শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোকেই করতে হবে,আমরা সহযোগিতা করব : প্রধান উপদেষ্টা

রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে, তখন প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, রাজনৈতিক দলগুলোকেই তাদের সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে, আর সরকার এই উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবই অনেক সমস্যার মূল কারণ, যা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে। রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৮:০৩

রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে, তখন প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, রাজনৈতিক দলগুলোকেই তাদের সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে, আর সরকার এই উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবই অনেক সমস্যার মূল কারণ, যা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে।

রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক দল নিজেদের স্বার্থের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছে।

দলীয় নেতৃত্বে একচেটিয়া প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের আস্থা কমে গেছে। এর ফলে দেশে সুশাসনের অভাব দেখা দেয় এবং উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।

প্রধান উপদেষ্টা মনে করেন, রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য দলগুলোর উচিত নিজস্ব গঠনতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ানো, নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখা এবং নতুন নেতৃত্ব গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করা। তিনি বলেন, “যদি রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ভুলত্রুটি বুঝতে পারে এবং সঠিক পথে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সরকার ও প্রশাসন তাদের পাশে থাকবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র চর্চার অভাব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারতন্ত্র ও আজীবন নেতৃত্বের সংস্কৃতি দেখা যায়, যা নতুন নেতৃত্ব গঠনের পথে বাধা। তাই দলগুলোর উচিত অভ্যন্তরীণ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত জনপ্রতিনিধি বাছাই করা।

রাজনীতিতে কালো টাকার প্রবাহ কমাতে হবে এবং স্বচ্ছ তহবিল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থের উৎস ও ব্যয়ের বিষয়ে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকা জরুরি।

তরুণ প্রজন্মকে রাজনৈতিক নেতৃত্বে সুযোগ দিতে হবে, যাতে তারা নতুন চিন্তাধারা ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসতে পারে। এতে রাজনীতি আরও উদ্ভাবনী ও গণমুখী হবে।

প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন যে, সরকার ও প্রশাসন রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে স্বচ্ছতা আনতে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা হতে পারে, পাশাপাশি দলীয় গণতন্ত্রের উন্নয়নে নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, “আমরা কোনো দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করব না, তবে যদি তারা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায়, তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় সহায়তা করব।”

রাজনৈতিক সংস্কার দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নতির জন্য অপরিহার্য। দলগুলোর উচিত স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের ভেতরে পরিবর্তন আনা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া।

সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতায়, যদি দলগুলো সুশাসন ও গণতান্ত্রিক চর্চাকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে দেশের রাজনীতি আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৬

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৬