মান দূতাবাসকে উপস্থিত থাকতে দেয়ার অর্থ কি ইসরাইলি কনস্যুলেট খোলার অনুমতি দেয়া নয়?

ইরানে এক সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ডে পশ্চিমা অসন্তোষ

ইরানের ‘সিয়াসাতে রুজ বা দৈনিক রাজনীতি’ নামের একটি পত্রিকা পাশ্চাত্য ও মানবাধিকার নামের বড় মিথ্যাচার শীর্ষক প্রবন্ধে লিখেছে, ইরানের উচ্চ আদালতের পরিপূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বহু সংখ্যক হত্যাযজ্ঞের দায়ে দোষী হিসেবে একজন সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় পাশ্চাত্য নিন্দাবাদী নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। আর এ থেকেই তাদের ইরান-বিরোধী ও মানবতা-বিরোধী চরিত্র স্পষ্ট হয়েছে।

অশান্তি সৃষ্টিকারী এক সন্ত্রাসীর প্রতি ইউরোপের সমর্থন

ইরান নামক ইরানি দৈনিকও এই ঘটনার বিষয়ে পশ্চিমা প্রতিক্রিয়ার জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচির উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছে, ইউরোপ অধিকৃত ফিলিস্তিনে ইসরাইলি গণহত্যার ব্যাপারে চোখ বন্ধ করে আছে। অন্যদিকে একজন সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তেহরান ও ইউরোপের কোনো কোনো রাজধানীর মধ্যে কূটনৈতিক বিতর্ক বা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

সন্ত্রাসীদের প্রতি সমর্থনে জার্মান সরকারের দ্রুত গতি

এক ইরানি-জার্মান সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনাকে ঘিরে জার্মানির তিনটি শহরে ইরানি কনস্যুলেট বন্ধ করে দিয়েছে বার্লিন। এ সম্পর্কে ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ এজেন্সি ইসনা ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করেছে। ওই বক্তব্যে আরাকচি বলেছেন, তুন্‌দার নামক সন্ত্রাসী গ্রুপের রিং লিডার এক ইরানি জার্মান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় জার্মানি দেশটির মিউনিখ, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও হামবুর্গ শহরে ইরানি কনস্যুলেটগুলো বন্ধ করে দিয়েছে, আর এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই! কারণ জার্মান সরকার এই দিনগুলোতে যুদ্ধ-অপরাধী ইসরাইলের প্রতি সমর্থন দেয়াকে ও ইরানের সঙ্গে জার্মানির গভীর এবং ঐতিহাসিক সম্পর্ক ক্রমেই ধ্বংস করার কাজকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১