মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক হওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কার্যকর উদ্যোগ ও ব্যবসার জন্য নীতিগত সহায়তার ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরেছে, যা ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদে এই গতি ধরে রাখতে হলে নীতিগত বিষয়গুলো সহজ করতে হবে এবং স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানির ঘাটতি পূরণ করতে হবে। সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা […]

নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক হওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ মার্চ ২০২৫, ০৯:৩৮

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কার্যকর উদ্যোগ ও ব্যবসার জন্য নীতিগত সহায়তার ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরেছে, যা ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদে এই গতি ধরে রাখতে হলে নীতিগত বিষয়গুলো সহজ করতে হবে এবং স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানির ঘাটতি পূরণ করতে হবে।

সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে সাময়িক হলেও বাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা পেয়েছিল। বিশেষ করে গত বছরের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ে, যার ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি দেখা দেয়। এই অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়।

বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) একসঙ্গে কাজ করছে। বাণিজ্য নীতি সহজ করা, শুল্ক সমন্বয় এবং বাজার পর্যবেক্ষণ জোরদার করার ফলে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে।

তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, আলুর বাজারে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। তবে সরকার নীতিগত সহায়তা দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থও রক্ষা করতে হবে, যেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা ও কৃষকদের রক্ষা করা—এই দুই দিক বিবেচনায় রেখে সরকার পরিকল্পিতভাবে এগোচ্ছে।

ভোজ্যতেলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত রাইস ব্রান তেল বাজারে আনতে সরকার নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি দেশের চাহিদা মেটাতে সয়াবিন তেল ও পামওয়েল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। দেশীয় সরিষার তেলের উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো বড় উৎসবেও ভোজ্যতেলের ঘাটতি হবে না।

শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, শুধু ভোজ্যতেল নয়, শাক-সবজি, চাল, ডিম, গরুর মাংস, খাসির মাংস ও মুরগির মাংসের সরবরাহ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি শুধু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়, বরং রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার হাঁস-মুরগি ও মাছের খাদ্যের ওপর যৌক্তিক নীতিমালা তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করছে, যাতে কৃষকরা লাভবান হতে পারেন এবং উৎপাদন খরচও সহনীয় থাকে। হাঁস-মুরগি ও মাছের খাদ্য যদি আমদানি নির্ভর হয়, তবে এ ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকার বাণিজ্য নীতি ও ব্যবসা পরিচালনার নিয়ম সহজ করেছে। এর ফলে স্থানীয় উৎপাদন বাড়বে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগের ফলে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।