সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবিতে অ্যাডভান্সেস ইন অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড ফিশারিজ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

যবিপ্রবি :  পানিতে মাছ, চিংড়ি, শামুক চাষ ও মৎস্যসম্পদ বিষয়ক কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসাইন্স বিভাগের আয়োজনে প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্স “অ্যাডভান্সেস ইন অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড ফিশারিজ” অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার ২৭ মে সকাল সাড়ে ১০ টায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে “অ্যাডভান্সেস ইন অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড ফিশারিজ” বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজন […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ মে ২০২৫, ০০:১১

যবিপ্রবি : 

পানিতে মাছ, চিংড়ি, শামুক চাষ ও মৎস্যসম্পদ বিষয়ক কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসাইন্স বিভাগের আয়োজনে প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্স “অ্যাডভান্সেস ইন অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড ফিশারিজ” অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মঙ্গলবার ২৭ মে সকাল সাড়ে ১০ টায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে “অ্যাডভান্সেস ইন অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড ফিশারিজ” বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজন করে যবিপ্রবির এফএমবি বিভাগ। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশ মৎস্য চাষে তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। মৎস্য রপ্তানি করে আমাদের দেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে যা আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। আমাদের দেশের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে মাছের গুরুত্ব অপরিসীম। জনগণের বিপুল পরিমাণ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে মৎস্য চাষে গবেষণার উন্নয়নের বিকল্প নেই। তাই আমাদের এই বিভাগের দায়িত্ব এধরণের গবেষণার মান বাড়ানো এবং মৎস্য চাষে সবাইকে আগ্রহী করা। মৎস্য চাষে গবেষণার মাধ্যমে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে বলে আমি দৃঢ় প্রত্যয় রাখি।

যবিপ্রবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, এধরনের সেমিনার বা কনফারেন্সে তোমাদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ জরুরী। এখান থেকে তোমরা জ্ঞান অর্জন, জ্ঞানের আদান প্রদান ও যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে। যা তোমাদের আগামীর জীবনে কাজে আসবে। দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তোমাদের ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। সামুদ্রিক মৎস্য চাষে উন্নতির লক্ষ্যে আমরা কোস্টরাল অ্যান্ড ব্রাকেশওয়াটার সেন্টার সাতক্ষীরাতে দ্রুতই তৈরি করতে যাচ্ছি। এই সেন্টার হয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা মৎস্য নিয়ে আরও গবেষণা করতে পারবে। এতে দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।  

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালেশিয়ার পুটরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান ম্যাট জায়িস, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্চ টেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সারওয়ার, অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বায়োলজিক্যাল আর্থ অ্যান্ড ইনভায়োরনমেন্টাল সাইন্সের অধ্যাপক ড. দেবাশীষ মজুমদার, আমেরিকার ভারমন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ড. মো. হাবিবুর রহমান মোল্লা। বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মৎস্য চাষ ও মৎস্যসম্পদ বিষয়ক কার্যক্রমের গবেষণালদ্ধ তথ্য, অগ্রগতি ও উন্নয়ন বিষয়ে স্লাইড আকারে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

সেমিনারের প্রথম পর্ব শেষে শুরু হয় পোস্টার প্রেজেন্টেশন। এফএমবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। পোস্টার প্রেজেন্টেশন শেষে বিকালে “মডার্ন হ্যাচারি অপারেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট” বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শিক্ষা দেয় যবিপ্রবির এফএমবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান। বিকেল সাড়ে ৪ টায় কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান ও পোস্টার প্রেজেন্টেশনে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন ও জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনফারেন্সের আহবায়ক ও এফএমবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান, এফএমবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান। অনুষ্ঠানে এফএমবি বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত মন্ডল, অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হকসহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা পরিচালনা করেন এফএমবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মীর মোশাররফ হোসেন ও সহকারী অধ্যাপক মোছা. শারমিন নাহার।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।