বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

পোস্টারে আমার ছবি থাকলে দর্শক ক্ষেপে যাবে: জয়

হাসিনার পতনের পর সম্প্রতি বেশ সমালোচনা তৈরি হয় হন শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি প্লট বরাদ্দের আবেদন নিয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেে আবেদন পত্রটি ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনা। পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এর রেশ রয়ে গেছে বিনোদন জগতে। কদিন আগেও অভিনয় ও উপস্থাপনায় ব্যস্ত সময় পার করতে হতো এই তারকাকে। সম্প্রতি একটি নতুন ওয়েবফিল্মে কাজ করেছেন […]

নিউজ ডেস্ক

১০ অক্টোবর ২০২৪, ১৭:৩৬

হাসিনার পতনের পর সম্প্রতি বেশ সমালোচনা তৈরি হয় হন শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি প্লট বরাদ্দের আবেদন নিয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেে আবেদন পত্রটি ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনা। পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এর রেশ রয়ে গেছে বিনোদন জগতে।

কদিন আগেও অভিনয় ও উপস্থাপনায় ব্যস্ত সময় পার করতে হতো এই তারকাকে। সম্প্রতি একটি নতুন ওয়েবফিল্মে কাজ করেছেন তিনি। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দীপ্ত প্লের ছবি ‘ত্রিভুজ’-এ অভিনয় করেছেন জয়। কাজটি করে ভীষণ খুশি তিনি। কিন্তু ছবির প্রচার-প্রচারণায়, পোস্টারে ততটা জায়গা তাকে দেওয়া হচ্ছে না, যতটা তার পাওয়ার কথা।

এ নিয়ে আক্ষেপ করে তিনি বলেন, এত সুন্দর একটা কাজ মুক্তি পাচ্ছে, অথচ পোস্টারে কোথাও আমার ছবি দেখেছেন? কেন পোস্টারে আমার ছবি ব্যবহার করেনি? আমার কোনো ক্ষোভ নেই। তারা তাদের ব্যবসায়িক দিকটা দেখছে। আমাকে নিয়ে নেগেটিভ আলোচনা আছে, আমার ছবি থাকলে দর্শক ক্ষেপে যাবে, নেগেটিভ কমেন্ট করবে, এ জন্য পোস্টারে আমার ছবি দেয়নি।

কেন এ রকম হচ্ছে? এসব ঘটনায় পেশাগত কাজ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে? জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে জয় বলেন, ‘ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে। সামাজিকভাবে আমি এখন একজন ভিলেন। আমাকে সেভাবেই উপস্থাপনা করা হয়। এতে তো ক্ষতি হয়, নির্মাতা ও প্রযোজকরা এগুলো আমলে নেয়। তারা মনে করেন, ও ট্রল হচ্ছে, ও তো চিঠি লিখেছে, খারাপ কাজে সঙ্গে যুক্ত!

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক। অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা […]

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১৬:০১

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক।

অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা হচ্ছে! দিল্লি পুলিশ, আপনাদের কি লজ্জা হচ্ছে না? নেতা-মন্ত্রীদের বলছি, এসব কী হচ্ছে? আপনারা কি নিজেদেরই ভগবান মনে করছেন? সবকিছু মনে রাখা হবে। হর হর মহাদেব।’

একই পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘মনে রাখবেন, পরিবর্তনই একমাত্র ধ্রুবক।’

এই পোস্টের পর এক ভক্ত মন্তব্য করেন, অরিজিতের প্রতি তাঁর সব শ্রদ্ধা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি লেখেন, ‘এত দিন আপনার ভক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন আপনাকে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ঘৃণা করি।’

সেই মন্তব্যের জবাবে শান্ত ভাষাতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অরিজিৎ। তিনি বলেন, ‘কে আমাকে সম্মান করল আর কে করল না, তা নিয়ে আমি ভাবি না। সবারই আলাদা মতামত থাকতে পারে। আপনি আমার ভক্ত বলেই যে আমাকে আপনার মতো করে কথা বলতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।’

পাশাপাশি ওই ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকলে দুঃখও প্রকাশ করেন তিনি। অরিজিৎ লেখেন, ‘মানুষ হিসেবে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার কথায় যদি আপনার কষ্ট হয়ে থাকে, তার জন্য দুঃখিত। তবে আমি এই বিষয়টি নিয়ে সত্যিই ক্ষুব্ধ এবং স্বাধীনভাবে আমার মত প্রকাশ করেছি।’

শেষে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথাও স্পষ্ট করেন এই গায়ক। তিনি লেখেন, ‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন। আমার অস্তিত্বও ভুলে যেতে পারেন। সুখে থাকুন। কিন্তু আমার মতামতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।’

অরিজিতের এই জবাব সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক অনুরাগী তাঁর স্পষ্ট অবস্থানের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন